মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা জোরদার: আবেদন করছেন প্রার্থীরা

Candidates seek personal security and arms licenses ahead of the national election.

নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা জোরদার: আবেদন করছেন প্রার্থীরা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ও শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সরকারের কাছে লিখিতভাবে নিরাপত্তা ও অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছেন বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ সমমনা দলগুলোর বহু নেতা। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মতে, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র এবং জুলাই যোদ্ধাদের ওপর প্রতিহিংসামূলক হামলার আশঙ্কা থাকায় এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন এবং জাফির তুহিনসহ বেশ কয়েকজন প্রার্থীর আবেদন ইতোমধ্যে মঞ্জুরির পথে রয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ১২ জন নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আবেদন করেছেন। গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, ফ্যাসিবাদী শক্তির অবশিষ্টাংশ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে যারা বিগত আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, তাদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এবং ডিএমপি যৌথভাবে এই ঝুঁকি বিশ্লেষণ করছে। অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঝুঁকি বুঝে পুলিশ সুপার ও রেঞ্জ ডিআইজিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী জনসভা ও মিছিলগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গতিবিধিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে ১২ ডিসেম্বরের শোকাবহ ঘটনাটি বড় প্রভাব ফেলেছে। সেদিন জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর সরকার উপলব্ধি করেছে যে, রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা কেবল তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং এটি জাতীয় স্থিতিশীলতার অংশ। তবে সবাইকে গানম্যান দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জনবল পুলিশ বাহিনীতে নেই। তাই যারা অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিতে আছেন, তাদের বিশেষ সতর্কতামূলক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে স্থায়ী নিরাপত্তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz