মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

‘আপনি কে বের করে দেওয়ার?’: সাদিক কায়েমের শিক্ষক নির্মূলের মন্তব্যে তীব্র প্রশ্ন

শিক্ষকদের নির্মূলের হুমকি দেওয়ায় সাদিক কায়েমকে তার ক্ষমতার সীমা মনে করিয়ে দিলেন প্রবীণ সাংবাদিক।

‘আপনি কে বের করে দেওয়ার?’: সাদিক কায়েমের শিক্ষক নির্মূলের মন্তব্যে তীব্র প্রশ্ন

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের 'প্রগতিশীল শিক্ষকদের নির্মূল' করার বিস্ফোরক মন্তব্যটি রাজনৈতিক ও শিক্ষা মহলে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর, এই রায়ের প্রতিবাদে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ জন শিক্ষক একটি বিবৃতি প্রদান করেন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সাদিক কায়েম বলেন, "প্রগতিশীল যেসব শিক্ষক খুনি হাসিনার পক্ষে স্বাক্ষর করেছে, তাদের আর বাংলাদেশে রাখা যাবে না। বাংলাদেশ থেকে তাদের নির্মূল করা হবে।" তিনি শিক্ষার্থীদের ওই শিক্ষকদের ক্লাস বয়কট করার এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তাদের চাকরিচ্যুত করার আহ্বান জানান।

সাদিক কায়েমের এই চরমপন্থী বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাসুদ কামাল তাকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি ভিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "দুইটা ভোট পেয়ে মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এরকম বহু লোক দেখেছি ভোট পাওয়ার পরে হারিয়ে গেছে। নিজেকে সংযত করেন।" সাদিক কায়েমের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে মাসুদ কামাল বলেন, "কোন কোন শিক্ষককে থাকতে দেওয়া হবে না। বের করে দেওয়া হবে। আপনি কে বের করে দেওয়ার? কে আপনি?" তিনি সাদিক কায়েমকে মনে করিয়ে দেন যে ডাকসুর মেয়াদ শেষ হলে তিনি একজন সাধারণ নাগরিক মাত্র।

সাংবাদিক মাসুদ কামাল কায়েমের বক্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভিন্নমত পোষণ করার কারণে বা 'ফ্যাসিবাদের পক্ষে স্বাক্ষর' দিয়েছে বলে একজন শিক্ষককে বের করে দেওয়া যায় না। তিনি সাদিক কায়েমকেই ফ্যাসিবাদ সমর্থনের অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, "ফ্যাসিবাদের পক্ষে তো আপনিও ছিলেন। আপনার সাধারণ সম্পাদকও ছাত্রলীগের কমিটিতে ছিল।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনার কথা বললেও, কোনো শিক্ষককে বের করে দেওয়ার ক্ষমতা সাদিক কায়েমের নেই। এই ধরনের বক্তব্য একজন বিনয়ী ও সুশীল ছাত্রনেতার ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও তিনি মন্তব্য করেন, যা দ্রুতই তার প্রকৃত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে দিচ্ছে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz