গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ তিন বাহিনীর প্রধানদের সাথে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন সিইসি। বৈঠকে দেশের বর্তমান অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী যেন কোনো ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকে তাদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে পারে, সেই বিষয়েও বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিন বাহিনীর প্রধানগণ তাদের প্রস্তুতির কথা কমিশনকে অবহিত করেছেন এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে তাদের বিশেষ ইউনিটের সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেছেন।
নির্বাচন ভবনের এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উঠে এসেছে নির্বাচনী সহিংসতা দমনের প্রসঙ্গ। বিশেষ করে সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারির বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী তারা নির্দিষ্ট সময় থেকে মাঠে সক্রিয় থাকবে। জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষায় তারা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। এই বৈঠকের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে নির্বাচনের আমেজ ও নিরাপত্তার সংকেত পৌঁছানোই কমিশনের মূল লক্ষ্য।