জাতীয়

বিমানবন্দর এলাকায় কড়াকড়ি: দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধে যাত্রীসেবায় নতুন মাত্রা

বিমানবন্দর এলাকায় কড়াকড়ি: দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধে যাত্রীসেবায় নতুন মাত্রা

দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে দর্শনার্থী প্রবেশে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। অনেক সময় দেখা যায়, একজন যাত্রীর সাথে ৫ থেকে ১০ জন পর্যন্ত দর্শনার্থী আসেন, যা বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি করে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই কর্তৃপক্ষের এই বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে ভিড় কমার পাশাপাশি টয়লেট, লিফট এবং ট্রলি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রকৃত যাত্রীরা বেশি সুযোগ পাবেন।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন সংস্থার (ICAO) নির্দেশিকা অনুযায়ী বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের বড় দায়িত্ব। দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার ফলে এখন গোয়েন্দা নজরদারি চালানো অনেক সহজ হবে। ইতিপূর্বে ভিড়ের মধ্যে পকেটমার বা দালালের খপ্পরে পড়ে অনেক যাত্রী বিড়ম্বনার শিকার হতেন। বর্তমান এই কড়াকড়ির ফলে দালাল চক্রের তৎপরতাও শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর করার পর থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। যারা দূর-দূরান্ত থেকে যাত্রী নিতে আসছেন, তাদের জন্য নির্দিষ্ট ওয়েটিং এরিয়া ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের কিছুটা ভোগান্তি হতে পারে, তবে বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তা ও যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনা করে এটিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ। যাত্রীসেবা উন্নত করতে এই কঠোর অবস্থান আগামী দিনগুলোতেও বজায় রাখার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।