মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর সাক্ষাৎজিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতার শ্রদ্ধাসাভারে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধআওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয়

নির্বাচন ও সীমান্ত সুরক্ষা: দিল্লির ‘নসিহত’ প্রত্যাখ্যান করে ঢাকার কড়া বার্তা

বাংলাদেশের নির্বাচন ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের ‘নসিহত’ করার প্রয়োজন নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

নির্বাচন ও সীমান্ত সুরক্ষা: দিল্লির ‘নসিহত’ প্রত্যাখ্যান করে ঢাকার কড়া বার্তা

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর জবাব দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে নির্বাচন কেমন হবে বা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে ভারতের কোনো উপদেশের বা ‘নসিহতে’র প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর ধরে দেশে যে অগণতান্ত্রিক পরিবেশ ছিল, তা কাটিয়ে একটি উচ্চমানের ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে সরকার কাজ করছে। ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের বক্তব্যকে ‘উসকানিমূলক’ বলার পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা উত্তরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভারতের ভূখণ্ডে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রসঙ্গটি সামনে আনেন।

একই সময়ে সীমান্তে নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ায় সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান মনে করেন, অপরাধীরা যদি অপরাধ করে এভাবে সহজে সীমান্ত পার হতে পারে, তবে তা দেশের নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ হুমকি। তিনি সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন যেন সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং দিল্লির কাছে ওই নির্দিষ্ট অপরাধীকে হস্তান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিক ও জোরালো অনুরোধ জানানো হয়।

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের এই আবহে নয়াদিল্লি ও ঢাকা উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড়। ভারত তার ভূখণ্ড থেকে বাংলাদেশবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করলেও ঢাকা মনে করছে, শেখ হাসিনাসহ দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়া বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী। সাবেক রাষ্ট্রদূত এম সফিউল্লাহর মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই সম্পর্কে বড় কোনো ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং অপরাধীদের হস্তান্তরের মতো বিষয়গুলোতে দুই দেশের ঐকমত্যে আসা প্রয়োজন। ঢাকার এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো ধরনের আপস করতে রাজি নয়।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz