মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

মা নিরাপদেই থাকবেন ভারতে': রায়ের আগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বার্তার

রায়ের আগে শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতকে মায়ের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো ফলাও করে প্রচার করেছে।

মা নিরাপদেই থাকবেন ভারতে': রায়ের আগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বার্তার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার ঠিক আগে আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় রয়টার্সকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাঁর এই বার্তা—রায় যা-ই হোক, ভারত তাঁর মাকে নিরাপদেই রাখবে—ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোতে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হচ্ছে। ভারত সরকার বা নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো মন্তব্য না এলেও, জয়ের এই বক্তব্য ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রধান খবর হিসেবে তুলে ধরে এর কূটনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করছে।

সংবাদ মাধ্যমগুলোর ব্যাপক কভারেজ থেকে বোঝা যায়, এই রায়ের ফলাফল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ছাড়িয়ে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে, বিশেষ করে ভারতের স্বার্থে, কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। দ্য হিন্দু, হিন্দুস্তান টাইমস এবং এনডিটিভির মতো প্রভাবশালী মিডিয়া আউটলেটগুলোতে জয়ের এই মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হয়েছে, যা প্রকারান্তরে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সাবেক শাসকগোষ্ঠীর সম্পর্কের গভীরতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে ভারতের সম্ভাব্য ভূমিকা তুলে ধরছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তাঁর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হওয়া—এই সবকটি ঘটনাই ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরও একই মামলায় আসামি করা হয়েছে। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহটিকে ভারতীয় গণমাধ্যম একটি কূটনৈতিক সংকট ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে, যেখানে জয়ের বার্তাটি এক ধরনের আশ্বস্তকারী কূটনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz