মূল খবরে যান

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
চলচ্চিত্রে এসে কি আমরা পাপ করেছি?’ সংবাদ সম্মেলনে ক্ষুব্ধ ওমর সানীএলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রীপ্রকাশ্যে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতাদের পাশে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধীছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল মায়ের, বাবা গুরুতর আহতকান্নারত শিশুকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা: সচিবালয় মেট্রো স্টেশন থেকে অপহরণকারী আটকসিরিজ হারলেও শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে শ্রীলংকার দাপুটে জয়লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় হবে: অমিত শাহ১৯ অক্টোবর দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা বাজুসের
রাজনীতি

অসুস্থতার গুজব 'পরিকল্পিত অপপ্রচার', দলীয় মনোবল ভাঙতে চক্রান্ত: আওয়ামী লীগ

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো গুজবকে আওয়ামী লীগ দলের মনোবল ভাঙার 'পরিকল্পিত চক্রান্ত' হিসেবে দেখছে। শেখ হাসিনা অডিও বার্তায় সুস্থ থাকার কথা জানিয়ে দেশকে উদ্ধারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

অসুস্থতার গুজব 'পরিকল্পিত অপপ্রচার', দলীয় মনোবল ভাঙতে চক্রান্ত: আওয়ামী লীগ

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসুস্থতা বা মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো তথ্যকে 'পরিকল্পিত অপপ্রচার ও চক্রান্ত' হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। মঙ্গলবার রাত থেকে যখন দিল্লির সামরিক হাসপাতালে শেখ হাসিনার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে এবং দলীয় প্যাডের আদলে তৈরি ভুয়া শোকবার্তা ভাইরাল হয়, তখন দলটি এই গুজব মোকাবিলার চেষ্টা করে।

আওয়ামী লীগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে দ্রুত ওই ভুয়া বিবৃতিকে অসত্য ও ভুয়া বলে দাবি করা হয়। বাংলাদেশে রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞায় থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম বিবিসি বাংলাকে জানান, শেখ হাসিনার মৃত্যু বা অসুস্থতা নিয়ে যে ধরনের তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ভাঙার জন্য করা হচ্ছে।

গুজব যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মঙ্গলবার গভীর রাতে আওয়ামী লীগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে শেখ হাসিনার একটি অডিও বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। এই অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা নিজেই তার সুস্থতার কথা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "আমার নামে একটা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি অসুস্থ হতে যাবো কেন? আমি সুস্থ্য আছি।" তিনি আরও বলেন, "আমাকে তো আমার দেশকে উদ্ধার করতে হবে", যার মাধ্যমে তিনি দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

যদিও এই বক্তব্য তিনি কখন বা কোথায় দিয়েছেন, তা দলীয়ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবুও এই বার্তাটি দলীয় কর্মীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। আওয়ামী লীগের নেতারা দাবি করেছেন, এই ধরনের মিথ্যা ও পরিকল্পিত গুজব ছড়ানো হচ্ছে তাদের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করার জন্য।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যখন শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের সাবেক শীর্ষ নেতা ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী, দুর্নীতিসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ চলছে এবং কয়েকটি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, তখন এই ধরনের গুজব ছড়ানো কেবল আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার একটি কৌশল। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অপপ্রচার রাজনৈতিক অঙ্গনকে আরও উত্তপ্ত করেছে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে