মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

বিতর্ক সত্ত্বেও জোহরান মামদানিতে আস্থা ইলন মাস্কের; ৯/১১ মন্তব্য ঘিরে চলছে বিতর্ক

নিউইয়র্কের মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি বিতর্কিত মন্তব্য করেও ইলন মাস্ক, বার্নি স্যান্ডার্স এবং ওকাসিও-কর্তেজের সমর্থন পেয়েছেন। তিনি বাসস্থান খরচ কমানোর মতো প্রগতিশীল এজেন্ডা নিয়ে লড়ছেন।

বিতর্ক সত্ত্বেও জোহরান মামদানিতে আস্থা ইলন মাস্কের; ৯/১১ মন্তব্য ঘিরে চলছে বিতর্ক

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনের ডেমোক্র্যাট পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি ক্রমেই তরুণ ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন, যা তাকে ডেমোক্রেটিক পার্টির নতুন মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। এই জনপ্রিয়তার পালে এবার হাওয়া দিলেন বিশ্বসেরা বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক। ইলন মাস্ক তার এক্স অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে ৩৩ বছর বয়সী জোহরানকে 'ডেমোক্রেটিক পার্টির ভবিষ্যৎ' বলে অভিহিত করেছেন। ইলন মাস্কের এই সমর্থন মামদানির নির্বাচনী প্রচারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর নিউইয়র্ক সিটির এক জনসমাবেশে মামদানির পক্ষে সমর্থন জানান নিউইয়র্ক সিটির গভর্নর হোচুল। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতা বার্নি স্যান্ডার্স এবং আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ। হোচুল সমর্থকদের উদ্দেশে জোহরানের পক্ষে ভোট চেয়ে বলেন, এই নির্বাচন শুধু শহরের নয়, এটি দেশ পুনর্দখলের নির্বাচন।

জোহরান মামদানি এই নির্বাচনে তার তিনটি মূল এজেন্ডা নিয়ে লড়ছেন: বাসস্থান খরচ নিয়ন্ত্রণ, ভাড়া সহনীয় করা এবং উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের ওপর কর বৃদ্ধি। তার এই প্রগতিশীল এবং সামাজিক ন্যায়ভিত্তিক এজেন্ডা তরুণ এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তবে সম্প্রতি মামদানির একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রঙ্কসের এক মসজিদের বাইরে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ৯/১১ হামলার পর মুসলিম নিউইয়র্কবাসীরা তাদের ধর্মীয় পরিচয় লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছিল, এমনকি হিজাব পরা খালা সাবওয়েতে উঠতে ভয় পেতেন। সমালোচকরা তার এই বক্তব্যকে বিতর্কের বিষয় হিসেবে দেখলেও, মুসলিম ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে এটি তার প্রতি সহানুভূতি বাড়িয়েছে।

মামদানির প্রতি গভর্নর হোচুলের আস্থা প্রকাশ পেয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত নিবন্ধেও। সেখানে হোচুল আদর্শিক পার্থক্য সত্ত্বেও জোহরানের সাহস ও কাজের প্রতি তার বিশ্বাস তুলে ধরেন। নানা বিতর্ক সত্ত্বেও, প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট এবং ইলন মাস্কের মতো ব্যক্তিত্বের সমর্থন জোহরান মামদানির বিজয় সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz