মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর সাক্ষাৎজিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতার শ্রদ্ধাসাভারে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধআওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয়

বরেন্দ্রের সার পাচারে জড়িত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কৃষকদের

সরকারি সার পাচার সিন্ডিকেটের পেছনে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের যোগসাজশ থাকার অভিযোগ তুলেছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা।

বরেন্দ্রের সার পাচারে জড়িত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কৃষকদের

বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি খাতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এক দশক ধরে আলুসহ বিভিন্ন ফসল চাষে ঝুঁকলেও, প্রতি বছরই এই ভরা মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকটের শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। বর্তমানে ১,০৫০ টাকার ডিএপি সার ১,৭০০ টাকায়, ১,৩৫০ টাকার টিএসপি সার ২,০০০ টাকায় এবং ১,০০০ টাকার এমওপি সার ১,৩০০ টাকায় কিনতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। এর মূল কারণ, ডিলারদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভর্তুকির সার স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেটগুলোর মাধ্যমে কালোবাজারে চলে যাওয়া।

রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোরের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা এই চোরাই সিন্ডিকেট এতটাই শক্তিশালী যে, স্থানীয় কৃষক বা সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। কৃষকদের পক্ষ থেকে সরাসরি অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজশেই এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে। এই কমিটিগুলো বাস্তবে সার মনিটরিংয়ের বদলে পাচারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

তানোরের কৃষ্ণপুর গ্রামের আলুচাষি মজিবুর রহমান জানান, উচ্চ মূল্যের কারণে তাদের আবাদের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তানোরের এক ডিলার মাইনুল ইসলাম টিএসপি সারের চাহিদা বেশি দাবি করে বরাদ্দের ক্ষেত্রে চাহিদা বিবেচনা না করার অভিযোগ আনলেও, বেশি দামে সার বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক অভিযোগ করেন, গুদাম থেকে সার তোলার পর ডিলাররা তা সরাসরি কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করে দেন এবং দোকানে গিয়ে সার চাইলে ‘শেষ হয়ে গেছে’ বলে ফিরিয়ে দেন।

ইতিমধ্যে রাজশাহীর বাগমারা ও দুর্গাপুরে সার পাচারের সময় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা কিছু সার জব্দ করলেও, প্রশাসন পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে নামমাত্র জরিমানা করেই ছেড়ে দিয়েছে। কৃষকদের দাবি, সার পাচার ও কালোবাজারি বন্ধ করতে হলে শুধু ফড়িয়া বা ডিলারদের নয়, বরং এই পাচার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নইলে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাবেন না এবং তাদের জিম্মিদশা কাটবে না।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz