আগামী ২৫শে ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় ধরনের বাঁকবদল হতে যাচ্ছে। বিএনপি এই দিনটিকে তাদের শক্তির মহড়া হিসেবে দেখছে এবং লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যাতে রাজধানী ঢাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। কিন্তু এই মহোৎসবের বিপরীতে বিরোধীদের একটি শক্তিশালী অংশ এই আয়োজন ভণ্ডুল করার জন্য পর্দার অন্তরালে নানা পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গোলাম মাওলা রনির তথ্যমতে, তারেক রহমানের এই আগমন সফল হলে অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেমন জামায়াত বা এনসিবি-র রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। এছাড়া বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং অন্যান্য রাজনৈতিক স্টেকহোল্ডারদের ওপর বিএনপির চাপ বহুগুণ বেড়ে যাবে। এই রাজনৈতিক আধিপত্য ঠেকানোর জন্য বিরোধীরা উসমান হাদীর মৃত্যু বা জানাজার আবেগকেও রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সংবর্ধনা স্থলে জনসমাগমকে ছত্রভঙ্গ করতে কৃত্রিম আতঙ্ক সৃষ্টি বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে।
এই প্রতিবেদনটি নির্দেশ করে যে, শুধু বিএনপি নয়, বরং সরকারের প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক মহলও এই দিনটির ওপর গভীর নজর রাখছে। তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপির নিজস্ব বাহিনীর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। যদি নিরাপত্তা বলয় ভেঙে কোনো অঘটন ঘটে, তবে তা দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করতে পারে। শেষ পর্যন্ত বিএনপি তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।