মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

দিল্লির ‘বাংলা ভীতি’: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে বর্তমানের সীমান্ত উত্তেজনা

দিল্লির সিংহাসনে বাঙালির প্রভাব এবং বর্তমান সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর একটি বিশেষ সম্পাদকীয় প্রতিবেদন।

দিল্লির ‘বাংলা ভীতি’: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে বর্তমানের সীমান্ত উত্তেজনা

দিল্লির রাজনীতিতে বাঙালি সবসময়ই এক আতঙ্কের নাম। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যখনই বাংলা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, তখনই দিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কেঁপে উঠেছে। গোলাম মাওলা রনি তার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন যে, ব্রিটিশ আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাকে দাবিয়ে রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নির্বাসিত বিপ্লবীদের ৯০ শতাংশই ছিল বাঙালি, যা প্রমাণ করে এই জাতির লড়াকু মানসিকতা।

বর্তমানে সীমান্তে বিএসএফ-এর টহল বৃদ্ধি এবং ভারতীয় জনতা পার্টির নেতাদের বক্তব্যে এক ধরণের অস্থিরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদী অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের ফলে পশ্চিমবঙ্গের জনমিতি বদলে যাচ্ছে। এই বক্তব্য মূলত পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনে হিন্দুত্ববাদী কার্ড খেলার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এর ফলে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে চির ধরতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ নেতৃত্বের উত্থান দিল্লিকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। আগে যেখানে ভারতের থিংক-ট্যাংকগুলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে দ্বিধা করত, এখন তারা নির্দিষ্ট ছাত্র নেতাদের নাম উল্লেখ করে বক্তব্য দিচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে, দিল্লির নীতিনির্ধারকরা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছেন এবং কোনো এক অদৃশ্য ভয়ে তারা তাড়িত।

এই অঞ্চলে এখন সম্পদের লড়াই শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের ভূ-গর্ভস্থ সম্পদ এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো এখানে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। ভারত মনে করছে, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ যদি রাজনৈতিকভাবে এক সুরে কথা বলতে শুরু করে, তবে তা দিল্লির জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এই আশঙ্কা থেকেই সীমান্তে কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক বিষোদগার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি অত্যন্ত জরুরি। দিল্লির একপাক্ষিক আধিপত্যবাদী মনোভাব এই অঞ্চলের শান্তি প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে, যার প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz