মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর সাক্ষাৎজিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতার শ্রদ্ধাসাভারে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধআওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয়

ডিভোর্স দেওয়ায় হাসপাতালে ঢুকে নার্সকে কুপিয়ে জখম

সুলতানা জাহান ডলি (৪৬) নামের এক নার্সকে কুপিয়ে জখম করেছেন তার সাবেক স্বামী আমিরুল ইসলাম।

ডিভোর্স দেওয়ায় হাসপাতালে ঢুকে নার্সকে কুপিয়ে জখম

ডিভোর্স দেওয়ায় ক্ষোভে পাবনার চাটমোহরে হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় সুলতানা জাহান ডলি (৪৬) নামের এক নার্সকে কুপিয়ে জখম করেছেন তার সাবেক স্বামী আমিরুল ইসলাম। ঘটনার পর দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল পৌন ৮টার দিকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। 

গুরুতর আহত অবস্থায় সুলতানা জাহান ডলিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়ে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই ভর্তি রাখা হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের মল্লিকবাইন গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে।

সুলতানা জাহান ডলি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা যুগান্তরকে জানান, আমিরুল ইসলাম বর্তমানে একটি বাহিনীতে রাঙামাটি কর্মরত। প্রায় তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। আমিরুল ইসলাম ও সুলতানা জাহান ডলির প্রত্যেকেরই এটি দ্বিতীয় সংসার। বিয়ের পর থেকেই নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয় এবং পরপর দুইবার তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। পরে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে তারা আবারও সংসার শুরু করেন।

প্রায় দুই মাস আগে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন সুলতানা জাহান ডলি। এরপর আবারও তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে চলতি মাসের ৩ জানুয়ারি তিনি আমিরুল ইসলামকে ডিভোর্স দেন।    

ডিভোর্স দেওয়ার পর থেকেই আমিরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন সুলতানা জাহান ডলি। শুধু তাই নয়, তিনি সুলতানা জাহান ডলির নগ্ন ছবি হাসপাতালে কর্মরত বিভিন্ন নার্সের মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে চরিত্রহননের চেষ্টা চালান বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করলে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আমিরুল ইসলাম।

শুক্রবার সকালে নাইট ডিউটি শেষে বাসায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সুলতানা জাহান ডলি। এ সময় হঠাৎ জরুরি বিভাগে প্রবেশ করে আমিরুল ইসলাম হাতে থাকা ধারাল অস্ত্র দিয়ে তার গলা, পেট, দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ। ঘটনার পর হাসপাতালে কর্মরত অন্যান্য নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

চাটমোহর থানার ওসি গোলাম সরওয়ার হোসেন যুগান্তরকে জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz