মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

ইসলামপন্থিদের মাস্টারপ্ল্যান: ২২০ আসন চায় শরিকরা, কী করবে জামায়াত?

With allied parties demanding 220 seats, Jamaat faces a strategic challenge in finalizing candidate lists for the national polls.

ইসলামপন্থিদের মাস্টারপ্ল্যান: ২২০ আসন চায় শরিকরা, কী করবে জামায়াত?

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সমঝোতার পথে হাঁটছে আটটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে জামায়াতে ইসলামীর কাছে শরিক দলগুলো মোট ২২০টি আসনের দাবি উত্থাপন করেছে। যদিও শুরুতে জামায়াত ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে এককভাবে মাঠে সক্রিয় ছিল, তবে বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে এখন তারা আসন ছাড়ের মানসিকতা দেখাচ্ছে। দলগুলোর চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো—কোনো আসনেই যেন ইসলামি দলগুলোর ভোট ভাগ না হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১২০টি আসনের দাবি তোলা হলেও দলটির মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানিয়েছেন, তারা আসলে একটি দলের মতোই কাজ করছেন। জয়ের নিশ্চয়তা থাকলে অন্য দলের প্রার্থীকেও সমর্থন দিতে তাদের দ্বিধা নেই। অন্যদিকে, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আব্দুল কাদের তার দলের জন্য ৩০টি আসন চেয়েছেন এবং নিজে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। যদিও ঐ আসনে জামায়াত অন্য এক প্রার্থীকে মনোনীত করেছে, তবুও ১৬ ডিসেম্বরের বৈঠকে এ জাতীয় জটিলতাগুলো নিরসন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লিয়াজোঁ কমিটি আগামী দু-একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে। সমঝোতা অনুযায়ী, প্রতিটি আসনে জোটের পক্ষ থেকে মাত্র একজন প্রার্থী থাকবেন। যদিও তারা কোনো একক প্রতীকে লড়ছেন না, তবুও তাদের মধ্যে একটি কৌশলগত চুক্তি হয়েছে যে, যে দলের প্রার্থী যেখানে শক্তিশালী, বাকি দলগুলো তাকেই সর্বাত্মক সমর্থন দেবে। শরিকদের এই বিশাল চাহিদার বিপরীতে জামায়াত শেষ পর্যন্ত কতটি আসন নিজেদের জন্য রাখতে পারে, তা এখন দেখার বিষয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা সফল হলে নির্বাচনের মাঠে ইসলামি দলগুলো একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz