মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
জাতীয়

খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি শুরু

খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় সাশ্রয়ী মূল্যে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় প্রায় ৫৫ লাখ পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। এই কর্মসূচি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং আগস্ট মাস থেকে তা চলমান রয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবারগুলোকে বছরে ছয় মাস চাল সরবরাহ করা হয়। আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল—এই সময়গুলোতে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে প্রায় ১০ লাখ টন চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্য রয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংসদে জানিয়েছেন, এই কর্মসূচি দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পুষ্টির উন্নয়নেও এর প্রভাব রয়েছে। কিছু উপজেলায় পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ চালও বিতরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) এবং টিসিবির মাধ্যমেও সাশ্রয়ী মূল্যে চাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্য বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে নজরদারি করছেন। উপকারভোগীদের তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত কেন্দ্রে চাল তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেকেই বলছেন, বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকায় এই সাশ্রয়ী মূল্যের চাল তাঁদের পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে। মাসে ৩০ কেজি চালের জন্য মাত্র ৪৫০ টাকা খরচ হওয়ায় নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর বাজেটে চাপ কিছুটা কমেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে এবং কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমাতে এই ধরনের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপকারভোগীদেরকে নির্ধারিত সময়ে চাল সংগ্রহ করার এবং কোনো অনিয়ম দেখলে কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচি চলাকালীন আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে সরকারের এই উদ্যোগ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz