মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিনোদন

কারাগারের অন্ধকার পেরিয়ে জাহের আলভীর মুক্তি

কারাগারের অন্ধকার পেরিয়ে জাহের আলভীর মুক্তি

মঞ্চের আলো নিভে গিয়েছিল যেন। একসময় যে অভিনেতার হাসি আর সংলাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে নাচত, সেই জাহের আলভী আজ কারাগারের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসেছেন। স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টের জামিন মঞ্জুর হওয়ায় জনপ্রিয় এই অভিনেতার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের বিষয়ে জারি করা রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করে এই রায় দেন। আদালতকক্ষে জাহেরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম। সেই মুহূর্তে যেন সময় থমকে দাঁড়িয়েছিল—একজন শিল্পীর জীবন, একজন স্বামীর যন্ত্রণা, আর একটি পরিবারের ভাঙা স্বপ্ন একসঙ্গে জড়িয়ে ছিল সেই রায়ের মধ্যে।

গল্পের শুরুটা হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আফরা ইবনাত ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় জাহের আলভী ও তার মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগ—দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের চাপে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

এর আগে গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন জাহের। কিন্তু আদালত জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান। তদন্তের স্বার্থে দুই দিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয় তাকে। অধস্তন আদালতে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তার আইনজীবীরা। আর সেখান থেকেই এল মুক্তির আলো।

২০১০ সালে বিয়ে হয়েছিল জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরার। তাদের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। সেই সন্তানের চোখের সামনেই যেন ভেঙে পড়েছিল একটা স্বপ্নের ঘর। আজ যখন জাহের জামিন পেয়ে কারাগারের গেট পেরোচ্ছেন, তখন অনেকেই ভাবছেন—এ কি সত্যিই জীবনের শেষ অধ্যায়, নাকি নতুন কোনো শুরু?

কিন্তু থামুন একটু।

এই পুরো কাহিনি, এই আবেগ, এই নাটকীয়তা—সবই একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট থেকে নেওয়া বর্ণনা। বাস্তবের কোনো ঘটনা নয়। জাহের আলভী, আফরা ইবনাত ইকরা কিংবা এই মামলার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই। এটি কেবল একটি কাল্পনিক নাটকের গল্প, যেখানে বিনোদন সংবাদের আদলে আবেগ আর নাটকীয়তা মিশিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মঞ্চের পর্দা এবার সত্যিই নামল।

বিনোদন
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz