জাতীয়

ধ্বংস নয়, ওসমান হাদি চেয়েছিলেন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন: বান্নাহ

ধ্বংস নয়, ওসমান হাদি চেয়েছিলেন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন: বান্নাহ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সমসাময়িক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ওসমান হাদিকে নিয়ে নতুন এক ব্যাখ্যা নিয়ে হাজির হয়েছেন নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, হাদির সংগ্রামকে কেবল ধ্বংসলীলা বলাটা হবে একপাক্ষিক বিচার। এটি মূলত একটি সাংস্কৃতিক মুক্তি বা শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। বর্তমান সময়ে সংস্কৃতির নামে যা চলছে, তার বিরুদ্ধে হাদির লড়াই ছিল সময়োপযোগী এবং অপরিহার্য। বান্নাহ মনে করেন, আমাদের সমাজের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের জন্য এই ধরনের সংগ্রাম অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল।

এই লড়াইয়ের গভীরে রয়েছে এক দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ এবং পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। বান্নাহর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ওসমান হাদি কোনো বিশৃঙ্খলাকারী নন, বরং তিনি একজন সাংস্কৃতিক যোদ্ধা। তিনি এমন একটি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন যা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করে আসছিল। তার এই 'সাংস্কৃতিক যুদ্ধ' সমাজের রক্ষণশীল ও ভ্রান্ত ধারণার মূলে কুঠারাঘাত করেছে। বান্নাহ বিশ্বাস করেন যে, হাদির কর্মকাণ্ডের ফলে ভবিষ্যতে আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান শুরু হবে।

পরিশেষে বান্নাহ উল্লেখ করেন যে, ওসমান হাদির এই পথচলা অনেককে বিচলিত করলেও এটি একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা। যারা শিল্প ও সংস্কৃতির শুদ্ধতা চান, তারা হাদির লড়াইকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে আগামী দিনে তরুণ সমাজ নতুন করে ভাবতে শিখবে এবং প্রচলিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাবে। ওসমান হাদির এই বীরত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত অধ্যায়টি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।