মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর সাক্ষাৎজিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতার শ্রদ্ধাসাভারে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধআওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয়

তিন বাহিনী প্রধান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সিইসির বিশেষ সভা

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে জরুরি বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন

তিন বাহিনী প্রধান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সিইসির বিশেষ সভা

তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী মাঠের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এন নাসির উদ্দিন তিন বাহিনীর প্রধানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন। আগারগাঁওয়ের ইসি সচিবালয়ে ২১ ডিসেম্বর এই উচ্চপর্যায়ের সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ইসি সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় এই সভায় নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সভায় তিন বাহিনীর প্রধানদের পাশাপাশি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নিরাপত্তার ঝুঁকিগুলো তুলে ধরবেন। সিইসি এই ঝুঁকিগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবেন।

বিশেষ করে এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণবিধি প্রতিপালনের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হবে। ২০২৫ সালের নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থী বা দল যেন প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে ব্যাপারে সশস্ত্র বাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা বা দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও এই সভায় আলোচনা হতে পারে। এছাড়া ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জন্য একটি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরির প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হবে।

সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো যৌথ বাহিনীর অভিযান। দেশের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে এই সভায় প্রতিবেদন পেশ করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন চায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বরের আগেই দেশজুড়ে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে।

বিশ্লেষকদের মতে, গণভোট ও সংসদ নির্বাচন একই দিনে হওয়ায় নিরাপত্তার চাপ আগের চেয়ে অনেক বেশি থাকবে। এই চাপ সামলাতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এই বৈঠকটি মূলত সেই সমন্বয়ের ভিত্তি স্থাপন করবে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সারা দেশের জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে পরবর্তীতে নির্দেশনা পাঠানো হবে।

এই সভার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমের নতুন একটি রূপরেখা পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভোটারদের নিরাপত্তা এবং অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের এই কঠোর অবস্থান জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz