ঢাকা,বৃহস্পতিবার,১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮,২৯,জুলাই,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * জীবনের সুরক্ষার অনিবার্য প্রয়োজনেই লকডাউন : সেতুমন্ত্রী   * বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চীন বিশ্বস্ত অংশীদার: প্রধানমন্ত্রী   * দেশবাসীকে ‘কঠোর লকডাউন’ মেনে চলার অনুরোধ তথ্যমন্ত্রীর   * করোনায় একদিনে রেকর্ড মৃত্যু ১৪৩, শনাক্ত ৮৩০১   * অভ্যন্তরীণ সব রুটে বিদেশগামীরা ফ্লাইট সুবিধা পাবে   * লকডাউনের প্রথমদিনেই রাজধানীতে আটক-গ্রেফতার ৭৫৫   * শপথ নিলেন মিন্টু ও হাসেম খান   * রিজার্ভ থেকে ঋণ দিয়ে বাড়তি আয়, মন্দ নয় : অর্থমন্ত্রী   * আরো ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে বিনামূল্যে ঘর প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী   * বয়সের কারণে মনে হয় মির্জা ফখরুলের মতিভ্রম ঘটেছে  

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত

অনলাইন ডেস্ক :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৯ মার্চ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সারাদেশে সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহষ্পতিবার ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা নিজ নিজ উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে এ উপলক্ষে প্রার্থনা সভার আয়োজন করবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।  

শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৯ মার্চ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সারাদেশে সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহষ্পতিবার ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা নিজ নিজ উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে এ উপলক্ষে প্রার্থনা সভার আয়োজন করবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।  

ঈদুল আজহার নামাজ মসজিদে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে লোক সমাগম যেন না হয় সে জন্য আসন্ন ঈদুল আজহার নামাজ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে আদায় করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম। একই সঙ্গে ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করতেও না করা হয়েছে।

সভায় বলা হয়, ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় যেসব নির্দেশনা ছিল সেগুলো ঈদুল আজহার ক্ষেত্রেও তা বলবৎ থাকবে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ঈদের প্রধান জামাত হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।

সারাদেশের বিভাগ/জেলা/উপজেলা/সিটি করপোরেশন/পৌরসভাসশস্ত্র বাহিনী বিভাগ/বেসরকরি সংস্থাগুলোর প্রধানরা জাতীয় কর্মসূচির আলোকে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন করে ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে দেশের সকল হাসপাতাল/কারাগার/সরকারি শিশুসদন/বৃদ্ধনিবাস/মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হবে। সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

কোরবানির পর পশুর রক্ত/বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে যাতে পরিবেশ নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঈদুল আজহার আগের জুমার খুতবায় এ বিষয়ে মুসল্লিদের সচেতন করা হবে।

এর আগে রমজান মাসের ঈদুল ফিতরের নামাজও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে আদায় করা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা ছিল ঈদগাহে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে।

২০৩০ সালে মুসলিমদের রাখতে হবে ৩৬ রোজা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

আগামী ২০৩০ সালে মুসমানদের ৩৬ দিন রোজা রাখতে হবে। এমনটি জানিয়েছেন সৌদি আরবের আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল-মুসনাদ।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন এমন ঘটনা যা বার বার পুনরাবৃত্তি হয় না, মুসলমানরা ২০৩০ সালে ৩৬ দিন রোজা রাখবে।কারণ ২০৩০ সালের শুরুতে এবং শেষে অর্থাৎ দুইবার পবিত্র রমজান মাস আসবে। ১৪৫১ হিজরির রমজান শুরু হবে ২০৩০ সালের ৫ম জানুয়ারিতে এবং আশাকরা হচ্ছে, এই পবিত্র মাসটি ৩০ দিনে পূর্ণ হবে।

এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল মুসনাদ বলেছেন, এর কারণ হচ্ছে চন্দ্র বছর সৌরবর্ষের তুলনায় ১১ দিন কম হয়। অর্থাৎ সৌরবর্ষ ৩৬৫ দিন এবং চন্দ্র বছর ৩৫৪ দিন।

এবার ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০: সর্বোচ্চ ২২০০ টাকা
                                  
অনলাইন ডেস্ক :
এবছর সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ দুই হাজার ২০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  সোমবার  ( ৪ মে) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
সভায় জানানো হয়, ইসলামি শরিয়াহ মতে আটা, যব, গম, কিশমিশ, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনোও একটি দিয়ে ফিতরা প্রদান করা যায়। আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা বা এক কেজি ৬শ ৫০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৭০ টাকা প্রদান করতে হবে। যব দিয়ে আদায় করলে এক সা বা তিন কেজি ৩ শ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ২৭০ টাকা, গম দ্বারা আদায় করলে অর্ধ সা বা এক কেজি ৬শ ৫০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৭০ টাকা, কিশমিশ দ্বারা আদায় করলে এক সা বা তিন কেজি ৩শ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য এক হাজার ৫শ টাকা, খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা বা তিন কেজি ৩শ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য এক হাজার ৬শ পঞ্চাশ টাকা, পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা বা তিন কেজি ৩শ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য দুই হাজার ২শ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, গম, কিশমিশ, খেজুর ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এই পণ্যগুলোর যেকোনোও একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, উপরোক্ত পণ্যসমূহের স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. মিজানুর রহমান, শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব মাওলানা ফরীদ উদ্দিন মাসঊদ, জাতীয় মুফতি বোর্ডের সদস্য সচিব মো. নূরুল আমীন, লালবাগ মাদ্রাসার প্রধান মুফতি মো. ইয়াহিয়া, মদিনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসার মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা নেসারিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কাফীলুদ্দীন সরকার সালেহী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র মাহে রমজান
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

আগামী শনিবার-২৫ এপ্রিল শুরু হতে পারে পবিত্র মাহে রমজান। জ্যোতির্বিজ্ঞানের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর দিয়েছে জিওনিউজ। এতে বলা হয়, (ভারত-বাংলাদেশ) ২০২০ সালের রমজানের প্রথম রোজা হবে ২৫ এপ্রিল। ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) রমজানের চাঁদ দেখা যাবে। যদিও ইসলামের যাবতীয় বিধান চাঁদ দেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত। চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে শরিয়ত নির্দেশিত সাক্ষীর কথা গ্রহণযোগ্য হয়। ফলে মুসলিম বিশ্ব চাঁদ দেখেই পালন করবেন পবিত্র রমজান মাসের রোজা। এটাই ইসলামের নীতি।

ইসলামের রীতি অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল আরবি মাস। চাঁদ দেখার মাধ্যমেই সারাবিশ্বের মুসলিমরা মাসব্যাপী রোজা পালন করেন। আকাশ গবেষক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যাই বলুক না কেন, মুসলিম বিশ্ব চাঁদ দেখেই পালন করবেন পবিত্র রমজান মাসের রোজা। এটাই ইসলামের নীতি।যেহেতু রমজানের রোজা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ২৯ শাবান (২৪ এপ্রিল) যদি রমজানের চাঁদ দেখা যায় তবে ২৪ তারিখ তারাবিহ পড়ে ভোর রাতে সেহরি খেতে হবে। ২৫ এপ্রিল হবে রমজানের প্রথম রোজা। শাবান ৩০ দিন পূর্ণ হলে সে হিসেবে রমজানের প্রথম রোজা হবে ২৬ এপ্রিল।

এদিকে এ বছর বাংলাদেশে আরবি ১৪৪১ হিজরি সনের সপ্তম মাস রজব ৩০ দিন পূর্ণ হয়েছিল। সৌদি আরবে রজব মাস ছিল ২৯ দিনে। শাবন মাসে এসে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান দুদিনে এসে দাঁড়িয়েছে।

মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

মুসলিম উম্মার ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা। রবিবার টঙ্গীর তুরাগ তীরে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। শেষ হয় ১২টায়।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে মোনাজাত পরিচালনা করেন নিজামুদ্দিনের মাওলানা জামশেদ।

এর আগে বাদ ফজর উর্দুতে বয়ান করেন ভারতের নিজামুদ্দিনের মুরুব্বি ইকবাল হাফিজ। পরে তা বাংলায় অনুবাদ করেন ওয়াসিফুল ইসলাম। আর হেদায়েতি বয়ান করেন মাওলানা জামশেদ। তা বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা আশরাফ আলী।

এদিকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সকাল থেকেই মুসল্লির ঢল নামে তুরাগ তীরে। লাখ লাখ মুসল্লি পায়ে হেঁটে ইজতেমাস্থলে পৌঁছান। সকাল ১০টার আগেই ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মুসল্লিরা মাঠের আশপাশ, অলি-গলি, রাস্তা, বাসা-বাড়ি, কলকারখানা, দোকানের ছাদ, যানবাহনের ছাদ ও তুরাগ নদীতে নৌকায় অবস্থান নেন।

আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে টঙ্গী ও আশপাশ এলাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, শনিবার মধ্যরাত থেকে রবিবার বিকাল পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত, টঙ্গী-কালীগঞ্জ সড়কের মিরেরবাজার থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত, কামারপাড়া থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত এবং বিমানবন্দর থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত সব ধরনের যানচলাচল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তিনি বলেন, ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশ এলাকা কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ইহকালের শান্তি, পরকালের মাগফেরাত এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।

রবিবার বেলা ১১টা ৮মিনিট থেকে শুরু করে ১১টা ৪৬মিনিট পর্যন্ত মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের প্রধান মারকাজ কাকরাইলের মুরব্বি হাফেজ মাওলানা জোবায়ের।

সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার প্রশংসা, হজরত রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরুদ পাঠের মাধ্যমে তিনি মোনাজাত শুরু করেন। মোনাজাতে তিনি ইজতেমার কামিয়াবি, অংশগ্রহণকারীসহ সব মুসলমানদের গোনাহ মাফ, দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ, বিশ্ব শান্তি, বিশ্ববাসীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

এ সময় লাখো মানুষের কান্নার আওয়াজে ইজতেমার ময়দানে এক অভূতপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আমিন আমিন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে তুরাগ তীর। ধারণা করা হচ্ছে, ইজতেমার এই আখেরি মোনাজাতে প্রায় অর্ধ কোটি মুসল্লী অংশগ্রহণ করেছেন। ইজতেমার ইতিহাসে এবার প্রথমবারের মতো ময়দান থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত মাইকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরী মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে আজ বাদ ফজর ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে হেদায়েতি বয়ান পেশ করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। আখেরি মোনাজাতের আগে বিশেষ বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইবরাহিম দেওলা।

এদিকে তিনদিনের জামাতের বাইরে সকালে আখেরি মোনাজাতে শরিক হতে রাজধানী ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকা থেকে লাখ লাখ মানুষ স্রোতের মতো ছুটে আসেন ইজতেমা ময়দানের দিকে। ফলে উত্তরে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা দক্ষিণে বিমানবন্দর থেকে টঙ্গীমুখী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়া শাখা রোডগুলো থেকেও কোনো যানবাহন সড়কে প্রবেশ করতে দেয়নি পুলিশ।

ইজতেমার মুরব্বিদের সূত্রে জানা গেছে, ইজতেমায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব-আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চাদ, ইথিওপিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, পাকিস্থান, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, খিরগিজস্থান, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নেপাল, কেনিয়া, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জর্দান ও দুবাইসহ বিশ্বের ৬১টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৯শ’ বিদেশি মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।

টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আরও তিন মুসল্লি মারা গেছেন। শনিবার বিকেলে ও রাতে তাদের মৃত্যু হয়। এনিয়ে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমায় গত চারদিনে ১২ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

২০২১ সালেও বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে দুই পর্বে। প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ১০ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্ব ১৫ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি।

রবিবার সকালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে বিশ্ব তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বিদের মাশওয়ারায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। মাওলানা সাদ অনুসারীরা অংশ নেবেন দ্বিতীয় পর্বে। বাসস

বিশ্ব ইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

অনুকূল আবহাওয়া, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মুসল্লিদের অংশগ্রহণ ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।

ঈমান, আমল ও আখলাক, দাওয়াত ও তাবলীগ সম্পর্কে তাবলীগী বুর্জুগ, ইসলামী চিন্তাবিদ, আলেম ও পাকিস্থানের মাওলানা খোরশেদ আলমের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আলমি সূরা তত্বাবধানে প্রথম পর্ব।

রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠ টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে তাবলীগ জামাতের বার্ষিক মহাসম্মেলন বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দিনে আজ অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের বৃহত্তম জুমার জামাত। ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী লাখ লাখ মুসল্লি ছাড়াও রাজধানীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার হাজার হাজার মানুষ রেলপথ, সড়ক পথ, নৌপথসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং অনেকে পায়ে হেঁটে শরীক হন এই বৃহত্তম জুমার জামাতে।

বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশের প্রায় দুই সহস্রাধিক প্রতিনিধিসহ লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে অসীম, অনন্ত ও প্রেমময় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে ইবাদত বন্দেগি আর কোরআন হাদিসের আলোচনায় বিশ্ব ইজতেমার বিশাল প্যান্ডেলে এখন পবিত্র ধর্মীয় পরিবেশ বিরাজ করছে। আগামী রবিবার দুপুরের আগে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ ধর্মীয় মহা-সমাবেশের প্রথম পর্ব শেষ হবে।

আজ সকাল থেকেই সর্বস্তরের মুসলমানরা জুমার জামাতে শামিল হওয়ার জন্য টুপি, পাঞ্জাবী পরে জায়নামাজ হাতে ইজতেমা মাঠের দিকে ছুটতে দেখা গেছে। দেশ বিদেশের মুসল্লির সাথে একই জামাতে শরীক হয়ে নামাজ আদায় করার মাধ্যমে বেশি সাওয়াব হাসিলের উদ্দেশে সকলের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাকুলতা। যতই সময় গড়াতে থাকে ততই মুসল্লিদের ঢল আঁছড়ে পড়ে তুরাগের তীরের ইজতেমা ময়দানে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের সমাবেশ ঘটে জুমার জামাতে। টঙ্গী, উত্তরা, কামারপাড়া, মিরপুর, আব্দুল্লাহপুরসহ আশপাশের এলাকার মসজিদে আজকের জুমার জামাতে মুসল্লি সংখ্যা ছিল অপ্রতুল। ইজতেমা মাঠে জুমার জামাত সুবিশাল প্যান্ডেলের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিস্তৃতি লাভ করে চার পুরো টঙ্গী নগরীতে।

বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে দেশ-বিদেশ থেকে মুসল্লিদের টঙ্গী মুখি স্রোত অব্যাহত ছিল। বহুল কাঙ্খিত আখেরী মোনাজাত পর্যন্ত এ স্রোত আরো প্রবল হবে। দুপুর ১২টার দিকে মাঠ উপচে আশপাশের খোলা জায়গাসহ সব স্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মাঠে স্থান না পেয়ে অনেকে মহাসড়ক ও অলি-গলিসহ যে যেখানে পেরেছেন পাটি, চটের বস্তা, খবরের কাগজ বিছিয়ে জুমার নামাজে শরিক হয়েছেন। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বেশ কিছুক্ষণের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া জুমার জামাতে ইমামতি করেন বাংলাদেশের তাবলীগ জামাতের সূরা সদস্য, শীর্ষ মুরুব্বি, কাকরাইল মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ যোবায়ের আহমদ। জুমা নামাজের পর বয়ান করবেন মাওলানা শেখ ইউনুস, বাদ আছর বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা এহসান ও বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আহমদ লাট।

জুমা নামাজে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাড., মো. আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জ ডি আই জি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অনেকেই অংশ নেন।

১০ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

তাবলিগ জামাতের বৃহৎ সমাবেশ তিন দিন ব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ তীরে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে।

তুরাগ তীরে প্রথম পর্বের তিন দিন ব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা আগামী ১০, ১১ ও ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ১৭, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইতজেমা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম পর্বের শেষ দিন ১২ জানুয়ারি ও দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিন ১৯ জানুয়ারি উভয় পর্বে মুসলিম জাহানের সুখ, শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে ৫০তম বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার দুপুরে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠে প্রথম পর্ব বাস্তবায়নের কর্মী ইজতেমার মুরুব্বি মো. মামুনুর রশীদ বুধবার একথা জানিয়েছেন।

এদিকে, এবারের বিশ্ব ইজতেমাকে সফল ও স্বার্থক করার জন্য ইজতেমা আয়োজক কমিটি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঠ প্রস্তুতির কাজ গত এক মাস ধরে বেশ জোরেসোরে এগিয়ে চলছে। শত শত স্বেচছাসেবী প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কাজ করে যাচ্ছেন। তারা এখন মাঠের ভেতরে বাঁশের খুঁটি সারিবদ্ধ ভাবে লাগানো, কাঁচা টয়লেট নির্মাণ, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, রাস্তা সংস্কার সহ সার্বিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছেন।

বুধবার দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা মাঠ সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিক্ষক-ছাত্র, পেশাজীবী সহ সাধারণ মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এসে মাঠের নির্মাণ কাজে অংশ নিয়েছেন। সম্পূর্ণ বিনাশ্রমে তারা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মাঠে কাজ করছেন।

মাঠে নির্মাণ কাজে অংশ নেওয়া টঙ্গী এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম বলেন, আমি দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে ইজতেমা মাঠে কাজ করে আসছি। এখানে কাজ করতে আমার খুব ভাল লাগে এবং মনে আনন্দ পাই। আমি যত দিন বাঁচবো ততো দিন আল্লাহ’র রাস্তায় ইজতেমা ময়দানে কাজ করে যাবো।

ইজতেমা আয়োজক কমিটি সূত্র জানিয়েছে, গত ৪ নভেম্বর টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠ প্রস্ততি কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গাজীপুর-২ আসনের এমপি এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল প্রস্তুতি উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। বাসস

ঈদে মিলাদুন্নবীর আনন্দ শোভাযাত্রা রাজধানীতে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ইবাদত-বন্দেগি, মিলাদ, জসনে জুলুস, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান আজ উদযাপন করছেন ঈদে মিলাদুন্নবী।

প্রতিবছরের মতো এবারও আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভাণ্ডারিয়ার উদ্যোগে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জশনে জুলুস আনন্দ শোভাযাত্রা। আজ রবিবার পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন শেষে আওলাদে রাসুল (স.), সৈয়দ নজিবুল বশর আল্ হাসানী আল্- মাইজভান্ডারির নেতৃত্বে রাজধানীর শাহজানপুর থেকে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে এক বিশাল জশনে জুলুস আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এ ছাড়া সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর এক নম্বরে জশনে জুলুস শুরু হয় এবং বাঙলা কলেজ মাঠে এসে শেষ হয়। মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানীর নেতৃত্বে মাইজভাণ্ডারিয়ার অনুসারীরা জশনে জুলুসে অংশ নেন। বিগত বছরগুলোতে এ সংগঠনটির উদ্যোগে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় জশনে জুলুসের আয়োজন করা হতো।

এবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন থাকায় মিরপুরে জশনে জুলুস হচ্ছে বলে জানান দরবারের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম।

জশনে জুলুস শেষে সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠে আনজুমানে রহমানিয়ার মইনিয়া মাইজভাণ্ডারিয়ার উদ্যোগে শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দরবার শরিফের সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানীর সভাপতিত্বে সমাবেশে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান। উদ্বোধন শেষে বাদ এশা ওয়াজ করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান ও তেজগাঁও মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আল আযহারী।

হিজরি সনের ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে সারা দেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভির্যের মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

পরপুরুষের সালামের উত্তর দেওয়া প্রসঙ্গে
                                  

প্রশ্ন : আমরা (নারীরা) যখন রাস্তা দিয়ে বোরকা পরে চলাফেরা করি তখন কিছু বেগানা পুরুষ আমাদের সালাম দেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি তাদের সালামের উত্তর দিতে পারব? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব। 
উম্মে ফারহান, পল্লবী, ঢাকা

উত্তর : বেগানা পুরুষ সালাম দিলে তাকে শুনিয়ে জবাব দেওয়া যাবে না। চাইলে মনে মনে উত্তর দিতে পারবেন। তবে ফেতনার আশঙ্কা না থাকলে যেমন সালামদাতা একেবারে বৃদ্ধ হলে তাকে উত্তর শুনিয়ে দেওয়া যাবে। (ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৪২৩; আলইখতিয়ার ৪/১৪৪; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/৭৮; রদ্দুল মুহতার ৬/৩৬৯)।

মুফতি আবদুল মালেক
আমিনুত-তালিম, মারকাযুদ্দাওয়া আল ইসলামিয়, মিরপুর, ঢাকা

মাহে রমজানের সওগাত
                                  

মাহে রমজান-এর ধারাবাহিক বিশেষ লেখা
পর্ব-০১

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন
রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজান আমাদের সামনে সমাগত। আজ পহেলা রমজান। খোশ আমদেদ মাহে রমজান। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলিম মিল্লাতের উপর মাহে রমজানে সিয়াম পালন বা রোজা রাখা ফরজ করেছেন। আর এই সিয়ামের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের মধ্যে তাকওয়া, পরহোজগারী বা আল্লাহ ভীতির গুণ সৃষ্টি করা। এই সম্পর্কে আলকুরআনের সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলছেন : হে ঈমানদারগণ, সিয়াম তোমাদের উপর ফরজ করা হয়েছে। তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপরও যেমনিভাবে তা ফরজ করা হয়েছিল। আশা করা যায় তোমাদের মধ্যে তাকওয়ার গুণ সৃষ্টি হবে।
ইসলাম বিশ্ব মানবতার শারীরিক, মানসিক ও আÍিক উন্নতি সাধন করে কিভাবে সসীম বান্দা অসীম প্রভুর সঙ্গে অনুপম দিদার বা সাহচর্যের সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে তাই নির্দেশ করে। বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতার সাথে সাথে কিভাবে একজন মুসলমান তার অভ্যন্তরীণ রোগ সমূহের নিরাময় সাধন করবে ইসলামী শরীয়াহ সেদিকেও দিয়েছে যুগান্তকারী পথ নির্দেশনা। সিয়াম বা রোজা সে রকম একটি মহিমানি¦ত ইবাদত। মাহে রমজানের এই সিয়াম পালনের মধ্যে রয়েছে আল্লাহ ভীতি, পরম পুরস্কার প্রাপ্তি, আর্তপীড়িত মানবতার কল্যাণে উদ্বুদ্ধকরণ ও নফসে আম্মারা বা আমিত্বের বিরুদ্ধে একটি সফল ট্রেনিং কোর্স। মুসলিম ঐতিহ্য ও চেতনার স্মারক, দ্বীন-দুনিয়ার সমৃদ্ধি, পার্থিব ও আধ্যাÍিক উৎকর্ষতা , শারীরিক ও মানসিক শ্রেষ্ঠত্ব আর গৌরব ও মর্যাদার অবিস্মরণীয় অ¤øান স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে মাহে রমজান। ঝঞ্চা-বিক্ষুব্ধ অশান্ত এই পৃথিবীতে মানব জীবনে রহমত, বরকত, মাগফেরাত, নাজাত, অনাবিল শান্তি আর নিরাপত্তার সওগাত বয়ে নিয়ে আমাদের মাঝে আসে মাহে রমজান। সিয়াম আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোঁধ জাগ্রত করে তাকওয়ামুখী জীবন গঠনের নির্দেশনা প্রদান করে। জাগতিক ভোগ-বিলাস আর ভঙ্গুর জীবন দর্শনের কৃত্রিম মহোৎসব বর্জন করে জীবনের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য নির্ণয় করে মনজিলে মকসুদে পৌঁছার প্রদিপ্তমান চেরাগ জ্বলে উঠে পবিত্র রমজানুল মুবারকে। এই বরকতময় মাসেই নাজিল হয়েছে মানবতার মুক্তির অদ্বিতীয় সনদ, সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআনুল করিম। হেরা গুহার দীপ্তিমান প্রভাব গোটা বিশ্ব-জাহানের মানুষের হৃদয়কে করেছে হেদায়েতের জ্যোতিতে আলোকিত ও উদ্ভাসিত। হাজার মাসের চাইতে শ্রেষ্ঠ সেই রাত লাইলাতুল কদর। হাজার বছরেও যে কল্যাণ নাজিল হয়নি, বিশ্ববাসীর উপরে তা যেন একটি রাতেই নাজিল হয়েছে। সেই কল্যাণের অনুপম ফগøুধারা আল-কুরআনুল কারিম। কালের মহাগর্ভে হারিয়ে যায় একেকটি মাহে রমজান। কিন্তুু মাহে রমজানের মৌলিক শিক্ষা তাকওয়া সমৃদ্ধ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের নিমিত্ত পবিত্র কুরআনের যথাযথ অনুসরণ করতে আজ ব্যর্থতার গøানি আমাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে। পৃথিবীর অধিকার বঞ্চিত মজলুম জনতার আর্তচিৎকারে যখন বাতাস ভারী হয়ে উঠছে তখন মাহে রমজানের মহান শিক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে আমাদের কুরআন-মুখী জীবন যাপনে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালানোর বিকল্প নেই। আল্লাহ এই মাহে রমজানে সেই তৌফিক দান করুন কায়মনো বাক্যে এই প্রার্থনা মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে। আমীন !

বৃষ্টি চেয়ে দোয়া
                                  

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আগিছনা, আল্লা-হুম্মা আগিছনা, আল্লা-হুম্মা আগিছনা।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দাও। হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দাও। হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দাও।’ (বোখারি : ১০১৩; মুসলিম ৮৯৭)।
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাস্ক্বিনা আল্লা-হুম্মাস্ক্বিনা, আল্লা-হুম্মাস্ক্বিনা।
অর্থ : হে আল্লাহ! বৃষ্টি দাও, হে আল্লাহ! বৃষ্টি দাও, হে আল্লাহ! বৃষ্টি দাও। (বোখারি : ৯৫৯)
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাস্ক্বিনা গাইছাম মুগিছাম মারিআন মারি’আন না-ফি’আন গাইরা দা-ররিন আ-জিলান গাইরা আ-জিলিন।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদেরকে এমন সুপেয় পানি দ্বারা পরিতৃপ্ত কর যা ফসল উৎপাদনে খুবই সহায়ক, অতি কল্যাণকর, কোন ক্ষতিকারক নয়, সহসা আগমনকারী, বিলম্বকারী নয়। (আবুদাউদ : ১৪২১)

যথার্থ ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র শবেবরাত উদযাপিত
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে এবাদত-বন্দেগীর মধ্যদিয়ে সারাদেশের মুসলিম স¤প্রদায় গত রোববার সৌভাগ্যের রজনী শবেবরাত উদযাপন করেছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে সারারাত অতিবাহিত করেন। মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করা হয়। সৌভাগ্যের এ রজনীতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মুসলমানগণ কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ আদায় করেন। বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এবাদত-বন্দেগীতে রাতটি অতিবাহিত করেন। বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে-মসজিদে সারারাত নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য এবাদত-বন্দেগী ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহ্য অনুসারে বাড়িতে-বাড়িতে তৈরি রুটি হালুয়াসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে এবং দুস্থ-গরীবদের মাঝে বিতরণ করা হয়। রাতব্যাপী এবাদত, বন্দেগী, জিকির ছাড়াও এই পবিত্র রাতে মুসলমানগণ মৃত পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করেন। রাজধানী ঢাকার কবরস্থানগুলোতেও মুসল্লীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। ঢাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে রাতভর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ওয়াজ মাহফিল, কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, হামদ্, না’ত, নফল ও তাহাজ্জুদের নামাজ এবং আখেরী মোনাজাতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। এ ছাড়া রাজধানীরসহ সারাদেশের মসজিদে এশার নামাজের পর থেকেই দফায় দফায় ওয়াজ মাহফিল, জিকির ও মিলাদের পর বাদ ফজর দেশ, জাঁতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর রহমত কামনায় মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পবিত্র লাইলাতুল বরাত উদযাপিত হয়। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে দেশের এবং সারাবিশ্বের মুসলমানদের প্রতি শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা মুসলিম উম্মাহসহ সমগ্র জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও এ উপলক্ষে ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠান স¤প্রচার করে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় দৈনিকগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। মুসল্লীদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিলো। এ উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষগণ নফল রোজাও পালন করেছেন।

 

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আজ রোববার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত উদযাপিত হবে। বাংলাদেশে এ রাতটি শবে বরাত নামে সমধিক পরিচিত। উল্লেখ্য, রাতকে আরবীতে ‘লাইল’ এবং ফার্সিতে ‘শব’ বলা হয়। শাবান মাস মূলত পবিত্র মাহে রমযানের প্রস্তুতির মাস। পবিত্র হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে, যারা ১৪ই শাবান রাতে ইবাদত করবে তাদের জন্য মুক্তি। আর যে ব্যক্তি পরদিন ১৫ই শাবান রোযা রাখবে জাহান্নামের আগুন তাকে স্পর্শ করবে না। প্রতিবারের মতো এবারও এ রাতটি ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদার সাথে পালিত হবে। পবিত্র লাইলাতুল বরাত উপলক্ষে আজ রোববার রাতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে মসজিদ, মাদরাসা, খানকা ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে আলোচনা, মিলাদ-মাহফিল ও নফল ইবাদতের আয়োজন করা হয়েছে। পবিত্র লাইলাতুল বরাতে বাড়ি বাড়ি হালুয়া-রুটি বিতরণ, আলোকসজ্জা ও পটকাবাজির ধুম পড়ে যায়। অনেকে এ কাজকে সওয়াবের কাজ হিসেবে মনে করে। কিন্তু পবিত্র কুরআন, হাদীসে হালুয়া-রুটি বিতরণ করা, আলোকসজ্জা ও পটকা ফোটানো সম্পর্কে কোন কথা উল্লেখ নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় আলেমগণ। পবিত্র লাইলাতুল বরাত উপলক্ষে টিভি চ্যানেলসমূহ ও বাংলাদেশ বেতার বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। এ ছাড়া পত্র-পত্রিকাও বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এ উপলক্ষে আগামীকাল সোমবার সরকারি ছুটি। তবে এ উপলক্ষে আজ রোববার জাতীয় সংবাদপত্রসমূহে ছুটি পালিত হবে। ফলে আগামীকাল সোমবার কোন পত্রিকা প্রকাশিত হবে না। লাইলাতুল বরাত উপলক্ষে গতকাল শনিবার পৃথক বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা এবং পবিত্র শবেবরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সবার প্রতি আহŸান জানান। বানীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পবিত্র শবেবরাতে দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা করেন। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এদিন বাদ মাগরিব থেকে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে রাতব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, কুরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ, কিয়াম, যিকির, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল শনিবার একথা জানানো হয়। রোববার সন্ধ্যা ৭ টা ৫ মিনিটে ‘শবে বরাতের ফজিলত’ শিরোনামে ওয়াজ পেশ করবেন তেজগাঁও মদীনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবদুর রাজ্জাক আল আযহারী। রাত ৯ টা ৫মিনিটে ‘ইবাদত ও দোয়ার গুরুত্ব’ শীর্ষক ওয়াজ মাহফিলে বয়ান করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ‘শবে বরাত ও রমজানের তাৎপর্য’ শিরোনামে ওয়াজ পেশ করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতী মাওলানা এহসানুল হক জিলানী। রাত ১ টা ৫৫ মিনিটে ‘তাহাজ্জুদের গুরুত্ব ও ফজিলত’ শিরোনামে ওয়াজ করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। সবশেষে ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

 

২১ এপ্রিল রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশের আকাশে শনিবার (৬ এপ্রিল) হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে।

সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় এ তথ্য জানান ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

সভায় হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়।

মুসলমানদের কাছে ‘ভাগ্যরজনী’ হিসেবে পরিচিত শবে বরাতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াতসহ ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে কাটিয়ে থাকেন। এজন্য শবে বরাতের পরের দিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকে।


   Page 1 of 3
     ইসলাম
শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত
.............................................................................................
ঈদুল আজহার নামাজ মসজিদে
.............................................................................................
২০৩০ সালে মুসলিমদের রাখতে হবে ৩৬ রোজা
.............................................................................................
এবার ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০: সর্বোচ্চ ২২০০ টাকা
.............................................................................................
শনিবার থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র মাহে রমজান
.............................................................................................
মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা
.............................................................................................
আখেরি মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা
.............................................................................................
বিশ্ব ইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়
.............................................................................................
১০ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব
.............................................................................................
ঈদে মিলাদুন্নবীর আনন্দ শোভাযাত্রা রাজধানীতে
.............................................................................................
পরপুরুষের সালামের উত্তর দেওয়া প্রসঙ্গে
.............................................................................................
মাহে রমজানের সওগাত
.............................................................................................
বৃষ্টি চেয়ে দোয়া
.............................................................................................
যথার্থ ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র শবেবরাত উদযাপিত
.............................................................................................
আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত
.............................................................................................
২১ এপ্রিল রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত
.............................................................................................
শবে মেরাজের তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আজ
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত
.............................................................................................
আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) বুধবার
.............................................................................................
মতলব উত্তরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নাবী (স.) উদযাপন
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ২১ নভেম্বর
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা শুক্রবার
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা ২১ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
পবিত্র হজের প্রস্তুতি
.............................................................................................
রমজানের প্রথম জুমার দিন মসজিদে মানুষের ঢল
.............................................................................................
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক বুধবার
.............................................................................................
আজ পবিত্র শবে বরাত
.............................................................................................
পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ আগামী ১৪ এপ্রিল
.............................................................................................
আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় শেষ হল বিশ্ব ইজতেমা
.............................................................................................
সোয়া লাখ বাংলাদেশি এ বছরও হজে যেতে পারবেন
.............................................................................................
ঢাকায় আসছেন আল আকসার খতিব
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হচ্ছে ইজতেমা
.............................................................................................
যার জন্য আখেরাতে ‘সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান’
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ২ ডিসেম্বর
.............................................................................................
জাদু, জিন, শয়তান থেকে বাঁচার ৫ আমল
.............................................................................................
ইজতেমা ময়দানে এক মুসল্লির মৃত্যু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : জিয়াউল হক ।
নির্বাহী সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । এম, এ হাসান : সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২,-মোবাইলঃ- ০১৭১৬-৯১১৫৭২

E-mail: provatikhoborbd@gmail.com,provatikhobor2014@gmail.com,
Web: www.dailyprovatikhobor.com

   All Right Reserved By www.dailyprovatikhobor.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop