পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে উত্তাল হাওয়া। তোশাখানা-২ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির ১৭ বছরের কারাদণ্ডের পর পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। কারাবন্দি নেতা ইমরান খান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা এখন অকার্যকর এবং ন্যায়বিচারের শেষ দরজাও বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় রাজপথের আন্দোলনকেই তিনি একমাত্র সমাধানের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। শনিবার খাইবার পাখতুনখোয়া হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পিটিআই মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা এই কঠোর বার্তা জনসম্মুখে আনেন।
ইমরান খানের ওপর আরোপিত 'সলিটারি কনফাইনমেন্ট' বা একাকী কারাবাসের বিষয়টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক চরম উদাহরণ হিসেবে দেখছে তার দল। আইনজীবীদের অভিযোগ, তাকে পরিবার ও আইনজীবীদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। এমনকি আদালতের কার্যক্রমেও আনা হয়েছে নজিরবিহীন পরিবর্তন, যেখানে সশরীরে উপস্থিতির বদলে ভিডিও লিঙ্কের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। ইমরান খান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের কোনো দমন-পীড়নে তিনি মাথানত করবেন না। শাহাদাতের বিনিময়ে হলেও জনগণের মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তিনি বদ্ধপরিকর। পিটিআই সমর্থকরা এখন সারা দেশে এক বিশাল গণবিস্ফোরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।