মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশেষ সংবাদ

মুকসুদপুরে নদীতে বর্জ্য, ২৬ বছরেও ভাগাড় নেই

মুকসুদপুরে নদীতে বর্জ্য, ২৬ বছরেও ভাগাড় নেই

মুকসুদপুর প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রায় ২৬ বছরেও বাসাবাড়ি ও বাজারের বর্জ্য ফেলার জন্য স্থায়ী ভাগাড় নির্মাণ করা হয়নি। ফলে পৌর সদরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলার পাশাপাশি বর্তমানে কুমার নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধে স্থানীয় জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত মুকসুদপুর পৌরসভা ‘গ’ শ্রেণি থেকে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত হলেও স্থায়ী ভাগাড় স্থাপনে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রায় পাঁচ থেকে সাত বছর ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা হতো। পরে গোপীনাথপুরের আটাডাঙ্গা বাওড়ে বর্জ্য ফেলা শুরু হয়। বর্তমানে টেংরাখোলা বাজার এলাকার চণ্ডীবর্দী কুমার নদীর পাশে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন পৌরসভার গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য এনে নদীর পাশে ফেলা হচ্ছে। বর্জ্য নদীর পানিতে মিশে পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে দুর্গন্ধের কারণে ওই এলাকার পথচারীদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঝড়-বাতাস শুরু হলে বর্জ্যের স্তূপ থেকে ময়লা উড়ে সারা বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। আবার বৃষ্টি হলে বর্জ্যে পচন ধরে তীব্র দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। এতে বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ওই এলাকায় চলাচলকারী উত্তম কুমার জানান, দুর্গন্ধের কারণে বাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট পরিচালনা করতে কষ্ট হচ্ছে। অনেক পথচারী কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে চলাচল করেন। বর্জ্য ফেলার স্থানটির পাশে একটি স্কুল ও একটি মসজিদ রয়েছে। দুর্গন্ধের কারণে ওই এলাকার মানুষকে নানা অসুবিধার মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে এবং অনেকে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন।

টেংরাখোলা বাজারের ব্যবসায়ী হাসান মোল্যা জানান, বাজারে জবাই করা গরুর বর্জ্য, পচা ফল ও সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা একসঙ্গে ফেলার কারণে তীব্র দুর্গন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে। বাতাস শুরু হলেই দুর্গন্ধ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং চলাচল করা কঠিন হয়ে যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেললে সেখান থেকে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। বর্জ্যের ওপর মাছি বসে পরে সেই মাছি খাবারে বসলে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এসব বর্জ্যের কারণে শুধু মানুষ নয়, বিভিন্ন প্রাণীও আক্রান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, খাসজমিতে বর্জ্য ফেলার স্থায়ী ভাগাড় নির্মাণের জন্য চিঠি পাওয়া গেছে। খাসজমি নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে এবং দ্রুত কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে বড় বর্জ্য ফেলার ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

বিশেষ সংবাদ
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz