মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

হরমুজ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা গোছানোভাবে চলছে না। এখনও অনেক কিছু নিয়েই দুই দেশের সিদ্ধান্তে আসা বাকি, বিশেষ করে হরমুজ নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের পর আলোচনায় গতি আসবে।

হরমুজ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক :   

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা গোছানোভাবে চলছে না। এখনও অনেক কিছু নিয়েই দুই দেশের সিদ্ধান্তে আসা বাকি, বিশেষ করে হরমুজ নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের পর আলোচনায় গতি আসবে।

সাবেক মার্কিন কূটনীতিবিদ অ্যালান আইরির মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরান এখনও হরমুজ খোলা রাখা নিয়ে একমত হতে পারেনি। লেবানন পরিস্থিতি ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কীভাবে কী করা হবে, সে বিষয়টিও স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, ‘পরমাণু বিষয়ে সবচেয়ে বড় যে লক্ষ্য, সেটি এরই মধ্যে একপাশে সরিয়ে রাখা হয়েছে।’

আইরি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করতে ও হরমুজ খুলতে চাচ্ছেন। কারণ, তিনি বুঝতে পেরেছেন, ওই জলপথ যতদিন বন্ধ থাকবে বা আটকা থাকবে, ততই নিজ দেশে অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়বেন তিনি। সাবেক এই কূটনীতিবিদ বলেন, ‘তারা কখনও পরমাণু সমঝোতা করতে পারবে কিনা, তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।’

এদিকে, গত সপ্তাহজুড়ে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল বাড়তে দেখা গেছে। ১ জুলাই থেকে প্রতিদিন গড়ে অন্তত আটটি করে নৌযান হরমুজ পার হচ্ছে। জুনের শেষ সপ্তাহেও এটি ছিল দৈনিক গড়ে সাতটির ঘরে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত চলাকালে এটি কমে এক বা দুইয়ে চলে এসেছিল।

নৌযান চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হচ্ছে, মালিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন হরমুজ খোলা থাকা ও পার হওয়ার ওপর নির্ভর করতে পারছে। লয়েড’স লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের দেওয়া তথ্যানুসারে, ২৮ জুন পর্যন্ত ২৫৮টি নৌযান ওই অঞ্চল পার হয়েছে।

তবে এখনও নৌ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের তেল ও গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ ওই জলপথ দিয়ে পার হতো, যা হিসাবে দৈনিক প্রায় ১৩৫টি নৌযান।

এদিকে, শুধু বাণিজ্যিক নৌযান নয়, হরমুজ প্রণালির জলপথের আশপাশে ফিরতে শুরু করেছেন জেলেরাও। বিবিসির প্রতিবেদকরা ইরানি শহর বন্দর আব্বাসের বন্দরগুলোতে তাদের উপস্থিতি দেখেছেন।

যুদ্ধ অবসানে তেহরানের হুঁশিয়ারি

যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করলে, তেহরান জবাব দেবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএকে দেওয়া তথ্যানুসারে, ‘আমরা সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। আর যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসন যদি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইরান যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গালিবাফ। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ইরানকে প্রতিহত করতে পারবে না এবং ইসরায়েলের হুমকি মূলত ‘ভিত্তিহীন প্রচারণা’।

আলোচনার মধ্যে আরাঘচি বা গালিবাফকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ আলোচকদের হত্যার পরিকল্পনা করছে। এটি এমন সময়ে করা হচ্ছে, যখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির শান্তি আলোচনা চলছে। বর্তমান ও কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন তথ্যটি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বা পার্লামেন্টের স্পিকার গালিবাফকে হত্যার চেষ্টা চালালে পুরো আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হত্যা করাকে কৌশল হিসেবে বেছে নিয়েছে ইসরায়েল।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz