জাতীয়

বাজারের চাপে কর্মসংস্থানে সংকট

বাজারের চাপে কর্মসংস্থানে সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: বাজারে পণ্য ও সেবার উচ্চমূল্য, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা, ঋণপ্রবাহের দুর্বলতা এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব ক্রমেই দেশের কর্মসংস্থান বাজারে পড়ছে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরির গতি কমার পাশাপাশি বিদ্যমান কর্মসংস্থানের মান ও আয় নিয়েও তৈরি হয়েছে চাপ। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগ সংকুচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বল্প আয়ের মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতাও কমছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের এপ্রিল ২০২৬-এর মূল্যায়নে বলা হয়েছে, টানা তিন বছর প্রবৃদ্ধির গতি কমা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, রাজস্ব আহরণে দুর্বলতা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে। সংস্থাটি ২০২৬ অর্থবছরে দেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে আসার পূর্বাভাস দিয়েছে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে থাকার এবং ২০২৫ সালে জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৪ শতাংশে ওঠার কথা জানিয়েছে।

কর্মসংস্থানের সংকট বোঝার ক্ষেত্রে শুধু কতজন বেকার তা দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ২০২৬ সালের বিশ্লেষণে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে আংশিক বেকারত্ব, অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান, স্বনিয়োজিত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, বেতনভিত্তিক কর্মসংস্থান কমে যাওয়া এবং প্রকৃত মজুরি হ্রাসের মতো প্রবণতার কথা বলা হয়েছে। এসব সমস্যার প্রভাব তরুণ ও নারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি।

অর্থনীতির এই চাপের সঙ্গে কর্মসংস্থানের সম্পর্ক সরাসরি। একটি প্রতিষ্ঠান নতুন কারখানা, শাখা বা উৎপাদন ইউনিট চালু করলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়। বিপরীতে বিনিয়োগ কমে গেলে নিয়োগের প্রয়োজনও কমে যায়। বর্তমানে বেসরকারি বিনিয়োগে যে দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে, সেটিই শ্রমবাজারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের পরিস্থিতি সেই উদ্বেগ আরও স্পষ্ট করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে আসে, যা ২০০৩ সালে বর্তমান ধারার তথ্য প্রকাশ শুরু হওয়ার পর সর্বনিম্ন। উচ্চ ঋণব্যয়, খেলাপি ঋণের চাপ, জ্বালানি সংকট, বিনিময় হার নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের বিভিন্ন ঝুঁকি ঋণের চাহিদা ও সরবরাহ—উভয় দিকেই প্রভাব ফেলছে।

ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়ার অর্থ শুধু ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া কমে যাওয়া নয়। নতুন বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি কেনা, উৎপাদন বাড়ানো এবং নতুন কর্মী নিয়োগের মতো সিদ্ধান্তও এর সঙ্গে যুক্ত। উদ্যোক্তারা ভবিষ্যৎ চাহিদা নিয়ে অনিশ্চিত থাকলে সাধারণত বড় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেন। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও কমে যায়।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশের মতো থাকতে পারে এবং নিম্ন আয়ের মানুষের মজুরি সেই হারে বাড়েনি। এর ফলে একই আয় দিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য ও সেবা কেনা সম্ভব হচ্ছে। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি চাকরিতে থাকলেও তাঁর প্রকৃত আয় বা ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়ে।

এই পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারের একটি বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের দিকে ঝুঁকতে পারে। আইএলওর বিশ্লেষণেও বাংলাদেশের শ্রমবাজারে কৃষিতে কর্মসংস্থানের অংশ বৃদ্ধি, স্বনিয়োজন বাড়া এবং বেতনভিত্তিক কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার প্রবণতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, কর্মসংস্থান থাকলেও তা সব সময় স্থায়ী, নিরাপদ বা পর্যাপ্ত আয়ের কর্মসংস্থান নাও হতে পারে।

তরুণদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক তরুণ শিক্ষা শেষ করে শ্রমবাজারে প্রবেশ করেন। তাঁদের প্রত্যাশা থাকে স্থায়ী চাকরি, নিয়মিত আয় এবং পেশাগত উন্নতির। কিন্তু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি কমে গেলে নতুন প্রবেশকারীদের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি করা কঠিন হয়। ফলে শিক্ষিত বেকারত্বের পাশাপাশি অনেক তরুণ তাঁদের যোগ্যতার তুলনায় কম দক্ষতার বা কম আয়ের কাজে প্রবেশ করতে বাধ্য হতে পারেন।

নারীর কর্মসংস্থান নিয়েও একই ধরনের উদ্বেগ রয়েছে। আইএলও বলছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারের কাঠামোগত সমস্যাগুলো তরুণ ও নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে দৃশ্যমান। নারীরা অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক কাজ, স্বল্পমেয়াদি কাজ বা পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কম আয়ের কর্মসংস্থানে সীমাবদ্ধ থাকেন। ফলে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে তাঁদের কর্মসংস্থান আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

শিল্প খাতের ওপর চাপ কর্মসংস্থানের জন্য বিশেষ উদ্বেগের কারণ। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলে এবং ক্রয়াদেশ কমে গেলে কারখানাগুলো উৎপাদন কমাতে পারে। এর প্রভাব প্রথমে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, নতুন নিয়োগ স্থগিত কিংবা শ্রমিকসংখ্যা কমানোর মধ্য দিয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ শ্রমঘন শিল্পগুলো তাই বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে কর্মসংস্থানের দিক থেকেও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা শুধু বাজারের চাহিদা নয়, অর্থায়নের ব্যয়, জ্বালানি সরবরাহ, করব্যবস্থা ও বিনিময় হার নিয়েও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে বেসরকারি বিনিয়োগের দুর্বলতার পেছনে উচ্চ ঋণব্যয়, ব্যাংকের ঝুঁকি নেওয়ার সক্ষমতা কমে যাওয়া এবং জ্বালানি ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কথা উঠে এসেছে।

ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও কর্মসংস্থান সংকটের সঙ্গে যুক্ত। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত ৩০ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছিল। ব্যাংকের মূলধন ও ঋণ দেওয়ার সক্ষমতার ওপর চাপ থাকলে নতুন উদ্যোক্তা বা ব্যবসা সম্প্রসারণে অর্থায়ন পাওয়া কঠিন হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থান বাড়াতে শুধু সরকারি চাকরির সংখ্যা বাড়ানো যথেষ্ট হবে না। দেশের বৃহত্তর শ্রমবাজারের অধিকাংশ সুযোগ তৈরি হয় বেসরকারি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে। তাই নতুন শিল্প স্থাপন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরিকে কর্মসংস্থান নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে।

বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও ব্যবসায়িক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ব্যাংকঋণ, জামানত, সুদের হার ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারেন না। অথচ এসব প্রতিষ্ঠান স্থানীয় পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।

কর্মসংস্থানের মান উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষ কাজ করছেন—এই তথ্য দিয়ে শ্রমবাজারের সাফল্য বিচার করা যথেষ্ট নয়। তাঁর আয় কত, কাজটি কতটা স্থায়ী, কর্মঘণ্টা কেমন, সামাজিক সুরক্ষা আছে কি না এবং তাঁর দক্ষতা অনুযায়ী আয় হচ্ছে কি না—এসব প্রশ্নও বিবেচনায় নিতে হবে। আইএলওর বিশ্লেষণে বাংলাদেশের বেতনভিত্তিক কর্মসংস্থান কমে যাওয়া ও প্রকৃত মজুরি হ্রাসের বিষয়টি এই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।

দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসংস্থান সংকট মোকাবিলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প, আধুনিক উৎপাদন, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে প্রশিক্ষণ যেন শুধু সনদনির্ভর না হয়, বাস্তব কর্মক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য দক্ষতা তৈরির সঙ্গে যুক্ত হয়।

বিদেশে কর্মসংস্থানও বাংলাদেশের শ্রমবাজারের চাপ কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। দক্ষ কর্মী তৈরি করে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে পাঠানো গেলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি রেমিট্যান্স বাড়ানোর সুযোগ থাকে। তবে এর জন্য দক্ষতা, ভাষা, নিরাপদ অভিবাসন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। বিশ্বব্যাংকও সামষ্টিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর চাপের কথা জানিয়েছে। জুলাই ২০২৬-এর মূল্যায়নে সংস্থাটি ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এবং মধ্যমেয়াদে তা ৩ শতাংশের নিচেও নামার ঝুঁকির কথা বলেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আর্থিক খাতের চাপ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে এসব ঝুঁকির অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তবে অর্থনীতির এই দুর্বলতা স্থায়ী কর্মসংস্থান সংকটে পরিণত হবে কি না, তা অনেকাংশে নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। বিনিয়োগের পরিবেশ দ্রুত উন্নত করা গেলে উদ্যোক্তাদের আস্থা ফিরতে পারে। ব্যাংকিং খাত সংস্কার, ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক করা, জ্বালানি সরবরাহ নির্ভরযোগ্য করা এবং ব্যবসার নিয়মকানুন সহজ করা হলে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান উভয়ই বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

এ ক্ষেত্রে শ্রমবাজারের তথ্যও নিয়মিত ও নির্ভুলভাবে প্রকাশ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপই দেশের কর্মসংস্থান, বেকারত্ব ও শ্রমশক্তির পরিবর্তন বোঝার অন্যতম প্রধান সরকারি উৎস। সর্বশেষ প্রকাশিত শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনও সরকারি তথ্যভান্ডারে রয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বলছে, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সংকট এখন শুধু চাকরি পাওয়ার সমস্যা নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মূল্যস্ফীতি, দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও সামাজিক সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত একটি বহুমাত্রিক সমস্যা। বাজারে মূল্য বাড়ছে, কিন্তু প্রকৃত আয় একই হারে বাড়ছে না; বিনিয়োগ দুর্বল হওয়ায় নতুন চাকরির সৃষ্টি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান বাড়ায় কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

তাই কর্মসংস্থান সংকট মোকাবিলায় স্বল্পমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও শ্রমজীবী মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা, মধ্যমেয়াদে বিনিয়োগ ও শিল্প উৎপাদন বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা উন্নয়নের সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তরুণ, নারী ও অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের জন্য আলাদা কর্মসংস্থান নীতি গ্রহণ করতে হবে।

কর্মসংস্থান তৈরি হয় অর্থনীতির বাস্তব কর্মকাণ্ড থেকে। নতুন বিনিয়োগ, নতুন কারখানা, নতুন ব্যবসা, উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানি সম্প্রসারণ ছাড়া স্থায়ীভাবে চাকরির বাজার বড় করা সম্ভব নয়। ফলে বর্তমান বাজার ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো বিনিয়োগের আস্থা ফিরিয়ে এনে অর্থনীতির উৎপাদনশীল চাকা সচল করা। তাহলেই কর্মসংস্থানের সংকট কাটিয়ে টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ কাজের সুযোগ বাড়ানোর পথ তৈরি হবে।