অন্যান্য

১৫ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা কাটাতে হবে: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বিশেষ প্রচারাভিযান

১৫ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা কাটাতে হবে: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বিশেষ প্রচারাভিযান

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের মধ্যে গত ১৫ বছরের নির্বাচনী ‘তিক্ত অভিজ্ঞতা’ মুছে ফেলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সরকার বিশেষ প্রচারাভিযান শুরু করতে চলেছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা এই লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেন এবং তথ্য কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন।

তথ্য সচিব তাঁর বক্তব্যে দৃঢ়ভাবে বলেন, সরকার আগামী নির্বাচনকে সকল মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ করতে বদ্ধপরিকর। তিনি প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামূল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাথে সমন্বয় করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবার প্রচার-প্রচারণার কাজটি হাতে নেবে। এরই অংশ হিসেবে দেশের ৩০টি জেলায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে প্রচার কার্যক্রম সঠিক ও নির্ভুলভাবে পরিচালিত হয়।

মাহবুবা ফারজানা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনকে সামনে রেখে গুজব এবং অপতথ্য (Disinformation) ছড়ানোর প্রবণতা বাড়তে পারে। এই ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা দূর করতে আঞ্চলিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তাদের একটি প্রতিরোধমূলক ভূমিকা নিতে হবে। এছাড়া, তিনি ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ ভোটের মতো নতুন বিষয়গুলো সহজে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন, কারণ এই পদ্ধতির সঙ্গে সাধারণ ভোটাররা অভ্যস্ত নন।

সচিবের নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কর্মকর্তাদের নির্বাচনী আইন ও নিয়মকানুন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করতে হবে। বিশেষত তরুণ ভোটার, নারী ভোটার এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট কৌশল নিতে হবে। সার্বিকভাবে, এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি এবং প্রচারণার কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।