প্রভাতী খবর ডেস্ক:
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় ১১৪ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭২ জনই গাজীপুরের ।
গাজীপুরে ৭২, নরসিংদী ৩৭ কুডিগ্রামে ৩ পিরোজপুরে ২ , এবং ঢাকা , বাগেরহাট, কিশোরগঞ্জ, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, ভোলা, নেত্রকোনা, চাদপুর কক্সবাজার, কুমিল্লা, সাতক্ষীরায় ১ জন করে এই আদেশে অভিযুক্ত
শনিবার (২৩ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ এর ১৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক তাদের এমপিও বাতিল করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আইউবী জানান, জাল সনদ প্রক্রিয়ার মধ্যে যারা জড়িত তাদের মধ্যে ২-১ জনের বাড়ি কাপাসিয়া উপজেলায়। যারা ওলামা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এজন্য কাপাসিয়াতে এই সংখ্যাটা বেশি। এ ছাড়াও কাপাসিয়া লাগোয়া অন্য জেলারও জাল সনদধারী বের হয়েছে।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১১৪ জন শিক্ষকের সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ এর ১৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক তাদের এমপিও বাতিল করা হলো।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এমতাবস্থায়, উক্ত শিক্ষকদের বিধি মোতাবেক এমপিও (MPO) স্থায়ীভাবে বন্ধকরণসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা (গৃহীত অর্থ আদায় ও মামলা দায়ের) গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ হতে প্রকাশিত ওই চিঠিতে ১১৪ জন শিক্ষকের তালিকা যাচাই করে দেখা যায় ৭২ জন একই এলাকার। তাদের সবাই গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কয়েকটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় ১১৪ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬০ জনই গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার।
শনিবার (২৩ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ এর ১৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক তাদের এমপিও বাতিল করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আইউবী জানান, জাল সনদ প্রক্রিয়ার মধ্যে যারা জড়িত তাদের মধ্যে ২-১ জনের বাড়ি কাপাসিয়া উপজেলায়। যারা ওলামা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এজন্য কাপাসিয়াতে এই সংখ্যাটা বেশি। এ ছাড়াও কাপাসিয়া লাগোয়া অন্য জেলারও জাল সনদধারী বের হয়েছে।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১১৪ জন শিক্ষকের সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ এর ১৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক তাদের এমপিও বাতিল করা হলো।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এমতাবস্থায়, উক্ত শিক্ষকদের বিধি মোতাবেক এমপিও (MPO) স্থায়ীভাবে বন্ধকরণসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা (গৃহীত অর্থ আদায় ও মামলা দায়ের) গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ হতে প্রকাশিত ওই চিঠিতে ১১৪ জন শিক্ষকের তালিকা যাচাই করে দেখা যায় ৭২ জন একই এলাকার। তাদের সবাই গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কয়েকটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।