ঢাকা,বুধবার,৪ কার্তিক ১৪২৮,২০,অক্টোবর,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * টি‌সি‌বির বিক্রয় শুরু, চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত   * রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ প্রকাশ   * ডিএমপির ৪ থানার ওসিকে বদলি   * শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা   * জলবায়ু ঝুঁকির হাত থেকে বাঁচাতে কমনওয়েলথকে অগ্রণী ভূমিকার আহ্বান   * আরও ২৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪৪১ জন   * বাংলাদেশিদের জন্য ইসরাইল ভ্রমণ বন্ধই থাকবে: তথ্যমন্ত্রী   * করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ওবায়দুল কাদের   * ফিলিস্তিনের যুদ্ধাহতদের জন্য ওষুধ পাঠাবে বিএনপি   * ১৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফ: মেয়র আতিক  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
৪০০০ কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়াল রিজার্ভ

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন উচ্চতা স্পর্শ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থের ওপর ভর করে আজ দিন শেষে রিজার্ভ নতুন এ উচ্চতায় পৌঁছায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী সাইদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৈদেশিক মুদ্রার বর্তমান মজুত দিয়ে দেশের ১০ মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা।

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে চলতি বছরের প্রথম থেকেই দেশের আমদানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খায়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের আমদানি ব্যয় কমেছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরেও এখন পর্যন্ত আমদানি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেনি।

আমদানি খাতের বড় বিপর্যয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনে। রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফনের পাশাপাশি রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় তরতর করে বাড়তে থাকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত চার মাসে আট বার রেকর্ড করেছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচকটি।

গত ৩ জুন দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ২৪ জুন সেই রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ৩০ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর ২৮ জুলাই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরও অতিক্রম করে। তিন সপ্তাহ পর গত ১৭ আগস্ট রিজার্ভ ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। এরপর রিজার্ভের পরিমান ৩৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। গত এক মাস রিজার্ভের পরিমান এ বৃত্তে ঘুরা ফেরা করলেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে।

৪০০০ কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়াল রিজার্ভ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন উচ্চতা স্পর্শ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থের ওপর ভর করে আজ দিন শেষে রিজার্ভ নতুন এ উচ্চতায় পৌঁছায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী সাইদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৈদেশিক মুদ্রার বর্তমান মজুত দিয়ে দেশের ১০ মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা।

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে চলতি বছরের প্রথম থেকেই দেশের আমদানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খায়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের আমদানি ব্যয় কমেছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরেও এখন পর্যন্ত আমদানি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেনি।

আমদানি খাতের বড় বিপর্যয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনে। রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফনের পাশাপাশি রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় তরতর করে বাড়তে থাকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত চার মাসে আট বার রেকর্ড করেছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচকটি।

গত ৩ জুন দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ২৪ জুন সেই রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ৩০ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর ২৮ জুলাই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরও অতিক্রম করে। তিন সপ্তাহ পর গত ১৭ আগস্ট রিজার্ভ ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। এরপর রিজার্ভের পরিমান ৩৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। গত এক মাস রিজার্ভের পরিমান এ বৃত্তে ঘুরা ফেরা করলেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে।

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩৫০০ টাকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

কয়েক দফা বাড়ার পর এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে সব ধরনের স্বর্ণের দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা কমেছে। দাম কমার পর এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমানোর খবর গণমাধ্যমে জানানো হয়। সবশেষ স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল গত ৬ আগস্ট।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা যায়, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের বাজার দর রয়েছে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে ৩ হাজার ৫শ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭৪ হাজার ৬৭ টাকা। দাম কমানো হয়েছে ৩ হাজার ৫শ টাকা।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকা। বর্তমান দাম রয়েছে ৬৫ হাজার ৩১৯ টাকা। ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ৫শ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ৪শ ৯৬ টাকা। বুধবার পর্যন্ত সনাতন হিসাবে প্রতি ভরির দাম রয়েছে ৫৪ হাজার ৯শ ৯৬ টাকা। দাম কমেছে ৩ হাজার ৫শ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে ২১ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম রুপার দাম। প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৯৩৩ টাকায়।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সভাপতি এনামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আর্ন্তজাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে বাজুস র্নিধারিত মূল্য তালিকায় বিক্রির অনুরোধ করা হলো।

ঈদে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতিবছরই নতুন নোটের চাহিদা বাড়ে। তাই এবারের ঈদ উপলক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হবে। তবে করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঈদের আগের মাসের বেতন ও বোনাসের টাকা নতুন নোটে পাওয়ার আশা করেন চাকরিজীবীরা। এ ছাড়া ঈদের আগে সালামি ও বকশিশের জন্য নতুন টাকা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষ। এটা মাথায় রেখেই প্রতিবছর দুই ঈদে নতুন টাকা বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোজার ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আর গত কোরবানির ঈদে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবার ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই একেবারে নতুন নোট। স্বাভাবিক সময়ে সাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু করোনার কারণে এই সুযোগ রাখা হচ্ছে না। ফলে গতবারের চেয়ে এবার চাহিদা কিছু কম হবে বলেই মনে হচ্ছে। ব্যাংকের যারা গ্রাহক, তারা লেনদেনের সময় নতুন টাকা নেয়ার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া এটিএম বুথেও গ্রাহকরা নতুন টাকা পাবেন।

মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তোলার চাপ বেড়েছে অনেক আগে থেকেই। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে সংকটে পড়া ব্যাংকগুলো প্রতিদিনই নগদ টাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে। রেপো ও বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে হাজার হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। করোনা সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় সামনেও নগদ টাকার চাহিদা থাকবে।

জানা গেছে, সারা বছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন মূল্যমানের নোট প্রয়োজন হয়। এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ প্রয়োজন হয় দুই ঈদে। তবে এবার করোনার সংকটের কারণে নগদ টাকার চাহিদা বেশি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক লাখ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরু হওয়ায় বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এই মুদ্রা সরবরাহের একটি অংশ নগদ টাকা হিসেবে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

ফের গভর্নর হলেন ফজলে কবির
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে আরও দুই বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ পেয়েছেন ফজলে কবির। ২০২২ সালের ৩ জুলাই পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মো. জেহাদ উদ্দীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং. ১২৭) যা বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধিত) আইন, ২০২০ দ্বারা সংশোধিত এর অনুচ্ছেদ ১০(৩) এবং ১০(৫) এর বিধান অনুযায়ী ফজলে কবিরকে তার ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ৩ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসাবে নিয়োগ করা হলো।

এতে আরও বলা হয়েছে, ফজলে কবির গভর্নর পদে নিয়োজিত থাকা সময়ে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গ্রহণ করবেন। এ নিয়োগের অন্যান্য বিষয় উল্লিখিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। 

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হয় গত ৩ জুলাই। ফজলে কবিরকে স্বপদে রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের বর্তমান বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করার জন্য চলতি বছরের ৮ জুন মন্ত্রিপরিষদে আইন সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। পরে সংশোধনীটি সংসদের বাজেট অধিবেশনে পাঠানো হয়। এটি গত ২৯ জুন সংসদের নোটিশে আনা হলেও শেষ পর্যন্ত সংসদে উত্থাপিত হয়নি। কারণ ৮ জুলাই পর্যন্ত সংসদ মূলতবি ঘোষণা করা হয়।

পরে ৯ জুলাই জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত বিলটি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের অনুপস্থিতিতে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে গত ২ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির নতুন মেয়াদে দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাধারণ কাজ চালিয়ে নিতে ডেপুটি গভর্নর-১ এসএম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী দুই ডেপুটি গভর্নর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাধারণ কর্মকাণ্ড দেখভাল করছিলেন।

বাড়ল স্বর্ণের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বাড়ার কারণে দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রতি ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য হবে ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা।

চীনে ৫১৬১ পণ্যে শুল্ক মুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৫ হাজার ১৬১টি পণ্যের শুল্ক মুক্ত রপ্তানির সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্ক মুক্ত প্রবেশের সুবিধা পেল।

আগামী ১ জুলাই থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশকে জানিয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিক কূটনীতি চালু করেছে, এটা সেদিক থেকে খুব বড় একটা অর্জন। চীন সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির বাজারে বাংলাদেশ যত পণ্য পাঠাবে তার ৯৭ শতাংশই শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাবে। এটাকে এক অর্থে শত ভাগ শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধাও বলা যায়। কারণ বাংলাদেশ থেকে যত ধরনের পণ্য চীনে রপ্তানি হয় তার মধ্যে মাত্র তিনটি বাদে সবই বিনা শুল্কে চীনের বাজারে ঢুকতে পারবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অর্থনৈতিক কূটনীতি এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে আরও বড় বড় বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের জন্য এ ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সোনার দাম কমছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সোনার আমদানির ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে করে কমবে সোনার দাম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা থেকে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করতে গিয়ে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

চলতি অর্থবছর বিদেশ থেকে সোনা আনতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হতো আমদানিকারকদের। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ ভ্যাট না নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা শিরোনামে ২০২০-২১ অর্থবছরের ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল। এটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ৪৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকা বেশি। শতাংশ হিসাবে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০২০) বাজেটের আকার ছিল পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর আগে দুপুরে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দেয়া হয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

দেশের বাজারে ছোট-বড় ১৫ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী রয়েছেন। দেশে বছরে সোনার চাহিদা প্রায় ২০ টন। যার পুরোটাই আসত চোরাচালানের মাধ্যমে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হতো। সার্বিক দিক বিবেচনা করে গত বছর স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা জারি করে সরকার। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে একটি ব্যাংকসহ ১৮ প্রতিষ্ঠানকে দুই বছরের জন্য স্বর্ণ আমদানির ডিলার লাইসেন্স দেয়া হয়।

যেসব প্রতিষ্ঠান সোনা আমদানির লাইসেন্স পেয়েছে, মধুমতি ব্যাংক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, স্রেজা গোল্ড প্যালেস, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, বুরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড, ডি ডামাস ও দি আর্ট অব গ্যালারি।

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন তিনি। এটি পাস হবে ৩০ জুন। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর।

এবারের বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে :

মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাবস, ওষুধ, স্বর্ণ, চিনি, হস্তচালিত কৃষি যন্ত্রপাতি, পোল্ট্রি, ডেইরি, মৎসশিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ, ডিটারজেন্ট, ইলেক্ট্রিকাল সিগনাল যন্ত্রপাতি, আইসিইউ যন্ত্রপাতি।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দ্বিতীয় বাজেট এটি। ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শিরোনামে এবারের বাজেট বর্তমান অর্থমন্ত্রীরও দ্বিতীয় বাজেট।

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১৯৭২ সালে তাজউদ্দীন আহমদ ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। কালের পরিক্রমায় এবার বাজেটের আকার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এই ৪৯ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। সেইসাথে নিজস্ব অর্থের ব্যবহারে সক্ষমতাও বেড়েছে। কিন্তু সারা বিশ্বকে থামিয়ে দেওয়া করোনা ভাইরাসের এক ব্যতিক্রমী প্রেক্ষাপটে এবার বাজেট উপস্থাপন হচ্ছে।

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেই ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হচ্ছে। বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্য শুরু করেন। এ বাজেট বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট পেশ সম্পন্ন হবে।

এবারের বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে:

রঙ, অনলাইন খাবার, অনলাইন কেনাকাটা, বিদেশি টিভি, সিগারেট, সোডিয়াম সালফেট, আয়রন, স্টিল, স্ক্রু, আলোকসজ্জা সামগ্রী, কম্প্রেসার শিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ, বার্নিশ, বাইসাইকেল, আমদানি করা অ্যালকোহল, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন খরচ, গাড়ি, শ্যাম্পু, জুস, ইন্টারনেট খরচ, আমদানি করা দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মোবাইল খরচ, চকলেট, বিদেশি মোটরসাইকেল, বডি স্প্রে।

বছরে ৩ লাখ টাকার কম আয় হলে কর দিতে হবে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

প্রতিবারের মতো এবারো করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ছে। বর্তমানে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা রয়েছে। এটি বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা হবে। করোনাকালীন সময়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের কষ্ট লাঘবে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

গত আট অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল দুই লাখ ২০ হাজার টাকা। এটিকে বাড়িয়ে তখন আড়াই লাখ টাকা করা হয়। এর আগে ২০১২-১৩ অর্থবছরে ২ লাখ টাকা ও ২০১৩-১৪ তে ছিল ২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। অর্থ্যাৎ কোন ব্যাক্তির বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা হলে কর দিতে হবে না। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ টাকা। এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ। এর পরের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর দিতে হবে ১০ শতাংশ। পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ১৫ শতাংশ। পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ২০ শতাংশ।

এর বেশি আয়ের ক্ষেত্রে মোট আয়ের ওপর কর প্রস্তাব করা হয়েছে ২৫ শতাংশ।

কর বাড়লো মোবাইলে কথা বলার ওপর
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটা বাংলাদেশের ৪৯ তম বাজেট। তবে অন্য সব বাজেটের থেকে এবারের বাজেট নানা কারণেই কিছুটা ভিন্ন। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। ভেঙ্গে পড়েছে বিশ্বের উন্নত সব দেশের স্বাস্থ্যখাতও। তাই সঙ্গত কারণেই এবার স্বাস্থ্যখাতে দেশের বাজেট বাড়বে। তবে বেশকিছু পণ্যের ওপর সরকার কর আরোপ করছে আগের চেয়েও বেশি। এবারের বাজেটেও মোবাইল সেবার ওপর কর আরেক দফা বাড়িয়েছে সরকার। শুল্ক আগের বারের চেয়ে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা গত বছরও একই হারে বাড়ানো হয়েছিল।

 

বৃহস্পতিবার ( ১১ জুন) বিকেলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২০–২১ অর্থবছরের যে বাজেট ঘোষণা করেন, এতে নতুন করে এই কর বাড়ানো হয়। বাজেটের কর প্রস্তাব ঘোষণার পরপরই কার্যকর হয়। ফলে বাড়তি কর টেলিযোগাযোগ কোম্পানি নিজেরা বহন না করলে গ্রাহকের ওপর সেই চাপ বাড়ানো হবে।

নতুন এই কর আরোপের কারণে মোট কর দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। কারণ সরকারের ১৫ শতাংশ করের সাথে সারচার্জ ১ শতাংশ। মোবাইলের এই কর আরোপের ফলে এখন থেকে কোন গ্রাহক ১০০ টাকা মোবাইলে রিচার্জ করলে ২৫ টাকার বেশি সরকারের খাতে চলে যাবে। এতদিন যা ছিলো ২২ টাকার মতো। এই করারোপের ফলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ আরো বাড়বে।

এনবিআর ও মোবাইল অপারেটরদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোবাইল সেবার ওপর ১ শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আরোপ হয় ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট ও ৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। আর চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সম্পূরক শুল্ক আরও বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পর্যাপ্ত নগদ টাকা রাখার নির্দেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন দরিদ্র ৫০ লাখ পরিবারকে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরিবার প্রতি ২৫০০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে।

এজন্য মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খোলা ও টাকা লেনদেনের জন্য এজেন্টগুলোতে পর্যাপ্ত নগদ টাকা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী সব ব্যাংক বা সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখতে হবে। নগদ এই সহায়তা প্রদানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধাভোগীর তালিকা মোতাবেক জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই পূর্বক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় কাজের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নগদ সহায়তা বিতরণ সফলভাবে সম্পন্ন করতে এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে পর্যাপ্ত নগদ টাকা রাখতে হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ব্যয় কমাতে ৯ নির্দেশনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ প্রভৃতি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

সোমবার (৪ মে) অনাবশ্যক পরিচালনা ব্যয় কমাতে ৯ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। সোনালী, জনতা, কৃষি, কর্মসংস্থানসহ সরকারি ছয় ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনসহ চারটি সংস্থার ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থাবর সম্পত্তি কেনা, অফিস স্পেস ভাড়া, সাজসজ্জা প্রভৃতি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। আর এখন থেকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা (এমডি) অনাবশ্যক বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না।

ক্যালেন্ডার, ডায়েরি ও জাতীয় প্রচারমূলক ব্যয়ে অর্থ বরাদ্দ সীমিত রাখা এবং ভ্রমণ, যাতায়াত ভাতা, আপ্যায়ন খরচ, উন্নয়ন তহবিলসহ বিবিধ খরচের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হওয়ার কথাও বলা হয়েছে এতে। আর গাড়ি ব্যবহারে অনুসরণ করতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা এখন থেকে যার যার অফিসের মধ্যেই করতে হবে। বাইরের কোনও হল ভাড়া করা যাবে না। ক্রান্তিকালে ভিডিও সম্মেলন করতে হবে।

ব্যাংকের ফ্রন্ট লাইনে যারা কাজ করেন, তাদের অধিকতর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাতায়াতসহ অন্যান্য সুবিধা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এ সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধিক পরিমাণে তারল্য বাড়িয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

ব্যাংক লেনদেনের সময় ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১০ মে থেকে ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের জন্য বিরতিতে লেনদেন বন্ধ থাকবে। লেনদেন পরবর্তী আনুসাঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক খোলা রাখা যাবে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। লকডাউন ঘোষিত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংক খোলা রাখতে হবে।

মঙ্গলবার (৫ মে) ব্যাংকে লেনদেন সময়সূচি পুননির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে।

এটি দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্বীয় দূরত্ব বিবেচনায় অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকগুলোর কম হলেও একটি করে শাখা প্রত্যেক কর্মদিবসে খোলা রাখতে হবে। একই উপজেলায় একই ব্যাংকের একাধিক শাখা থাকলে আলোচনার ভিত্তিতে পালাক্রমে খোলা রাখতে হবে। তবে বিষয়টি গ্রাহকদের জানিয়ে দিতে হবে কোন শাখা কোন কোন দিন খোলা থাকবে। মহানগরের প্রতিটি থানায় একটি শাখা খোলা রাখতে হবে। যেসব ব্যাংকের অনলাইন সেবা নেই তাদের শাখা প্রতি কর্মদিবসে খোলা রাখতে হবে।

জেলা সদরের গুরুত্বপুর্ণ স্থানের যেকোনো একটি শাখা খোলা রাখতে হবে। মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ে এডি শাখা এবং শুধুমাত্র জরুরি বৈদেশিক লেনদেনের জন্য অন্যান্য ব্যাংকের স্বীয় বিবেচনায় নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ এডি শাখা খোলা রাখতে হবে।

ঢাকার মতিঝিল ও দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদ এলাকায় সব ব্যাংকের সব শাখা প্রতি কর্মদিবসে খোলা রাখতে হবে। শ্রমঘন শিল্প এলাকায় সব ব্যাংক শাখা খোলা রাখতে হবে।

সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর (পোর্ট ও কাস্টমস) এলাকায় ব্যাংকের শাখা ও  বুথ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সপ্তাহের সাতদিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে।

গ্রাহকের প্রয়োজনে নগদ-চেকের মাধ্যমে জমা-উত্তোলন, ডিডি, পে-অর্ডার ইস্যু, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা, পরিশোধ, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, সরকারের সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় ভাতা-অনুদান বিতরণ, বৈদেশিক রেমিটেন্সের অর্থ পরিশোধ, প্রণোদনাগুচ্ছের কার‌্যক্রম, যাবতীয় নিয়মাচার মেনে ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম, গ্যাস, বিদ্যুত বিল গ্রহণ, পেমেন্ট সিস্টেমের আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন মতে এনআরবি বন্ড, বিভিন্ন প্রকার সঞ্চয়পত্রের লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে। এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এসব লেনদেনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঋণ, জামানত লাগবে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

জামানত ছাড়াই নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। প্রয়োজনে এই তহবিলের পরিমাণ বাড়ানো হবে। আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে দেশের নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও প্রান্তিক/ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাঁদের আয় উৎপাদন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারছেন না। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পুনঃ অর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। এই স্কিমে তহবিলের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা। তবে প্রয়োজনের নিরিখে বাংলাদেশ ব্যাংক তহবিলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩ হাজার কোটি টাকার এই কর্মসূচির মূল বিষয় হলো, কোনো মর্টগেজ বা বন্ধকের প্রয়োজন নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্ধক ছাড়া প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা, প্রতিষ্ঠান এই নীতিমালার আওতায় ঋণ সুবিধাপ্রাপ্ত হবেন। এই নীতিমালার মাধ্যমে উপকারভোগীরা খুব সহজে ঋণ সুবিধাপ্রাপ্ত হবেন। এই ঋণে নারীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কৃষক, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ঋণ দেবে এনজিওগুলো। ফলে এই বিনিয়োগটি হবে অত্যন্ত নিরাপদ। কারণ এ ক্ষেত্রে অর্থায়নকারী ব্যাংকের কাছে সরাসরিভাবে দায়বদ্ধ হবে আমানত গ্রহণকারী এনজিও। এই স্কিমের আওতায় ঋণের যথেচ্ছ ব্যবহারের সুযোগ নেই, কারণ এই ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আমানত গ্রহণকারী এনজিওকে তাদের বিগত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দক্ষতা মূল্যায়নের ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা প্রদান করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঋণের মেয়াদ চলাকালে ঋণগ্রহীতার কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে এই নীতিমালায় বিমার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে যাঁরা ঋণখেলাপি, তাঁরা এ ঋণ পাবেন না।

এপ্রিলে রেমিট্যান্স নিয়ে হোঁচট খেলো বাংলাদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা ভাইরাসের কারণে কাঁপছে বিশ্ব। এমন পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে বিশ্বের প্রায় সব দেশের কল-কারখানা। কাজ না থাকায় ঘরেই বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের রেমিটেন্স যোদ্ধারা। ফলে এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত রেমিট্যান্সের ওপর। করোনা সঙ্কটের কারণে এবার উল্লেখযোগ্য হারে রেমিট্যান্স কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, এপ্রিল মাসে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১০৮ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত বছরের এপ্রিলে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে হিসেবে গত বছরের একই মাসের চেয়ে এপ্রিলে রেমিট্যান্স আহরণ প্রায় সাড়ে ২৪ শতাংশ কমেছে।

আগের মাস মার্চে রেমিট্যান্স আসে ১২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলারের। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। এদিকে ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং সর্বশেষ এপ্রিলে রেমিট্যান্স কমলেও অর্থবছরের দশমাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়েছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের দশ মাসে (জুলাই- এপ্রিল) রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ে এক হাজার ৩৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স ১৫৭ কোটি ডলার বেড়েছে।


   Page 1 of 13
     অর্থ-বাণিজ্য
৪০০০ কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়াল রিজার্ভ
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩৫০০ টাকা
.............................................................................................
ঈদে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে
.............................................................................................
ফের গভর্নর হলেন ফজলে কবির
.............................................................................................
বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
চীনে ৫১৬১ পণ্যে শুল্ক মুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ
.............................................................................................
সোনার দাম কমছে
.............................................................................................
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে
.............................................................................................
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে
.............................................................................................
বছরে ৩ লাখ টাকার কম আয় হলে কর দিতে হবে না
.............................................................................................
কর বাড়লো মোবাইলে কথা বলার ওপর
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পর্যাপ্ত নগদ টাকা রাখার নির্দেশ
.............................................................................................
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ব্যয় কমাতে ৯ নির্দেশনা
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেনের সময় ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত
.............................................................................................
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঋণ, জামানত লাগবে না
.............................................................................................
এপ্রিলে রেমিট্যান্স নিয়ে হোঁচট খেলো বাংলাদেশ
.............................................................................................
সব ধরনের ব্যাংক ঋণের সুদ দুই মাস স্থগিত
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে লেনদেন চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
স্বাস্থ্য খাতে ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন এডিবির
.............................................................................................
আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
সাত মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১১ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
বেড়েছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
২০৪৮ সালে ২০তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
মানব সম্পদ উন্নয়নে ৫৪০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি
.............................................................................................
ভ্যাট আদায়ে কঠোর হবে এনবিআর
.............................................................................................
রিজার্ভ ‍চুরি: জরিমানার ২০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
নগদ প্রণোদনায় অক্টোবরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩২ ভাগ
.............................................................................................
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে সংসদে তীব্র ক্ষোভ
.............................................................................................
দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা
.............................................................................................
ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
পেঁয়াজের উচ্চমূল্যের সঙ্গে এবার যোগ হলো ডিম
.............................................................................................
পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো ভারত
.............................................................................................
সোনার ভরি ৫৮ হাজার টাকা ছাড়াল
.............................................................................................
শুক্র শনিবার ব্যাংক খোলা
.............................................................................................
আবারও বাড়ছে সোনার দাম
.............................................................................................
নগদ অর্থের সঙ্কটে কমে গেছে অধিকাংশ ব্যাংকের ঋণ বিতরণ
.............................................................................................
রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা
.............................................................................................
৫০ হাজার কোটি টাকা কাজে লাগাতে পারছে না ব্যাংক
.............................................................................................
ছুটির পর পুঁজিবাজারে চাঙাভাবে লেনদেন শুরু
.............................................................................................
বেসিক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৯ বছরেও শেষ হয়নি
.............................................................................................
ছুটির দিনেও ব্যাংক খোলা থাকবে
.............................................................................................
দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল: গর্ভনর
.............................................................................................
শিল্প এলাকায় ১ ও ২ জুন ব্যাংক খোলা
.............................................................................................
বিকাশ পেমেন্টে দেশীদশে ২০% ক্যাশব্যাক
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের সীমা বেড়েছে
.............................................................................................
অর্থপাচার এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
ঈদে নতুন নোট পাওয়া যাবে ২২ মে থেকে
.............................................................................................
ভ্যাট আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আর দূরত্ব নেই: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
অর্থবছর শেষ হতে চললেও এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে প্রত্যাশিত গতি নেই
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : জিয়াউল হক ।
নির্বাহী সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । এম, এ হাসান : সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২,-মোবাইলঃ- ০১৭১৬-৯১১৫৭২

E-mail: provatikhoborbd@gmail.com,provatikhobor2014@gmail.com,
Web: www.dailyprovatikhobor.com

   All Right Reserved By www.dailyprovatikhobor.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop