মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

নির্বাচন ঘিরে জোট-সমঝোতার কূটনীতি: পিআর পদ্ধতি থেকে সরে এসে জোটবদ্ধ হচ্ছে দলগুলো

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের দাবিতে সরব দলগুলো শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট ও আসন সমঝোতার পথে হেঁটেছে।

নির্বাচন ঘিরে জোট-সমঝোতার কূটনীতি: পিআর পদ্ধতি থেকে সরে এসে জোটবদ্ধ হচ্ছে দলগুলো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশলগত জোট গঠন এবং আসন সমঝোতার কূটনীতি এখন তুঙ্গে। একসময় আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন (পিআর পদ্ধতি) সংস্কারের দাবি তুললেও, দলগুলো শেষ পর্যন্ত জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ বেছে নিচ্ছে।

দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এরই মধ্যে ২৮টি আসন ফাঁকা রেখে জোট ও মিত্রদের জন্য দরজার খোলা রেখেছে। মনোনয়ন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন, নাগরিক ঐক্য, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতাদের জন্য সুনির্দিষ্ট আসনগুলো ফাঁকা রাখা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জোটের রাজনীতিতে নমনীয়তা এবং বৃহত্তর ঐক্য ধরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়েও বক্তব্য এসেছে, যেখানে নির্বাচনের পর বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান এই জোট প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দ্বারা গঠিত এনসিপি নির্বাচনের আগে জামায়াত থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে নতুন কৌশল নিয়েছে। সাতই ডিসেম্বর, তারা রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং এবি পার্টির সঙ্গে মিলে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’ গঠন করেছে। এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, এই জোট আগামী নির্বাচনে 'একসঙ্গে, একই মার্কায়' লড়াই করবে। এই জোট গঠন পিআর পদ্ধতির দাবি থেকে সরে এসে নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে সমন্বিত শক্তি প্রদর্শন করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এছাড়াও, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আলোচনার বাইরে থাকা জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরেও ভাঙন স্পষ্ট। জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন অংশের বিপরীতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন অংশটি 'জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট' (এনডিএফ) নামে ১৮ দলের একটি নতুন জোট গঠন করেছে। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, তফসিল ঘোষণার পর দলীয় মতাদর্শিক অবস্থানকে পেছনে ফেলে আপাতত নির্বাচনে সাফল্য অর্জনের জন্যই জোটবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

সবমিলিয়ে, আসন্ন নির্বাচন শুধু একক দলের লড়াই হবে না, বরং জোট ও মিত্র দলগুলোর কৌশলগত সমঝোতা এবং ক্ষমতার ভাগাভাগির কূটনীতির একটি জটিল ক্ষেত্র হতে চলেছে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz