মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ স্লোগানে ঐতিহাসিক বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ স্লোগানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত; ট্রাম্পকে রাজা আখ্যা দিয়ে কর্তৃত্ববাদী নীতির প্রতিবাদে সরব নাগরিকরা।

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ স্লোগানে ঐতিহাসিক বিক্ষোভ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্তৃত্ববাদী নীতির প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্রের সুরক্ষার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে 'নো কিংস' স্লোগানকে সামনে রেখে এক ঐতিহাসিক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ব্যানার হাতে অংশ নেন। রয়টার্স জানিয়েছে, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর গ্রান্ট পার্ক এবং মায়ামিসহ দেশজুড়ে আড়াই হাজারের বেশি স্থানে একযোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান না হয়ে রাজা হিসেবে স্বৈরশাসন চালাচ্ছেন। তাদের মূল বক্তব্য হলো, ট্রাম্প তার কার্যনির্বাহী ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করছেন এবং জনগণ এই অতিরিক্ত ক্ষমতা সহ্য করবে না। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার, ব্যালুন ও নানা স্লোগান হাতে মিছিল করেছেন, যা আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিক প্রতিবাদগুলোর মধ্যে অন্যতম হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৩০ লাখ মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।

আঠারো দিন ধরে চলা সরকারি শাটডাউনের মধ্যেই অনুষ্ঠিত এই সমাবেশগুলোতে বক্তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড মার্কিন গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ভারসাম্যের জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও সুসংগঠিত রাখতে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন তাদের আইনজীবী দল নিয়ে মাঠে কাজ করেছে।

এই বিক্ষোভে রাজনীতিক, শিল্পী, সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে প্রবীণরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। অভিনেত্রী জেন ফন্ডা, কেরি ওয়াশিংটন, সংগীতশিল্পী জন লেজেন্ড, অভিনেতা অ্যালান কামিং ও জন লেগুইজামো-এর মতো খ্যাতনামা তারকারাও 'নো কিংস' আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।

শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র নয়, বিক্ষোভের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপেও। যুক্তরাজ্য, মাদ্রিদ ও বার্সেলোনায় মার্কিন দূতাবাসের সামনে শত শত মানুষ ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন।

বিক্ষোভের আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, "তারা আমাকে রাজা বলে ডাকছে, কিন্তু আমি কোনো রাজা নই।" তবে জনগণের এই বিশাল সমাবেশ দেখিয়ে দিল যে, মার্কিন নাগরিকরা তাদের রাষ্ট্রপ্রধানের কাছ থেকে গণতান্ত্রিক আদর্শের বাইরে কোনো কর্তৃত্ববাদী আচরণ মেনে নিতে প্রস্তুত নন।


ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বৈরশাসনের অভিযোগে জনগণের এই বিশাল প্রতিবাদ মার্কিন গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনা করলো।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz