মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশেষ সংবাদ

পর্ব-১ ঢাকা জুড়েই ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের মহোৎসব নেপথ্যে রাজউক’র সংশ্লিষ্টদের পোয়াবারো

পর্ব-১ ঢাকা জুড়েই ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের মহোৎসব নেপথ্যে রাজউক’র সংশ্লিষ্টদের পোয়াবারো

পর্ব-১ ঢাকা জুড়েই ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের মহোৎসব নেপথ্যে রাজউক’র সংশ্লিষ্টদের পোয়াবারো


কামরুজ্জামান মিল্টন
এখন রাজধানীর উন্নয়ন, মানে-যেন অবিরত দালান-কোঠা তৈরীর যথেচ্ছা প্রতিযোগিতার নেপথ্যে অবিরত জনদুর্ভোগ ও ভয়াবহ কোন দূর্যোগের হাতছানি। যদিও তা নিয়ন্ত্রনের দায়িত্বে রয়েছে-সরকারের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নামের একটি বৃহদাকারের প্রতিষ্ঠান। তবুও কমার বদলে নির্বিকারে বাড়ছে-ওই নিরবচ্ছিন্ন নানা জনদুর্ভোগসহ ভয়াবহ দূর্যোগের আশঙ্কা। আর ওই যথেচ্ছা প্রতিযোগিতায় ভুক্তভোগী কেউ না কেউ রাজউক’এ অভিযোগ করছে। 
 কিন্তু রাজউক’এ ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের অভিযোগ করা মানেই হলো- রাজউক’র লোকজনের পোয়াবারো অর্থাৎ পকেট ভারি করা। প্রতিনিয়ত পড়ছে-অগনতি অভিযোগ। তার কয়টিই বা আমলে নিচ্ছে রাজউক। নিলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। শুধু তাদের পকেট ভরছে। এসব কথা জানান একাধিক ভুক্তভোগী । 
ভুক্তভোগীরা আরো জানায়,রাজধানী জুড়েই রাজউক‘র ইমারত নির্মান ‘বিধি’র হেরেফের যেন জন্য একটা মামুলি ঘটনায় পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে অঞ্চল ভিত্তিক জনদুর্ভোগ অথবা ব্যাক্তিগত ভোগান্তির শিকাররা প্রতিনিয়ত সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের দারস্থ হয়েও সুফল পাচ্ছে না। বরং বেশীর ক্ষেত্রেই তথ্য ফাসের দোষারোপের শিকার হচ্ছে অভিযোগকারীরা। আর এ সুযোগে লঙ্ঘনকারীরা ও রাজউক‘র লোকজন অবৈধ স্বার্থ রক্ষার সম্পর্কে জড়াচ্ছে।  
আরো জানায়, রাজউক‘র অন্য সব অঞ্চলের কথা পড়ে থাক। খোদ সদর কার্যালয়ের জোন ও সাব জোনগুলোর আওতাধীন এলাকাগুলোতেই সংশ্লিস্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চোখের সামনেই লক্ষ্যনীয় মাত্রায় ওই ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘন বা হেরফের যেন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। আর তাতে জনদুর্ভোগ অথবা ব্যক্তিগত ভোগান্তি অসহনীয় ও সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় গিয়ে দাড়াচ্ছে। ফলে বিভিন্ন পর্যায়ের ভোগান্তির শিকার লোকজন নিরুপয় হয়ে রাজউক‘র দারস্থ হচ্ছে, রেওয়াজ ভিত্তিক লিখিত-অলিখিত অভিযোগ করছে। কিন্তু তাতে সুফল মেলার বদলে ক্ষেত্র বিশেষে মিলছে-ওই সব অনিয়মকারী অর্থাৎ ‘ইমারত নির্মান বিধি’ লঙ্ঘনকারীদের হুমকি-ধমকিসহ মারমুখি নানা আচরন। আর এর নেপথ্য ইন্দোনদাতা হিসেবে কাজ করছে- রাজউক‘র ওই সব জোন সংশ্লিস্ট কতিপয় ঘুষবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী। মানে- জোনাল অথরাইজড অফিসার ,ইন্সপেক্টরসহ আরো অনেকে।‘বিধি’ লঙ্ঘনকারী ও ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীদের এ অর্ন্তদন্দের সুযোগে তারা ‘কর্মকর্তা-কর্মচারী’ কার্যকরীরা পদক্ষেপের বদলে অবৈধ সুবিধা আদায় করছে, নিয়মিতের পথ খোলা রাখছে। সোজা কথায়-ওই সব ‘বিধি’ বর্হিভুতভাবে ভবন নির্মানকারী মালিক বা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সখ্যতা গড়ে,তাদের কাছ থেকে রাজউক‘র ওই সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নগদ-বাকি কিছু খরচা হাতিয়ে তাদের অভয়সহ নিরাপদ থাকার পথ পর্যন্ত বাতলে দিচ্ছে।
আরো জানায়, রাজউক‘র খোদ সদরের অধীনস্থ জোন ও সাব-জোনগুলোতেই তো দীর্ঘদিন ধরে ‘বিধি লঙ্ঘন’প্রবনতা যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। সদরের আশ-পাশ ঘেষা জোন ‘ছয়’ ও তার সাব-জোন মতিঝিল,পল্টন ও রামপুরা,খিলগাঁওসহ ব্যাক্তি মালিকানা থেকে শুরু করে আবাসন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর ইমারত নির্মানে দিব্বি ওই ‘বিধি’মানার বদলে রাজউক‘র সংশ্লিস্ট কর্মচারী-কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করেন। তাদের খুশি-খোশাল রেখে নির্মান ‘বিধি’র পাশ কাটিয়ে তুমুল বেগে উঠে পড়ছে- অসংখ্য বহুতল ভবন নামের গগনচুম্বি দালানও। আর তাতে অন্য সব এলাকার চেয়ে তুলনামূলক এ গুরুত্বপূর্ন এলাকায় ‘জোন-৬’ বাড়ছে বিভিন্ন পর্যায়ের ভুক্তভোগীর সংখ্যাও। প্রতিনিয়ত এসব এলাকার অসংখ্য ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীদের নিছক শান্তনার দৌড়ের অভিযোগ পড়ছে রাজউক‘র খাজার বাক্সরুপী অভিযোগ বাক্সে। আর তাতে শুধু খাদেমরুপী অথরাইজড অফিসার, ইন্সপেক্টরসহ তাদের কিছু সহযোগীদের কপাল খুলছে। তার মানে-ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই তারা সময় মত নিরবে ঘটনাস্থলে পৌছাচ্ছে অথবা লঙ্ঘনকারীকে ডেকে রফাদফা করে পকেট মোটাতাজা করছে। 
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানীর সর্বত্রই বড় বড় দালান নির্মিত হচ্ছে,অলি-গলিতেও নির্মিত হচ্ছে সু উচ্চ ইমারত। এর মানে-রাজধানীর আবাসনের উন্নয়ন হচ্ছে ঠিকই। তবে এর তো রয়েছে-একটি বিধান, রয়েছে-প্রয়োগকারী সংস্থা । যেটাকে বলা হয়- রাজউক‘র “ইমারত নির্মান বিধি”। সেটি পুরোপুরি মানা হচ্ছে কিনা, সেটাই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। রাজধানীর সব দিকেরই নির্মিত ও নির্মানাধীন বড় বড় দালানগুলোর দেখলে মনে হয়-কোথায়,কিসের? “ইমারত নির্মান বিধি”। এমন কি খোদ রাজউক‘র সদরের আওতাধীন জোন,সাব-জোন গুলোতেও নক্সা অনুমোদনের পর ব্যক্তি মালিকানা হোক আর আবাসন ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান হোক, সবাই যেন তার পুরো জায়গাটা জুড়েই দালান তুলতে ব্যস্ত। অন্য সব নিয়ম মানা থাক দুরের কথা,এক ফোঁটা জায়গাও যেন ছাড়তে নারাজ। হোক তাতে-অন্যের সমস্যা কিংবা জনদূর্ভোগ। আর এব্যাপারটা নতুনও নয়। দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। ইদানিং তার আরো বেকায়দায় অবস্থায় গিয়ে দাড়িয়েছে। ‘বিধি’ বহির্ভুতভাবে সর্বত্রই কোনায়-কানায়,চিপায়-চাাপায়ও গড়ে উঠছে-বহুতল ভবন। তাতে চলাচলের পথ ঠিকমত আছে কিনা? জনদুর্ভোগ বা অন্যের কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা ? ক্রান্তিকালের কোন বিপত্তি হবে কিনা? এসব বিষয় এড়িয়ে শুধু দালান উঠোনোর মহাতৎপরতা। আর তা’ই ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে জনদুর্ভোগ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। কেউ সাহস করে ওই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক‘এ অভিযোগ করেও খুব একটা সুফল পায়না। কারণ ওই কর্তৃপক্ষের দায়িত্বরতরা অনৈতিক সুযোগ নিয়ে নিয়ম ভঙ্গকারীদের ব
াচিয়ে রাখেন। 
তাদের মতে, এভাবে রাজউক‘র বিশেষ মাঠ পর্যায়ের লোকজনের স্বার্থ সংশ্লিস্ট হেয়ালিপনায় রাজধানী জুড়ে নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের সমস্যা ধীরে ধীরে আরো জটিল থেকে জটিলতর অবস্থায় গিয়ে দাড়াচ্ছে। যা অদুর ভবিষ্যতে নিমতলী, ছুরিহাট্ট বা বেইলি রোড’র মত বড় কোন দুর্যোগপূর্ন পরিস্থিতে আরো বড় সংকট তৈরী আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। আর এর থেকে উত্তরনের পথ একটাই জনগনকে আরো সজেতন হতে হবে। রাজউক‘কে শক্তিশালী ও হীনস্বার্থের গন্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আইনি কাঠামোকে ঢেলে সাজাতে হবে। 
নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে রাজউক‘র জনৈক কর্মকর্তা জানান, ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের বিষয়টা বেশ আগের থেকেই অনেকটা গতানুগতিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। আর এর জন্য বেশী দায়ী রাজউক‘র মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাসহ সংশ্লিস্ট প্রশাসনের কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তা। এ কারণেই অন্যান্য জোন দুরে থাক। খোদ সদর কার্যালয়ের জোন ও সাব জোনগুলোর আওতাধীন এলাকাগুলোতেই নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের প্রবনতাটা দিন দিন বেশামাল হয়ে উঠছে। প্রতিনিয়তই তাতে জনদুর্ভোগসহ নানা ভোগান্তি তৈরী করছে। অসংখ্য বিভিন্ন শ্রেণীর ভুক্তভোগী রাজউক‘র দারস্থ হচ্ছে,আবেদন,নিবেদন করেছে। কিন্তু তাতে খুব কমই সুফল মিলছে। কারণ-দায়িত্বরতরা অভিযোগ তদন্তের নামে অবৈধ স্বার্থ হাসিল করছে, নিজেদের পকেট ভারি করছে। আর অনিয়মকারী বা ‘বিধি’ লঙ্ঘনকারী থাকছে বহাল তবিয়্যতে।
রাজউক‘র জোন-৬’র পরিচালক আবু সালেহ মোহম্মদ জাকারিয়ার সাথে এব্যাপারে জানতে চাইলে, তিনি 

সরেজমিনে জানা যায়, এ সব এলাকার বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলে মিলে ‘বিধি’ লঙ্ঘন’র গতানুগতিক চিত্র মিলে। এরপর...

বিশেষ সংবাদ
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz