মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

কাশ্মীর উত্তেজনায় ৩৫০% শুল্ক ছিল ট্রাম্পের 'ম্যাজিক ফর্মুলা'

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনার সময় ট্রাম্পের ৩৫০% শুল্কের হুমকি কীভাবে পরিস্থিতি শান্ত করল, তা নিয়ে বিতর্ক।

কাশ্মীর উত্তেজনায় ৩৫০% শুল্ক ছিল ট্রাম্পের 'ম্যাজিক ফর্মুলা'

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন এক মডেলের জন্ম দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সাম্প্রতিক সংঘাত নিরসনে তিনি 'শুল্কের হুমকি' নামক এক অপ্রচলিত পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। ওয়াশিংটনের ইউএস-সৌদি ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন যে, দুই দেশের ওপর ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরই তারা যুদ্ধ থামাতে সম্মত হয়। ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন প্রথাগত আলোচনার মাধ্যমে কোনো ফল আসছিল না। দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল। সেই মুহূর্তে তিনি সরাসরি দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ওপর ভয়ংকর আঘাত হানার হুমকি দেন, যা তাদের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারত। ট্রাম্পের এই কৌশলকে অনেকে 'শুল্ক কূটনীতি' (Tariff Diplomacy) হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন, যেখানে সামরিক শক্তি বা জাতিসংঘ Resolución-এর চেয়েও দ্রুত কাজ করেছে অর্থনৈতিক ভয়ভীতি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই দাবি কিছুটা অতিরঞ্জিত হলেও এর মধ্যে সত্যের উপাদান থাকতে পারে। ভারত ও পাকিস্তান, উভয় দেশই বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল এবং এমন বিশাল শুল্ক আরোপ হলে তা তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করত। এই শুল্কের ভয়াবহতা উপলব্ধি করেই দুই দেশ দ্রুত সংঘাতের পথ থেকে সরে আসে—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি মে মাসে দুই দেশের উত্তেজনা নিরসনে তাঁর ভূমিকার কথা বহুবার উল্লেখ করেছেন, যা এই বক্তব্যকে আরও সমর্থন যোগায়।

তবে, এই দাবির ফলে ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে, তাঁকে একজন কার্যকর 'সমস্যা-সমাধানকারী' হিসেবে দেখা হচ্ছে; অন্যদিকে, তাঁর এই ধরনের 'চাপের রাজনীতি' আন্তর্জাতিক মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। শুল্ক আরোপের হুমকিকে যুদ্ধ থামানোর মূল কারণ হিসেবে তুলে ধরায় অন্যান্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা গৌণ হয়ে যাচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের এই 'অর্থনৈতিক হুমকি' তত্ত্ব আঞ্চলিক শান্তি স্থাপনের ধারণাকেই নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz