রাজনীতি

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিমানবন্দর ও সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে বিএনপি নেতারা

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিমানবন্দর ও সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে বিএনপি নেতারা

আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীতে এক বিশাল সংবর্ধনার পরিকল্পনা করছে বিএনপি। এই সংবর্ধনার সার্বিক নিরাপত্তা এবং জায়গার উপযোগিতা যাচাই করতে বুধবার বিমানবন্দর ও এর আশেপাশের এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল ও ভিআইপি প্রটোকল নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে প্রাথমিক আলোচনা করেন। ১১টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমান অবতরণ করার পর তাকে কীভাবে সংবর্ধনা মঞ্চে নেওয়া হবে, সেটিই এখন বড় আলোচনার বিষয়।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য দেশের সমস্ত জনগণের মধ্যে যে আবেগ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তা ব্যবস্থাপনা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সংবর্ধনার স্থান হিসেবে ৩০০ ফিট এলাকা আলোচনায় থাকলেও কমিটি আরও কয়েকটি জায়গা পর্যবেক্ষণ করছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো জনদুর্ভোগ কমানো। বিএনপি চায় না এমন কোনো আয়োজন করতে যাতে সাধারণ যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাতায়াতে বা ঢাকার রাস্তায় চলাচলে সমস্যা হয়। তাই জনস্বার্থ ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব—উভয় দিক বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ তারেক রহমানকে ‘আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গণতন্ত্রকে অবমুক্ত করার মূল কারিগর তারেক রহমান। ১৭ বছরের কষ্টের প্রবাস জীবন কাটিয়ে তিনি ফিরছেন এমন এক সময়ে যখন দেশের মানুষ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। তার এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মনোবল আরও চাঙা হবে এবং জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হবে। সংবর্ধনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঢাকা আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

পরিদর্শনকালে বিএনপির সিনিয়র নেতা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। যেহেতু তিনি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে আসছেন, তাই সাধারণ যাত্রীদের যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে তারা সজাগ। পুরো আয়োজনটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করছে সংবর্ধনা কমিটি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংবর্ধনার মূল মঞ্চ ও সঠিক স্থান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।