মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

মধ্যস্থতা কূটনীতিতে সক্রিয় কাতার: খালেদা জিয়া থেকে ড. ইউনূস; ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দোহা’র

জ্বালানি আমদানির বাইরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী কাতার। খালেদা জিয়ার এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রেরণ ও ড. ইউনূসের সফরের পর দেশটি গণতন্ত্র এবং রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে।

মধ্যস্থতা কূটনীতিতে সক্রিয় কাতার: খালেদা জিয়া থেকে ড. ইউনূস; ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দোহা’র

তেল সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দেশ কাতার এখন কেবল শ্রমবাজার বা এলএনজি আমদানির গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ককেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাইছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়ায় ঢাকাকে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়ায় এই সম্পর্কের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি, মধ্যস্থতা কূটনীতিতে নিজেদের সক্রিয়তা ধরে রেখে কাতার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে।

গত বছর অভ্যুত্থানের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য যখন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডন যেতে হয়, তখন কাতারের আমির বিশেষ রয়্যাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছিলেন। সেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি ঢাকা ফেরেন। এর বাইরে গত এপ্রিলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাতার সফরকেও দোহা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো। এই আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কাতারের বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) তৈরির ঘোষণা দেন।

কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হযরত আলী খান নিশ্চিত করেছেন যে, দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত চমৎকার। প্রধান উপদেষ্টার সফল কাতার সফর এবং তার আগে কাতারের আমিরের বাংলাদেশ সফর—এই দুই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতাকেই নির্দেশ করে। রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সময়ের সাথে এই সম্পর্ক আরও বাড়বে।

ঐতিহ্যগতভাবে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বজায় রাখলেও, বাংলাদেশের সঙ্গে কাতারের সম্পর্ক এখন কৌশলগত দিকে ঝুঁকছে। রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুবিন্যস্তকরণে কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে, কাতারের প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রধান উপদেষ্টাকে তাদের পাশে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। ফিলিস্তিন ইস্যুতে সক্রিয়ভাবে মধ্যস্থতা করার কারণে কাতারের অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে পরিচিত। এই মধ্যস্থতা কূটনীতির মাধ্যমেই দেশটি রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানেও ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। বর্তমানে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি কাতারে কাজ করে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহকে শক্তিশালী করছে। ধারণা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজনৈতিক সম্পর্কও এই ইতিবাচক আবহে সমান্তরালে এগিয়ে চলবে।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz