আর মাত্র ছয়দিন পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের পর বিজয়ীদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হতে পারে আগামী ১৫ অথবা ১৬ ফেব্রুয়ারি। তবে কোনো কারণে এ সময়ের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্ভব না হলে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সর্বোচ্চ দ্রুততম সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পন্ন হবে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, যদি তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য ডাকা হয়, তবে হস্তান্তর ১৫ অথবা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হতে পারে। এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না।
গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর দ্রুত করা হবে। তিনি বলেন, ক্ষমতা ১৮০ কার্যদিবস ধরে রাখা হবে- এমন অপপ্রচারের কোনো ভিত্তি নেই।
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আরও বলেন, আমরা গতকালও পরিষ্কার করেছি যে নির্বাচনের পরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে সরকার যত দ্রুত সম্ভব ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। কিছু পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে যে সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতা ধরে রাখবে। এটি অসৎ ও উদ্দেশ্যমূলক, জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা। প্রথম থেকেই সরকার নিশ্চিত করেছে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার তুলে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ১৮০ কার্যদিবসের বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি নেই। এ সময়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা পাশাপাশি প্যারালাল কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি এবং গণপরিষদে সদস্য হিসেবে কাজ করবেন। জুলাই চার্টারের সংশ্লিষ্ট সংস্কার ও ধারা ঠিক করা হবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না।