মাগুরা প্রতিবেদক:
১৯ লাখ টাকা মূল্যের ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেল লুটের উদ্দেশ্যে এক ট্রাকচালককে হত্যা করেছে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র। পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের রহস্য উদঘাটন করে চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাগুরা জেলা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ লুট হওয়া ভোজ্যতেল ও নগদ অর্থ।
২৫ মে সোমবার বিকেলে মাগুরা এসপি অফিসে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড অভিযোগের মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ২৪ মে মাগুরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন আজাদ হোসেন ওরফে হিটলার, বিকাশ সাহা, আব্দুল কুদ্দুস ও হারুন অর রশিদ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারের একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেল নিয়ে মাগুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন ট্রাকচালক আব্দুর রহমান (৫৮)।
পথে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সদস্যরা কৌশলে তাকে নিজেদের কবজায় নিয়ে যায়। পরে ভোজ্যতেল লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করে ট্রাকসহ মালামাল ছিনতাই করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খেদপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাকটি উদ্ধার করে পুলিশ। ট্রাকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় চালক আব্দুর রহমানের মরদেহ।
ঘটনার পরপরই মাগুরা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও সদর থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত চক্রটিকে শনাক্ত করা হয়।
অভিযানে প্রথমে আজাদ হোসেন ওরফে হিটলারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকাশ সাহা, আব্দুল কুদ্দুস ও হারুন অর রশিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৪৫ ব্যারেল ভোজ্যতেল, ৭টি খালি ব্যারেল এবং নগদ ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এটি কোনো সাধারণ ছিনতাই নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সুপরিকল্পিত অপরাধ। চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ বলেন, চালককে হত্যা করে মালামাল লুটের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত কাউকেই আইনের হাত থেকে রেহাই দেওয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
১৯ লাখ টাকা মূল্যের ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেল লুটের উদ্দেশ্যে এক ট্রাকচালককে হত্যা করেছে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র। পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের রহস্য উদঘাটন করে চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাগুরা জেলা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ লুট হওয়া ভোজ্যতেল ও নগদ অর্থ।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে মাগুরা এসপি অফিসে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড অভিযোগের মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ২৪ মে মাগুরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন আজাদ হোসেন ওরফে হিটলার, বিকাশ সাহা, আব্দুল কুদ্দুস ও হারুন অর রশিদ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারের একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেল নিয়ে মাগুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন ট্রাকচালক আব্দুর রহমান (৫৮)।
পথে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সদস্যরা কৌশলে তাকে নিজেদের কবজায় নিয়ে যায়। পরে ভোজ্যতেল লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করে ট্রাকসহ মালামাল ছিনতাই করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খেদপাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাকটি উদ্ধার করে পুলিশ। ট্রাকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় চালক আব্দুর রহমানের মরদেহ।
ঘটনার পরপরই মাগুরা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও সদর থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত চক্রটিকে শনাক্ত করা হয়।
অভিযানে প্রথমে আজাদ হোসেন ওরফে হিটলারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকাশ সাহা, আব্দুল কুদ্দুস ও হারুন অর রশিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৪৫ ব্যারেল ভোজ্যতেল, ৭টি খালি ব্যারেল এবং নগদ ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এটি কোনো সাধারণ ছিনতাই নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সুপরিকল্পিত অপরাধ। চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ বলেন, চালককে হত্যা করে মালামাল লুটের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত কাউকেই আইনের হাত থেকে রেহাই দেওয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।