ঢাকা,বৃহস্পতিবার,১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮,২৯,জুলাই,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * জীবনের সুরক্ষার অনিবার্য প্রয়োজনেই লকডাউন : সেতুমন্ত্রী   * বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চীন বিশ্বস্ত অংশীদার: প্রধানমন্ত্রী   * দেশবাসীকে ‘কঠোর লকডাউন’ মেনে চলার অনুরোধ তথ্যমন্ত্রীর   * করোনায় একদিনে রেকর্ড মৃত্যু ১৪৩, শনাক্ত ৮৩০১   * অভ্যন্তরীণ সব রুটে বিদেশগামীরা ফ্লাইট সুবিধা পাবে   * লকডাউনের প্রথমদিনেই রাজধানীতে আটক-গ্রেফতার ৭৫৫   * শপথ নিলেন মিন্টু ও হাসেম খান   * রিজার্ভ থেকে ঋণ দিয়ে বাড়তি আয়, মন্দ নয় : অর্থমন্ত্রী   * আরো ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে বিনামূল্যে ঘর প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী   * বয়সের কারণে মনে হয় মির্জা ফখরুলের মতিভ্রম ঘটেছে  

   স্বাস্থ্য চিকিৎসা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনা প্রতিরোধে যা যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক :

মহামারি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই এ ভাইরাস থেকে বাঁচতে বিশ্বজুড়ে লকডাউন বা কারফিউ ঘোষণা করো হয়েছে। সেই সঙ্গে এই ভাইরাস মোকাবেলায় শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক পথ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান চরক ফার্মার কয়েকজন বিশেষজ্ঞ গবেষক ও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে রোগ প্রতিরোধকারী বেশ কিছু খাবারের কথা জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

মুগ ডাল : খুব সহজেই হজম হয় মুগ ডাল। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পুষ্টিতে ভরপুর এই দানা শস্যটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী।

সবুজ শাক : পালংশাক, কারিপাতা, লাউশাক, কলমিশাক খেতে পারেন। আমাদের ক্যালসিয়াম ও আয়রনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের জোগান দেয় সবুজ শাক। এগুলো মশলায় হালকা ঝলসে নিলে দারুণ উপাদেয় হতে পারে বলে জানাচ্ছেন ভেষজ বিশেষজ্ঞ গবেষক ও চিকিৎসকরা।

হলুদ : হাজার বছর ধরে হলুদ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দায়িত্ব পালন করে আসছে। হলুদ তরকারির শুধু রং বদলাতেই ব্যবহার করা হয় না। এর ব্যাপক ভেষজগুণ রয়েছে। বাড়তি সতর্কতা আকারে অনেকে নিয়মিত এক টুকরো কাচা হলুদ খেয়ে থাকেন।

ডাল : প্রোটিনের দারুন উৎস হচ্ছে ডাল। এটা এমন একটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যা সবার জন্যই উপকারী। এ ছাড়া এতে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকায় নিয়মিত ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। মসুর, মুগ, মাসকলাই, ছোলা ও খেসারির ডাল শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে।

গোল মরিচ ও জিরা : গোল মরিচ ক্রনিক সর্দি-কাশি থেকেও রক্ষা করে। ছোট্ট এই কালো দানার অসীম গুণ। আর জিরা হজমে সাহায্য করে, অতিরিক্ত ওজন কমায় ও লিভার ভালো রাখে।

মৌসুমী ফল : কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আনার, তরমুজ, জলপাই, আনারস ইত্যাদি ফল আমাদের হাতের নাগালেই থাকে। করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ বা যেকোনো রোগ দানা বাধার আগেই যেন আমাদের শরীর প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে এজন্য এসব ফল খেতে হবে। এর মধ্যে পেপে হজমে দারুণ কার্যকর। আর আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়াও আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ।

ভিটামিন সি : আমলকি, লেবু, কমলা, কাচা মরিচ, করলা এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বাড়ায়। 

করোনা প্রতিরোধে যা যা খাবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

মহামারি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই এ ভাইরাস থেকে বাঁচতে বিশ্বজুড়ে লকডাউন বা কারফিউ ঘোষণা করো হয়েছে। সেই সঙ্গে এই ভাইরাস মোকাবেলায় শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক পথ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান চরক ফার্মার কয়েকজন বিশেষজ্ঞ গবেষক ও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে রোগ প্রতিরোধকারী বেশ কিছু খাবারের কথা জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

মুগ ডাল : খুব সহজেই হজম হয় মুগ ডাল। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পুষ্টিতে ভরপুর এই দানা শস্যটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী।

সবুজ শাক : পালংশাক, কারিপাতা, লাউশাক, কলমিশাক খেতে পারেন। আমাদের ক্যালসিয়াম ও আয়রনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের জোগান দেয় সবুজ শাক। এগুলো মশলায় হালকা ঝলসে নিলে দারুণ উপাদেয় হতে পারে বলে জানাচ্ছেন ভেষজ বিশেষজ্ঞ গবেষক ও চিকিৎসকরা।

হলুদ : হাজার বছর ধরে হলুদ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দায়িত্ব পালন করে আসছে। হলুদ তরকারির শুধু রং বদলাতেই ব্যবহার করা হয় না। এর ব্যাপক ভেষজগুণ রয়েছে। বাড়তি সতর্কতা আকারে অনেকে নিয়মিত এক টুকরো কাচা হলুদ খেয়ে থাকেন।

ডাল : প্রোটিনের দারুন উৎস হচ্ছে ডাল। এটা এমন একটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যা সবার জন্যই উপকারী। এ ছাড়া এতে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকায় নিয়মিত ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। মসুর, মুগ, মাসকলাই, ছোলা ও খেসারির ডাল শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে।

গোল মরিচ ও জিরা : গোল মরিচ ক্রনিক সর্দি-কাশি থেকেও রক্ষা করে। ছোট্ট এই কালো দানার অসীম গুণ। আর জিরা হজমে সাহায্য করে, অতিরিক্ত ওজন কমায় ও লিভার ভালো রাখে।

মৌসুমী ফল : কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আনার, তরমুজ, জলপাই, আনারস ইত্যাদি ফল আমাদের হাতের নাগালেই থাকে। করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ বা যেকোনো রোগ দানা বাধার আগেই যেন আমাদের শরীর প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে এজন্য এসব ফল খেতে হবে। এর মধ্যে পেপে হজমে দারুণ কার্যকর। আর আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়াও আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ।

ভিটামিন সি : আমলকি, লেবু, কমলা, কাচা মরিচ, করলা এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বাড়ায়। 

কেন মাস্ক পরবেন, কোন মাস্ক পরবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কিভাবে বাঁচবেন সেটা নিয়ে উপমহাদেশের খ্যাতনামা চিকিৎসক দেবী শেঠি, একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। করোনা প্রতিরোধে কোন ধরনের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত, সেটাই মূলত তুলে ধরেছেন সাধারণ জনতার উদ্দেশ্যে।

সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমার নাম দেবী শেঠি, আমি একজন হৃদযন্ত্রের শল্যচিকিৎসক। অপারেশন করার সময় আমি এই সার্জিক্যাল মাস্কটি পরে নিজের মুখ ঢেকে রাখি। এতে করে আমি যদি অপারশনের সময় হাঁচি বা কাশি দেই, সেই জীবাণু থেকে আমার রোগী সুরক্ষিত থাকেন। কিন্তু আমি আপনাদের এই সার্জিক্যাল মাস্ক পরার প্রবণতা দেখে বিস্মিত হচ্ছি।

আপনারা যেভাবে গণহারে এই মাস্ক ব্যবহার করছেন- এতে করে আমার মতো অনেক চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিক যারা কভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন- তারা এটির সংকটে পড়েছেন।

ফলাফলটা একবার ভেবে দেখুন। এসব ডাক্তার, নার্সরা এখন নিজেরাই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ভারি করছেন।

সার্জিক্যাল মাস্ক মাত্র ছয় ঘণ্টা ব্যবহারের জন্য, অর্থাৎ শুধু এটুকু সময় সে সুরক্ষা দিতে পারে। সাধারণত এই মাস্কটি ব্যবহারের পর আপনি বাড়িতে গিয়ে এটি বাড়ির কোনো স্থানে ফেলে রাখেন। আপনার সন্তান এটি ধরতে পারে। জীবাণু সংক্রমণ তার দেহেও ছড়াতে পারে। কারণ, এই মাস্ক উৎপাদনে ব্যবহৃত উপাদানগুলো জীবাণু শোষণ করে না। তাই মাস্কের ভেতরের অংশ, অর্থাৎ যেদিকটায় আপনি নিঃশ্বাস দিয়েছেন, কাশি দিয়েছেন- সব জীবাণু ওই অংশের উপরিতলেই থেকে যায়।

তাহলে উপায় কী? খুবই সহজ। ব্যবহারের পর ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া। না বর্তমান পরিস্থিতি মোটেই এমন সহজ সমাধান সমর্থন করছে না। আপনি ডাস্টবিনে ফেলবেন। মাস্কের বাজার চাহিদার কারণে ডাস্টবিন থেকে ময়লা কুড়ানো কোনো ব্যক্তি এটি রিসাইকেলওয়ালার কাছে বিক্রি করে দেবে। সে আসলে ময়লা নয়, কভিড-১৯ জীবাণু ছড়ানোর পথ আরও সহজ করে দেবে।

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্ক পরতেই হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে দয়া করে কাপড়ের তৈরি মাস্ক ব্যবহার করুন। কারণ কাপড় হাঁচি-কাশির ভেজা ফোটা শুষে নিতে পারে, আপনি এটি ধুয়ে- শুকিয়ে আবার ব্যবহার করতে পারবেন।

সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য কাপড়ের তৈরি মাস্ক পরা সার্জিক্যাল মাস্ক পরার সমান নিরাপত্তা দেয়। এই সুযোগে আমি (ভারতীয় গণমাধ্যম) টাইমস অব ইন্ডিয়াকে তাদের মাস্ক ইন্ডিয়া প্রচারাভিযানের জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই।

আর জনতার উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমাদের (চিকিৎসকদের) জীবন বাঁচাতে মাস্ক ব্যবহারে একটু সচেতন হোন, যাতে প্রয়োজনের সময় আমরাও আপনাকে বা আপনার প্রিয় কোনো মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ পাই।  

সকলকে ধন্যবাদ।

বাংলাদেশে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ৭৩ লাখ, বিশ্বে ৪২ কোটি
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৭৩ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আর আক্রান্তদের ৫০ শতাংশই জানেন না তাদের ডায়াবেটিসের বিষয়টি। মোট আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই নারী। ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ৯৫ শতাংশই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। যাদের শরীরে ইনসুলিন থাকে নিষ্ক্রিয় ও ইনসুলিনের ঘাটতি থাকে।

চিকিৎসকরা বলছেন, ওধুষ দিয়ে নয়, এসব ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য। তবে টাইপ-১ রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। যাদের শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয় না। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি পরিবারকে প্রশিক্ষিত করা প্রয়োজন বলেও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।

১৪ নভেম্ববর, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। আসুন, পরিবারকে ডায়াবেটিসমুক্ত রাখি- শ্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন হয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্তত ১৭০টি দেশে প্রতিবছর ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়। ডায়াবেটিস সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিই এই দিবসের মূল লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) এবার পরিবারে সদস্যদের ডায়াবেটিস থেকে বাঁচাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

আইডিএফ-এর গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে গোটা বিশ্বে ৪২ কোটিরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিস আক্রান্ত। যেখানে টাইপ-২ ৭০ শতাংশ। ফলে এখনই ডায়াবেটিস সম্পর্কে গণসচেতনা সৃষ্টি না করলে ২০৪০ সাল নাগাদ বিশ্বে এই রোগীর সংখ্যা ৬৪ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে।  
 
এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সবচেয়ে কম সিলেটে। ডায়াবেটিস সম্পর্কে জানাশোনা আছে ৭০ শতাংশ মানুষের। যাদের মধ্যে ৩৯ শতাংশ মানুষ এ বিষয়ে ভালো ধারণা রাখেন।

১ লাখ মানুষের ওপর চালানো ওই গবেষণায় দেখা যায়, গর্ভবতী নারীদের মধ্যে ২৬.৪ ভাগ নারী ডায়াবেটিস আক্রান্ত। তাদের মধ্যে ১৫ শতাংশের এক বছরের মাথায় ডায়াবেটিস হচ্ছে। পরিকল্পিত গর্ভধারণ ও গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে গর্ভজাত শিশুও টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করণীয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বর্তমান বিশ্বে যে রোগগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে তার মধ্যে ডায়াবেটিস অন্যতম। এটি কোনো জীবাণু ঘটিত বা ছোঁয়াচে রোগ নয়। শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোন ইনসুলিনের অভাবে অথবা ইনসুলিনের কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়ার কারণে এই রোগ দেখা দেয়।

 

অতিরিক্ত মোটা ব্যক্তি যারা অধিক খাদ্য গ্রহণ করেন এবং যারা কায়িক পরিশ্রম করেন না বা কম করেন তাদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পূর্ব পুরুষের এই রোগ থাকলে ডায়াবেটিস হতে পারে। গর্ভকালীন সময়েও এই রোগ হতে পারে।

আগে বলা হতো কোনো ব্যক্তির বারবার প্রস্রাব হলে সে ডায়াবেটিসে বা বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, বার বার প্রস্রাব হলেই ডায়াবেটিস না বরং বিভিন্ন উপসর্গ পর্যালোচনা করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করে কেবল ডায়াবেটিস রোগ শনাক্ত করা যায়। খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ৭ মিলিমোল/লিটার বা তার বেশি হলে এবং খাবার দুই ঘণ্টা পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ১১.১ মিলি মোল/লিটার বা তার বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। ডায়াবেটিস মূলত ২ ধরনের।

টাইপ-১ বা ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস যা ইনসুলিন উৎপাদন কম হলে বা না হলে দেখা দেয়। টাইপ-২ বা নন ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস যা ইনসুলিন ঠিকমত কাজ না করলে বা উৎপাদন অনুপাতে রোগীর শরীরের ওজন বেশি হলে দেখা দেয়। এছাড়াও গর্ভকালীন সময়েও রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। কিন্তু সন্তান জন্মদানের পর সেরে যায়। কিন্তু সচেতন না থাকলে পরবর্তীতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ডায়াবেটিস হলেই ভয়ের কিছু নেই যদি তা নিয়ন্ত্রণে থাকে। পরিমিত খাদ্য গ্রহণ, কায়িক পরিশ্রম যেমন-দৈনন্দিন কাজকর্ম, নিয়মানুযায়ী হাঁটা ও ব্যায়াম করা, উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন সঠিক রাখা ইত্যাদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন বা ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হবে।

অনেক সময় রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে বা বেড়ে গেলে রোগী অসুস্থ বোধ করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে গ্লুকোমিটার দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ মেপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অনেকে ডায়াবেটিস হলে খাবার একেবারেই বন্ধ করে দেন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে জটিলতা আরো বেড়ে যায়। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেডযুক্ত খাবারের চেয়ে প্রোটিনযুক্ত খাবারের সংখ্যা বেশি থাকে। পাশাপাশি প্রতিদিন মৌসুমি ফলের মধ্যে যে কোনো একটি ফল খেতে হবে।

এছাড়াও ডায়াবেটিস রোগীদের হাত-পায়ের যত্ন নিতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের যে কোনো ক্ষত শুকাতে সময় নেয়। তাই সতর্ক থাকতে হবে যেন শরীরে কোনো ক্ষত না হয়। ধূমপান, মদ্যপান বা সাদাপাতা-জর্দা দিয়ে পান খাওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। দৈনিক ৪০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস করতে হবে। যাদের এখনও ডায়াবেটিস হয়নি কিন্তু হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেই ক্ষেত্রে তাদেরও সচেতন থাকতে হবে।

লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে টমেটো
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

মানব দেহে লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে টমেটো। গবেষণার পর এমনই তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ে এক দল গবেষক। সম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হাই প্রোটিন জাতীয় খাদ্য লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

সম্প্রতি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত কিছু রোগীর উপর একটি পরীক্ষা করা হয়। এতে আশানুরূপ ফল এসেছে বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাং দং। তিনি বলেন, টমেটো সস, জুস, পেস্ট, পিউরি সবই লাইকোপোপেনের দারুণ উৎস। এর বীজের মধ্যে যে লাইকোপেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে তা ক্যান্সার প্রতিরোধী।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারি একটি সবজি টমটেো। সাধারণত পুষ্টিসমৃদ্ধ এই সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পাশাপাশি সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়, হাই প্রোটিন জাতীয় খাদ্য লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ তালিকার প্রথম দিকেই রয়েছে টমেটো। এতে ভিটামিন-ই ও ভিটামিন-সি ছাড়াও থাকে প্রচুর মিনারেলস ও ফাইবার। এর বীজের মধ্যে যে লাইকোপেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে তা ক্যান্সার প্রতিরোধী।

কলা প্রতিদিন কেন খাবেন?
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

 পুষ্টিকর কলা রাখতে পারেন দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায়। এটি আপনাকে রাখবে সুস্থ ও কর্মক্ষম। নিয়মিত কলা খেলে দূরে থাকা যায় অনেক ধরনের রোগ থেকে।
নিয়মিত কলা খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হয়।
কলাতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও নানা ধরনের উপকারী উপাদান যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
কলায় থাকা পটাসিয়াম, সোডিয়ামের প্রভাব কমাতে শুরু করে। ফলে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে রক্তচাপ।
হঠাৎ ক্লান্ত লাগলে একটি কলা খান, ফিরে পাবেন এনার্জি।
নিয়মিত কলা খেতে ভালো থাকে ত্বক ও চুল।
কলায় রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। বদহজম দূর হয়।
গবেষণা মতে, প্রতিদিন কলা খেলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বাড়ে, যার প্রভাবে স্ট্রেস লেভেল কমে যায়।
সুস্থতার জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন। কলা থেকে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি পাওয়া যায়। ভিটামিন এবং মিনারেলের পাশাপাশি পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান মেলে কলাতে।
কলায় থাকা প্রেকটিন নামক একটি উপাদান শরীরের ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করে অ্যানিমিয়া দূর করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন কলা খেতে পারেন। ফাইবারযুক্ত কলা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ফলে বাড়তি খাওয়ার ইচ্ছে জাগে না।

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন একটি করে কলা খান
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

কলা উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তবে শরীরের জন্য কলা ঠিক কতটা উপকারী তা হয়তো সবার জানা নেই। রোজ একটি কলা আপনার শরীরের অনেক সমস্যা সমাধান করে আপনাকে রাখতে পারে নিরোগ। কলার গুণাগুণ সম্পর্কে আসুন তাহলে জেনে নেই—

১.মানসিক স্বাস্থ্য : মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের ঘাটতি হলে সাধারণত হতাশার জন্ম হয়। কলা এই সেরোটোনিন বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ কলায় থাকে ট্রিপ্টোফান। কলা উদ্বেগ কমানোর ক্ষেত্রেও ফলদায়ক।

২.ওজন নিয়ন্ত্রণ : কেউ ওজন কমাতে চাইলে খাদ্য তালিকায় কলা রাখতে পারেন। সকালে একটি করে কলা ভীষণ উপকারী। এতে সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালরি পেতে পারেন।

৩.মস্তিষ্কে শক্তি বাড়ায় : কলায় প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। নিয়মিত কলা খেলে মস্তিষ্কে শক্তি সরবরাহ অব্যাহত থাকে। ফলে যে কোনও কাজে মনোযোগ বাড়ে।

৪.হাড় শক্ত করে : ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে কলা উপকারী ফল। এটি হাড় মজবুত করে।

৫.হৃদযন্ত্র ভালো রাখে : পাকা কলা পটাশিয়ামের আঁধার। প্রতিদিন একটি বা দুটি কলা খেলে আপনার হৃদযন্ত্র অনেক বেশি সচল থাকবে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে।

৬.ক্যন্সারের ঝুঁকি কমায় : সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত পাকা কলা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিএনএফ-এ  নামক এক ধরণের যৌগ সরবরাহ করে,যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। এতে করে ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। শরীরে যাবতীয় উপাদানের ঘাটতি মেটাতে একটা করে কলা রোজ যথেষ্ট। তবে কলা হালকা খাবার। সেক্ষেত্রে দুটো খেলেও সমস্যা নেই। তবে রাতের দিকে কলা খেলে অনেক সময় ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। শরীর চর্চার আগে বা পরে কলা খেতে পারলে ভাল। এতে এনার্জি বাড়ে। তা হলে আর দেরি কেন? আজ থেকেই ডায়েট চার্টে রাখুন একটা করে কলা।

শরীরকে অন্তত ৬০ বছর সুস্থ রাখতে চান?
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

শরীর সুস্থ রাখতে হলে নিজেকে সচল রাখতে হবে। আর খাওয়া-দাওয়ায় সচেতন হলেই শরীর সচল হবে। তাই আমারা চিন্তা করি কি খাবো আর কি খাবো না। সব চিন্তার সমাধান যদি হয় একটি ফল তাহলে কেমন হয়? শরীরের জন্য উপকারী একটি ফল হলো বেদানা। এটি আনার বা ডালিম নামেও পরিচিত।
প্রতিদিন খাবারের মেন্যুতেু যদি একটি বেদানা রাখা হয় তাহলে আর চিন্তা কি।

একটি বেদানা আপনার শরীরের জন্য কতো উপকারী চলুন জেনে নেই-

১. ব্রেন ডিজিজ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেদানায় উপস্থিত নানাবিধ উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর  ব্রেনের পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বিশেষত ব্রেন সেলের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে অ্যালঝাইমার্সের মতো মস্তিস্কঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বলে চলে।

২. ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়
শরীরকে সচল এবং সুস্থ রাখতে যে যে ভিটামিনগুলির প্রয়োজন পরে প্রতিদিন, তার প্রায় সবকটিরই সন্ধান মিলে একটি বেদানায়, যেমন ধরুন-ভিটামিন সি, ই,কে। সেই সঙ্গে ফলেট, পটাসিয়াম এবং আরও কত কী। তাই  দীর্ঘ দিন যদি সুস্থভাবে বাঁচতে হয়, তাহলে এই ফলটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে দেরি করবেন না।

৩. নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে
বাঙালি মানেই মাত্রা ছাড়া খাওয়া-দাওয়া। আর এমনটা করতে গিয়ে কি পেট ছেড়েছে? তাহলে  এক্ষুণি অল্প করে বেদানা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কষ্ট কমে যাবে। কারণ বেদানা অন্দরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, বেদানার পাতা দিয়ে বানানো চা খেলেও এক্ষেত্রে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।

৪. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে
রোজ ডায়েটে এই ফলটিকে রাখলে সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে কমে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও। বেদানায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও নানাভাবে হার্টের খেয়াল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. চুল পড়ার হার কমে
অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে প্রতিদিন বেদানার রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন চুল পড়ার মাত্রা তো কমবেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো।

৬. ক্যান্সার ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারে না
বেদানায় ফ্লেবোনয়েড নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রক্তে উপস্থিত ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে কোনও ভাবেই দেহের অন্দের ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে না। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রোস্টেট এবং ব্রেস্ট ক্যান্সারকে দূরে রাখতেও এই ফলটি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

৭. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়
বেশ কিছু স্টাডি অনুসারে প্রতিদিনের ডায়েটে বেদানাকে জায়গা করে দিলে ত্বকের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে বলিরেখা অদৃশ্য হতে থাকে। সেই সঙ্গে ডার্ক স্পট এবং ডার্ক সার্কেলও গায়েব হয়ে যায়। ফলে সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।

৮. অ্যানিমিয়ার মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না
অ্যানিমিয়ার প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বেদানা খাওয়ারও প্রয়োজন বেড়েছে অনেক মাত্রায়। কারণ এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়ে রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কারণেই তো ছোট থেকেই মেয়েদের নিয়মিত বেদানা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৯. ডায়াবেটিস দূরে থাকে
পরিবারে কি এই রোগটির ইতিহাস রয়েছে? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে তাহলে আজ থেকেই বেদানা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন আপনার জীবনকালে কখনও ডায়াবেটিস আপনার শরীরে বাসা বাধতে পারবে না। কারণ এই ফলটি খাওয়া মাত্র শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

১০. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে
শুনতে আজব লাগলেও একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত কাঁচা বেদানা অথবা বেদানার রস খাওয়া শুরু করলে ব্লাড ভেসেলে সৃষ্টি হওয়া প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ এতটা বেড়ে যায় যে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু, যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা যদি দীর্ঘকাল সুস্থ থাকতে চান, তাহলে এই ফলটিকে সঙ্গী বানাতে ভুলবেন না যেন।

১১. জয়েন্টের সচলতা বৃদ্ধি পায়
শরীরে যখন ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমতে শুরু করে তখন এমন কিছু ক্ষতিকর এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায় যে জয়েন্টের সচলতা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হাড় এত মাত্রায় দুর্বল হয়ে পরে যে অস্টিওআর্থ্রাইটিস মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এক্ষেত্রেও কিন্তু বেদানা নানাভাবে কাজে আসে। যেই এনজাইমের কারণে হাড়ের ক্ষয় হতে থাকে,তার ক্ষরণ কমিয়ে দিয়ে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতে এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. দাঁত শক্তপোক্ত হয়
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ এই ফলটি খাওয়ামাত্র মুখ গহ্বরের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর জীবাণুরা সব মারা পরে। ফলে ক্যাভিটির মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

পান খেলে ক্যানসার হতে পারে!
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক :

ভোজনরসিকদের কাছে পান-সুপারির কদর আলাদা। এ দেশে অতিথি আপ্যায়নের ক্ষেত্রেও পান-সুপারির ব্যবহার বেশ পুরনো। এর অবশ্য ভিন্ন আবেদন রয়েছে সিলেটবাসীর কাছে। জনপ্রিয় এ পদটি খেতে সুস্বাদু হলেও রয়েছে ক্যানসারের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
পানের সঙ্গে সুপারি, জর্দা, চুনসহ আরও বেশ কিছু পদ মিশিয়ে এটি খাওয়া হয়। এ মিশ্রণেই মূলত ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে বলে মত চিকিৎসকদের।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়ার মুখে ক্যান্সার রোগ ধরা পড়ে অতিরিক্ত পান খাওয়ার কারণে। ঢাকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অধ্যাপক কিবরিয়াকে সে কথাই জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ১৯৭৮ সাল থেকে পান খাওয়া শুরু করি। তখন আমি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। এখন অবশ্য পান খাওয়া বাদ দিয়েছি।’
সিলেটের ঘরে ঘরে পান একটি অতি পরিচিত মুখরোচক খাবারবিশেষ। সাধারণত অতিথি আপ্যায়নে কিংবা কোনো বৈঠকে আলোচনা শুরু করার উপলক্ষ হিসেবে পানের ব্যবহার দেখা যায়। মূলত পান, সুপারি, চুন ও নানা রকমের জর্দা (তামাক জাতীয় দ্রব্য), খয়ের ইত্যাদি একসঙ্গে খাওয়াকেই পান খাওয়া বোঝায়।
আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএআরসির মতে, চুন ও সুপারি দিয়ে পান খেলে মুখের ক্যানসার হতে পারে। তাই যারা পানের সঙ্গে তামাকজাতীয় দ্রব্যাদি গ্রহণ করেন তাদের সাধারণের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি ওরাল ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান বলেন, ‘পান-সুপারি খাওয়ার কারণে মুখে আলসার, ক্যানসারসহ নানা রোগ হতে পারে। তবে কতটুকু পান-সুপারি খেলে এ রোগ হতে পারে তা চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্পষ্ট করা হয়নি। যে খাবার রোগ সৃষ্টি করে তা বর্জন করা শ্রেয়।’
এক গবেষণায় দেখা গেছে, চুনসহ সুপারি দিয়ে পান খেলে মুখের ক্যানসারের ঝুঁকি ৯.৯ গুণ (জর্দাসহ) এবং ৮.৪ গুণ ( জর্দা ছাড়া)। চুনে রয়েছে প্যারা অ্যালোন ফেনল, যা মুখে আলসার সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের ঘা ধীরে ধীরে ক্যানসারে রূপান্তরিত হতে পারে।
কাঁচা সুপারিতে রয়েছে উচ্চমাত্রার সাইকোএকটিভ এলকালয়েড। এ কারণে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সুপারি চিবোলে শরীরে গরম অনুভূত হয়, এমনকি শরীর ঘেমে যেতে পারে। সুপারি খেলে তাৎক্ষণিক যেসব সমস্যা দেখা যায়, সেগুলো হলোÑঅ্যাজমা বেড়ে যেতে পারে, হাইপারটেনশন বা রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।
অন্যদিকে পানে রয়েছে টারফেনলস। পান খাওয়ার কারণে ঠোঁট ও জিহ্বাতে দাগ পড়ে যায়। পানের উপকারিতাও কিন্তু কম নয়। পান পাচনশক্তি বৃদ্ধি, আওয়াজ পরিষ্কার করতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। পানের সাথে গোলমরিচ, লবঙ্গ মিশিয়ে খেলে কাশি কমে যায়।

যে রোগটি লম্বা মানুষদের বেশি হয়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক :

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইডের গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দশ লাখেরও বেশি মানুষের তথ্য নিয়ে এ পরীক্ষা করেন। অতীতের বিভিন্ন গবেষণাতেও একই ফলাফল দেখা যায়।
গবেষক লিওনার্ড নুনে এবং তার সহকর্মীরা দেখেন, স্বাভাবিক বা গড় উচ্চতার তুলনায় ১০ সেন্টিমিটার বা ৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা হলে ক্যান্সার আক্রান্ত হবার শঙ্কা নারীদের ক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ ও পুরুষের ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ বেশি হতে পারে।
অধ্যাপক নুনে জানান, ৫ ফুট লম্বা একজন সাধারণ মানুষের তুলনায় ৭ ফুট লম্বা একজন বাস্কেটবল প্লেয়ারের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ হয়।
লম্বা হওয়ার কারণে ক্যান্সারের যে ঝুঁকি, তা কমানোর কোনো উপায় নেই। নিজের উচ্চতা তো আর কমানো যায় না! তবে এ ঝুঁকির বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত।
আপনি বংশগত কারণে লম্বা নাকি ভালো খাদ্যভ্যাসের কারণে লম্বা তা আসলে এখানে জরুরী বিষয় নয়। লম্বা হলে শরীরে কোষের সংখ্যা বেশি হয়, এ কারণেই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই আপনি স্বাভাবিকের তুলনায় লম্বা হয়ে থাকলে ক্যান্সারের পরীক্ষা করানোটা বেশি জরুরী।
লম্বা মানুষদের মাঝে মেলানোমা (এক ধরণের ত্বকের ক্যান্সার) বেশি দেখা যায়। কারণ তাদের ত্বকের পরিমাণটাও বেশি। কিছুকিছু লম্বা প্রাণী যেমন হাতি ও জিরাফের শরীরে এ ধরণের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ পদ্ধতি গড়ে উঠেছে, কিন্তু তা মানুষের মাঝে নেই। স্বাভাবিকের তুলনায় লম্বা হয়ে থাকলে ক্যান্সারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন ও ধূমপান বর্জন করুন।
সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

বছরে ৩ হাজার শিশু ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হচ্ছে, অধিকাংশই অন্ধত্বের ঝুঁকিতে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩ হাজার শিশু ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হচ্ছে। এসব শিশুর অধিকাংশই ডায়াবেটিক জনিত সমস্যার কারণে অন্ধ হয়ে যাবার ঝুঁকিতে আছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি ‘প্রকল্পের’ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ‘ডায়াবেটিক শিশুদের চক্ষুসেবার সমন্বিত পদক্ষেপের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক এ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ডায়াবেটিক শিশুদের অন্ধত্বের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে সমন্বিত চিকিৎসার পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিক শিশুদের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উল্লেখ করে প্রকল্প মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশুরা সঠিক চিকিৎসার অভাবে চোখের বিভিন্ন রোগে ভুগছে। কোন কোন ক্ষেত্রে শিশুরা চিরতরে অন্ধও হয়ে যাচ্ছে। গতকাল বুধবার অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউএসএআইডি’র শিশু অন্ধত্ব প্রতিরোধ কর্মসূচির সহযোগিতায় অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি যৌথভাবে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেড়বছরে রাজধানীর বারডেম ও বগুড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালে ৭ হাজারেরও বেশি চক্ষু রোগীকে সমন্বিত সেবা দেয়া হয়। এরমধ্যে ৩ হাজারের অধিক ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশু। এ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, এশিয়া-প্যাসিফিক অপথামোলজি একাডেমির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. আভা হোসেন। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সেক্রেটারি জেনারেল ডা. সাইফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের রিসার্চ ডিরেক্টর ড. নাথান জি কংডন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. জাফর খালেদ, ইউএসএআইডি’র ঢাকা অফিসের হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি পিলার লিড এডনা জোনাস এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রকল্প মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. নওশাদ ফায়েজ। এছাড়া বারডেম হাসপাতালের চিলড্রেন ইন ডায়াবেটিস প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. বেদওয়ারা জাবিন এই প্রকল্পের অভিজ্ঞতা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেজিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন চক্ষু চিকিৎসক গবেষণালব্ধ তথ্য উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের ডায়াবেটিকজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সেন্টারের সহযোহিতায় আরো সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ, হাসপাতালের বাইরে বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র, ডাক্তার-নার্স-মেডিকেল এসোসিয়েটসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

লিভার সুস্থ রাখার উপায়
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
মানুষের দেহের প্রধান অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম অঙ্গ হলো লিভার। দেহের স্বাভাবিক পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরি। কিন্তু আমাদের কিছু অসাবধানতার জন্য প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। তাই এই অঙ্গকে সুস্থ রাখতে হলে আমাদের কিছু ভালো অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
 
প্রথমেই আমাদের বাইরের দোকানের খাবারকে না বলতে হবে। এতে বাইরের জীবাণু ভাইরাস থেকে লিভার সুস্থ থাকবে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা এড়াতে অতিরিক্ত মদ্যপান, তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তবে বাজার থেকে লো ফ্যাটযুক্ত খাবার কেনার পূর্বে এতে চিনির পরিমাণ দেখে কিনতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, লিভার সুস্থ রাখতে স্ট্রেসের সময় খাবার না খাওয়া ভালো। এতে হজমের সমস্যা হয় না।
 
যে কোনো প্রোটিন বা ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পূর্বে সতর্ক থাকতে হবে। এমন সাপ্লিমেন্ট নিতে হবে যা লিভার ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ওমেগা থ্রি, অ্যামাইনো এসিড লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
 
কিছু ওষুধ লিভারের ক্ষতি করে। যেমন কিছু পেইন কিলার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ লিভারের প্রভূত ক্ষতি করে। লিভার সুস্থ রাখতে অ্যানিমাল প্রোটিনের চেয়ে প্লান্ট প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এছাড়া রসুন, জাম্বুরা, বীট, গাজর, সবুজ চা, সবুজ শাক-সবজি, অলিভের তেল, লেবু, বাঁধাকপি, হলুদ লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
 
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কফি পান লিভারের অসুখ ১৪ শতাংশ কমায়। তবে কফি হতে হবে লো ফ্যাট ও লো কার্বো হাইড্রেটযুক্ত। তবে শরীরের সুস্থতার জন্য নিয়মিত হেলথ চেকআপ করা উচিত এবং কোনো সমস্যা অনুভূত হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
 
লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ
মেরুদন্ডের ক্ষতি দৈনন্দিন অভ্যাসে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

হয়ত খেয়ালও করছেন না অথচ কোনো না কোনো ভাবে মেরুদ-ে প্রভাব ফেলছেন প্রতিদিন।
শরীরের কাঠামো ঠিক রাখার পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রের উপরেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই মেরুদ-ের সামান্য ক্ষতিও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অজান্তে প্রতিদিনের সাধারণ কিছু কাজ মেরুদ-ের যে ক্ষতি করছে তার কয়েকটি উদাহরণ এখানে দেওয়া হল স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে।

উঁচু হিলের জুতা: নিয়মিত উঁচু হিলের জুতা পরার কারণে মেরুদ-ের বাঁক সারিবদ্ধ অবস্থা থেকে সরে যেতে পারে। এতে শরীরের স্বাভাবিক গড়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বেঁকে যেতে পারে পিঠ ও নিতম্বের হাড়গুলো। তাই প্রতিদিন পরার জুতা হিসেবে বেছে নিন ‘প্ল্যাটফর্ম হিল’, ‘ফ্ল্যাটস’, আর এড়িয়ে চলুন তীক্ষ্ণ হিলের জুতা।

ভারোত্তোলন ব্যায়াম: ব্যায়ামাগারে ভারী ওজন নিয়ে ব্যায়াম করলে তা অবশ্যই প্রশিক্ষকের তদারকিতে করা উচিত। অভ্যস্ত না হলে ভারী ওজন ওঠানো মেরুদ-ের মারাত্বক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ভারী ব্যাগ বহন: ভারী ব্যাগ বহন করার সময় শরীর একদিকে কাত হয়ে থাকে কিংবা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ শরীর বাঁকা হয়ে থাকার কারণে দেখা দেয় ঘাড় ব্যথা, ক্ষতিগ্রস্ত হয় মেরুদ-। তাই হাতে ঝুলিয়ে ভারী ব্যাগ বহনের সময় দুই হাতে ওজন ভাগ করে নিতে হবে, আর যতটা সম্ভব ভারী ব্যাগ বহন করা এড়িয়ে চলতে হবে।

মোবাইলে কথা বলা: এই অভ্যাস আমাদের জীবনযাত্রায় অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গিয়েছে। তবে এর কারণে হওয়া স্বাস্থ্যগত ক্ষতির দিকগুলো আমরা হেলার উড়িয়ে দেই। ঘাড় সামনের দিকে নামিয়ে স্মার্ট ফোন ব্যবহার এবং মাথা একপাশে কাত করে ফোনে কথা বলা মেরুদ-ের উপর চাপ ফেলে।

ভুলভাবে শোয়া: পেটের ভরে উপুড় হয়ে শুয়ে ঘুমানো মেরুদ-ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই অভ্যাসের কারণে ঘাড় ও মেরুদ-ের স্বাভাবিক বাঁকের উপর চাপ পড়ে। ফলাফল হতে পারে ঘাড় কিংবা পিঠ ব্যথা।

ঘরোয়া কাজ: কিছু গৃহস্থালী কাজ মেরুদ-ের জন্য ক্ষতিকর। ঘরের কাজ না করে তো আর উপায় নেই, তাই এমনভাবে করতে হবে যাতে মেরুদ-ের ক্ষতি না হয়। যেমন, ঝাড়ু দেওয়ার সময় বা মপ দিয়ে ঘর মোছার সময় আমরা সামনের ঝুঁকে থাকি যা মেরুদ-ের জন্য অপকারী। আবার ভারী হাঁড়ি মাটি থেকে কোমরে ওঠানোর কারণেও মেরুদ-ের ক্ষতি হয়।

তাই এই ধরনের কাজ করার সময় মেরুদ-ে যাতে চাপ না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।

পাকা আম বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
                                  
আমকে বলা হয় ফলের রাজা। আম খেতে যেমন সুস্বাদু ও রসালো তেমনি পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অতুলনীয়। পাকা আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিন। পাশাপাশি আম একটি উচ্চ মাত্রার চিনি, কার্বোহাইড্রেট ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ ফল। তাছাড়া পাকা আমে ফিনোলিকস জাতীয় উপাদান থাকার কারণে এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উত্স।
 
কিন্তু চিকিত্সকগণ জানিয়েছেন, পাকা আম খাওয়া ভালো তবে খুব বেশি খাওয়া ঠিক নয়। পাকা আমে চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে যাদের ডায়াবেটিস আছে অথবা হবার সম্ভাবনা আছে তাদের জন্য আম খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। মাঝারি মাপের একটি পাকা আমে ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। তাই কেউ যদি পরপর বেশ কয়েকটি আম খেয়ে ফেলেন তবে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
 
কাঁচা আম পাকাতে অনেক সময় ক্যালমিয়াম কার্বাইড নামক রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় যা আমের খোসায় রয়ে যায়। এটি অনেক সময় অ্যালার্জির কারণও হতে পারে। যাদের অ্যাজমার সমস্যা ও কিডনির সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আম কম খেতে হবে। এছাড়া আমে শর্করার হার বেশি থাকে যা শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে। তাই আম খাওয়ার আগে অবশ্যই এর ক্ষতিকর দিক চিন্তা করে পরিমাণমত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।
 
লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ
ভিটামিন ডি-এর যত উপকার
                                  

অনলাইন ডেস্ক  :

আমাদের শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদানের মধ্যে একটি হলো ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস (হাড় বাঁকা), অস্টিও মেলাশিয়া, বয়স্কদের হাড় ক্ষয় ইত্যাদি হয়ে থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলোক রশ্মির উপস্থিতিতে মানবদেহের চর্মে উৎপন্ন হয়। এ ছাড়া ভোজ্য তেল, দুগ্ধ ও দুগ্ধ জাতীয় খাদ্য, বিভিন্ন মাছের তেল, ডিমের কুসুম, মাখন, ঘি, চর্বি ও মাংসে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। ভিটামিন ডি অস্থি ও দাঁতের কাঠামো গঠন করে।
অন্ত্রে ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়ায়, রক্ত প্রবাহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিন ডি আগামি প্রজন্মের (শিশুদের) ভ্রƒণ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে যায় ও বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
পায়ের হাড়

সচেতনতা প্রয়োজন ম্যালেরিয়ায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ম্যালেরিয়া বিশ্বের প্রাচীনতম এবং পরজীবীবাহী ভয়ঙ্কর জীবনসংহারী ব্যাধি। প্রতিবছর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশে অসংখ্য মানুষ এ সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে থাকে। এই মৃত্যুহার কমানো এবং বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিবছর ২৫ এপ্রিল ‘বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস’ হিসেবে উদযাপন করে থাকে।

কারণ : ম্যালেরিয়া হচ্ছে মশক বাহিত প্লাজমোডিয়াম পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি কেবল সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফেলিস মশার কামড়ে হয়। এ পর্যন্ত ষাটের অধিক প্রজাতির ম্যালেরিয়া পরজীবী আবিষ্কার করা সম্ভব হলেও এর মধ্যে ৪টি প্রজাতি মানুষের ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী। প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স, ফ্যালসিপ্যারাম, ম্যালেরি ও ওভাল-এর যেকোনো একটি জীবাণু বহনকারী মশার দংশনে ম্যালেরিয়া হতে পারে। এর মধ্যে ফ্যালসিপ্যারাম ম্যালেরিয়ার জটিলতা সবচেয়ে বেশি, এমনকি মস্তিষ্ক আক্রান্ত করে জীবনসংহারী হতে পারে। সংক্রমিত মশা যখন কোনো ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন ওই ব্যক্তির রক্তে ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রবেশ করে এবং সে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়।
লক্ষণ :নির্দিষ্ট সময় পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ¦র আসা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। জ¦র সাধারণত ১০৫-১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। তবে নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে জ¦র আসা-যাওয়া করে যেমন- একদিন পর পর জ¦র, তা তিন চার ঘণ্টা দীর্ঘ হওয়া এবং এরপর ঘাম দিয়ে জ¦র কমে যায়। জ¦র ছেড়ে গেলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়েও কমে যেতে পারে। এ ছাড়াও মাঝারি থেকে তীব্র কাঁপুনি বা শীত শীত অনুভব, গায়ে প্রচ- ব্যথা, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া বা ক্ষুধামন্দা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমিবমি ভাব অথবা বমি, হজমে গোলযোগ, অত্যধিক ঘাম হওয়া, খিঁচুনি, পিপাসা লাগা, ক্লান্তি বা অবসাদ অনুভব করা, মাংসপেশি, তলপেটে ব্যথা অনুভব, প্লীহা ও যকৃত বড় হয়ে যাওয়াসহ লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হওয়ার কারণে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ম্যালেরিয়া রোগের জটিলতম ধরন হলো ‘ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া’। সাধারণ ম্যালেরিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের জটিলতা যেমন রক্তশূন্যতা, কিডনি বৈকল্য, শ্বাসকষ্ট হওয়া, জন্ডিস, খিঁচুনি, রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়। জরুরি চিকিৎসা না পেলে এসব রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা : ম্যালেরিয়া সন্দেহ হলে প্রথমবার পরীক্ষায় যদি ম্যালেরিয়ার কিছু না পাওয়া যায়, তবে পর পর তিন দিন পরীক্ষাটি করা উচিত। যদি ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়, তাহলে দেরি না করে বা উদ্বিগ্ন না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
প্রতিরোধে করণীয় : ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। তবে এ রোগ সম্পূর্ণ প্রতিকার ও প্রতিরোধযোগ্য। মশাবাহিত রোগ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হলে সচেতনতা অবলম্বন প্রয়োজন। মশার কামড় থেকে দূরে থাকাই এ রোগ প্রতিরোধের উপায়। এজন্য কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন- দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি বা কয়েল ব্যবহার করা। দরজা-জানালায় মশক নিরোধক জাল, প্রতিরোধক ক্রিম, স্প্রে ব্যবহার করা। ঘরের আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে মশা বংশবিস্তার না করতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা বা স্থির জলাধার, জলাবদ্ধ এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার করা।  জমা পানিতে মশা ডিম পাড়ে বেশি। এসব স্থানে কীটনাশক বা কেরোসিন ছিটিয়ে দেওয়া। ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকায় বেড়াতে গেলে, আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ সঙ্গে রাখা।
লেখক : ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।


   Page 1 of 2
     স্বাস্থ্য চিকিৎসা
করোনা প্রতিরোধে যা যা খাবেন
.............................................................................................
কেন মাস্ক পরবেন, কোন মাস্ক পরবেন
.............................................................................................
বাংলাদেশে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ৭৩ লাখ, বিশ্বে ৪২ কোটি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করণীয়
.............................................................................................
লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে টমেটো
.............................................................................................
কলা প্রতিদিন কেন খাবেন?
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে প্রতিদিন একটি করে কলা খান
.............................................................................................
শরীরকে অন্তত ৬০ বছর সুস্থ রাখতে চান?
.............................................................................................
পান খেলে ক্যানসার হতে পারে!
.............................................................................................
যে রোগটি লম্বা মানুষদের বেশি হয়
.............................................................................................
বছরে ৩ হাজার শিশু ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হচ্ছে, অধিকাংশই অন্ধত্বের ঝুঁকিতে
.............................................................................................
লিভার সুস্থ রাখার উপায়
.............................................................................................
মেরুদন্ডের ক্ষতি দৈনন্দিন অভ্যাসে
.............................................................................................
পাকা আম বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
.............................................................................................
ভিটামিন ডি-এর যত উপকার
.............................................................................................
সচেতনতা প্রয়োজন ম্যালেরিয়ায়
.............................................................................................
কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে বর্জন করবেন যে খাবার
.............................................................................................
গ্রিন টি-এর গুণাবলি
.............................................................................................
যেসব ফল খেতে পারেন ডায়াবেটিকরা
.............................................................................................
শীতকালীন স্বাস্থ্য সমস্যা
.............................................................................................
নাক ডাকার কারণ ও মুক্তির উপায়
.............................................................................................
যৌন সম্পর্কের সময় হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি পুরুষদেরই
.............................................................................................
নিমপাতার যত গুণ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : জিয়াউল হক ।
নির্বাহী সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । এম, এ হাসান : সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২,-মোবাইলঃ- ০১৭১৬-৯১১৫৭২

E-mail: provatikhoborbd@gmail.com,provatikhobor2014@gmail.com,
Web: www.dailyprovatikhobor.com

   All Right Reserved By www.dailyprovatikhobor.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop