মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

বাংলাদেশে ইসলামকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা ধর্মনিরপেক্ষতা; ড. মির্জা গালিবে

যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক ড. মির্জা গালিবের মতে, বাংলাদেশে ইসলামকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা ধর্মনিরপেক্ষতা ছিল পাশ্চাত্যের কলোনিয়াল প্রভাব।

বাংলাদেশে ইসলামকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা ধর্মনিরপেক্ষতা; ড. মির্জা গালিবে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামোফোবিক সেকুলারিজমের ধারাটি ছিল মূলত কৃত্রিম এবং এর পতন ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি যদি তাদের কার্যক্রমে ইসলামিক শব্দভাণ্ডার (Islamic Vocabulary) বেশি করে ব্যবহার করা শুরু করে, তবে তিনি 'ইসলামিস্ট হিসেবে বরং খুশি' হবেন।

ড. গালিব সোমবার রাতে ফেসবুকে প্রকাশিত এক পোস্টে এই গভীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। তাঁর মতে, উনিশ শতকের পশ্চিমবঙ্গীয় রেনেসাঁ এবং পাশ্চাত্যের ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাব থেকেই বাংলাদেশে ইসলামকে অস্বীকার করা বা ইসলামিক পরিচয়কে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার এক ধরনের ধর্মনিরপেক্ষতা তৈরি হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ, বাম এবং সেকুলার শিবিরের মেলবন্ধনের (নেক্সাস) মাধ্যমে এই ধারাটি পুষ্টি লাভ করেছিল।

তবে অধ্যাপক গালিব মনে করেন, চলমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা 'আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের মধ্য দিয়া' কেবল রাজনৈতিক ব্যবস্থারই নয়, বরং এই কৃত্রিম ইসলামোফোবিক সংস্কৃতিরও পতন হয়েছে। তাঁর মতে, এখন বাংলাদেশের মানুষ তাদের নিজস্ব মুসলিম সংস্কৃতি ও পরিচয়কে পুনর্গঠন করার সুযোগ পাচ্ছে। তিনি পূর্বাভাস দেন যে অদূর ভবিষ্যতে দলমত নির্বিশেষে ইসলাম বাংলাদেশের সকল মুসলমানের বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

তিনি বিএনপির রাজনীতি প্রসঙ্গে সুস্পষ্টভাবে বলেন যে, যেহেতু বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান, তাই এই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রাজনীতি করতে গেলে ইসলামিক শব্দ ব্যবহার করাটাই বিএনপির জন্য সঠিক পথ। তিনি মনে করেন, বিএনপি সহীহ ইসলামী দল কি না, এই বিতর্ক অর্থহীন। বরং তাদের উচিত হবে আওয়ামী লীগের মতো একটি সেকুলার দল হওয়ার চেষ্টা না করে, নিজেদের ইসলামিক আইডেন্টিটি ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল উপাদানকে ধারণ করে জনমুখী রাজনীতি করা।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz