মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

রাজনীতি করেন না, শুধু ক্ষমতা চান: দেশের রাজনীতিবিদদের তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্জাকী

আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী অভিযোগ করেছেন যে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা ঐক্যবদ্ধ নন, তারা জনকল্যাণ নয় বরং শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলের রাজনীতি করেন, যা ড. ইউনূসের প্রভাব বিস্তারে সহায়তা করেছে।

রাজনীতি করেন না, শুধু ক্ষমতা চান: দেশের রাজনীতিবিদদের তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্জাকী

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উদ্দেশ্যের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এক বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, রাজনীতিবিদরা আসলে দেশের জন্য রাজনীতি করেন না; তারা শুধু ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তার মতে, "বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা আসলে রাজনীতি করেন না; তারা শুধু ক্ষমতায় যেতে চান।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমপি হওয়ার পরও অনেক রাজনীতিক সংবিধান অনুযায়ী তাদের প্রকৃত দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত নন।

তিনি বলেন, তার কাছে একদম কাচের মতো স্বচ্ছ কথাটা হলো—বাইরে এসে অনেকে ভান করলেও যারা বোঝার তারা বোঝেন যে রাজনীতির ভেতরের সত্য কী। রাজ্জাকী অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস যখন এই দেশটার বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন দেশের রাজনীতিবিদরা ১৪ মাস ধরে শুধুমাত্র দর্শক হয়ে দেখেছেন এবং তারা আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্তও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না।

রাজ্জাকী জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে যদি ঐক্যের অভাব না থাকত, তাহলে বর্তমান সমস্যার সৃষ্টি হতো না। ঐক্যের অভাবেই নানা প্রশ্ন উঠছে। তিনি তার অবস্থান পরিষ্কার করে দাবি করেন, রাজনীতি মানে হলো দেশ ও জনকল্যাণ। যদি কোনো নেতা বা দল ক্ষমতায় গিয়ে কেবল লুটপাটে মেতে ওঠে, তাহলে তাদের হাতে ক্ষমতা দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না, কারণ তাদের জনগণের প্রতি যে দায়বদ্ধতা প্রয়োজন, তা অনুপস্থিত।

দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের মূল শক্তি হলো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, যদিও আমরা সবসময় আন্তর্জাতিক সমস্যা—যেমন পানি, বন্দর বা বিনিয়োগ নিয়েই বেশি চিন্তা করি। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র ও জনগণ—এই দুইয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব। সবশেষে তিনি গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, নির্বাচন চাওয়াটা কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি জনগণের মৌলিক অধিকার। যারা নির্বাচন চায়, তারাই প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz