মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

কর্নেল হুদা হ ত্যা য় আবু তাহেরের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত

কর্নেল নাজমুল হুদা হত্যা মামলায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু তাহেরের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলেও, মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়নি।

কর্নেল হুদা হ ত্যা য় আবু তাহেরের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমিতে সংঘটিত কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমসহ তিন সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিল। হত্যাকাণ্ডের ৪৭ বছর পর দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, তাতে এই ঘটনাকে ‘পালটাপালটি অভ্যুত্থানের জটিল পরিস্থিতিরই ধারাবাহিক অংশ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জাসদ নেতা লে. কর্নেল আবু তাহেরের (অব.) নির্দেশ ছিল, যা পেনাল কোডের ৩০২/১০৯/৩৪ ধারার অপরাধ হিসেবে সত্য প্রমাণিত।

তবে সামরিক আদালতে সেনা কর্মকর্তা হত্যার দায়ে ইতোমধ্যেই লে. কর্নেল আবু তাহেরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায়, অপরাধ সত্য প্রমাণিত হলেও তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়নি।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান অভিযুক্ত এবং হুকুমের আসামি—তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান, মেজর (অব.) মো. আবদুল জলিল ও মেজর (অব.) আসাদ উজ্জামানের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য, সাক্ষ্য বা প্রমাণ সিআইডি খুঁজে পায়নি। ফলে সিআইডি তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে।

২০২৩ সালের ১০ মে তারিখে নিহত নাজমুল হুদার মেয়ে নাহিদ ইজাহার খান মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এমপি হোস্টেলে নাজমুল হুদাসহ অন্য দুই সেক্টর কমান্ডার—মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল এটিএম হায়দার বীর-উত্তমকে দশম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যরা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেন।

সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাক্ষীর জবানবন্দি ও সামরিক নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৪ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ কর্তৃক জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা এবং ৭ নভেম্বর লে. কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করার জন্য পালটা অভ্যুত্থান ঘটানোর প্রেক্ষাপটেই কর্নেল হুদা প্রাণ হারান। এই পুরো ঘটনাটিই ছিল সেই সময়ের অভ্যুত্থান-পালটা অভ্যুত্থানের এক জটিল ঘাত-প্রতিঘাত। এজাহারভুক্ত অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততার পক্ষে কোনো সাক্ষী বা তথ্য প্রমাণ না পাওয়ায় সিআইডি তাদের অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz