অনলাইন ডেস্ক
সম্প্রতি দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসাকে ধষর্ণ ও হত্যার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ, প্রতিবাদ এখনো চলমান। এর আগেও এমন অনেক ঘটনায় আলোচিত হয়েছে। বিক্ষোভ, প্রতিবাদসহ নানা সময়ে আন্দোলনও হয়েছে।
এমন অনেক ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও অনেকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই বিচারাধীন। বিবিসি বাংলা এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধীদের বিচারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর আইন থাকার পরও বিচারিক প্রক্রিয়ার নানা জটিলতা ভুক্তভোগীদের দীর্ঘসূত্রিতায় ফেলছে।
অপরাধ করেও বিচারের আওতায় না আসায় অপরাধীরা এসব কাজ করতে আরো উৎসাহ পাচ্ছে বলেই মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০শে মে পর্যন্ত মাত্র চার মাসেই কমপক্ষে ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে কমপক্ষে ১৭ শিশু।
এসবের মধ্যে সামান্য কিছু মামলা দেশজুড়ে আলোচিত হয় এবং দ্রুত তদন্ত গ্রেপ্তার বা বিচার কার্যক্রম চলে।
তারপরেও অনেক মামলার বিচার শেষ হতে বছরের পর বছর চলে যায়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফৌজিয়া করিম ফিরোজ মনে করেন, বিচারের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ অপরাধের সংখ্যা বাড়িয়ে তুলছে।
তিনি বলেন, ‘হত্যা ও ধর্ষণের বিচার কত দিনে করতে হবে, কতটা দ্রুত করতে হবে সব কিছুই আইনে বলে দেওয়া আছে। কিন্তু আইন যেভাবে লেখা আছে আমরা সেভাবে এনফোর্স করতে পারি না।’
আইনের প্রক্রিয়াগত জটিলতা এবং বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত দুর্বলতার বিষয়গুলোও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার জন্য দায়ী বলেই মনে করেন এই আইনজীবী।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসার বাসায় গেছেন, এখন এই মামলা হয়ত ভালো অগ্রগতি হবে। কিন্তু এক মাস পর, দুই মাস পর এটিও তালিকায় পিছিয়ে যাবে।’
এর আগে এমন বেশ কিছু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনাগুলোর বিচার কার্যক্রম এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে?
দিনাজপুরের ইয়াসমিন হত্যা
১৯৯৫ সালের আগস্টে দিনাজপুরে ঘটে যাওয়া কিশোরী ইয়াসমিন আক্তার হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম এক বেদনাদায়ক ও নৃশংস ঘটনা। পুলিশের নিরাপত্তা বলয়ে ঘটে যাওয়া এই জঘন্য অপরাধের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে গড়ে উঠেছিল এক অভূতপূর্ব ও শক্তিশালী গণ-আন্দোলন।
ওই বছরের ২৩শে আগস্ট রাতে ইয়াসমিন আক্তার নামে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরী ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দিনাজপুরের দশমাইল মোড়ে তিনি দিনাজপুরগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় টহলরত পুলিশের একটি ভ্যান সেখানে উপস্থিত হয়।
স্থানীয়দের পরামর্শে এবং নিরাপত্তার আশায় ইয়াসমিন কিছুটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও পুলিশের ওই ভ্যানে ওঠলেও পরদিন সকালে গোবিন্দপুর এলাকায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে দিনাজপুর শহর। বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ মানুষ এবং সে সময় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরেও।
সে সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে শহরে কারফিউ জারি করে বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভ সামাল দিতে টানা ৩৮ ঘণ্টা কারফিউ বলবৎ থাকে। জনরোষ কমাতে তৎকালীন জেলা পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয় এবং দিনাজপুর থেকে ১০৫ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে অন্য জেলায় সরিয়ে নেওয়া হয়।
প্রবল আন্দোলনের মুখে নমনীয় হতে বাধ্য হয় প্রশাসন। ঘটনার পাঁচ দিন পর পুনরায় ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্টের জন্য কবর থেকে তোলা করা হয় ইয়াসমিনের মরদেহ।
তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলা দায়ের করা হয় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে, ঘটনার নয় বছর পর, ২০০৪ সালে ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দায়ে অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
সোহাগী জাহান তনু
দীর্ঘ দশ বছরেও বিচার হয়নি কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার। ২০১৬ সালের ২০শে মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থানা পুলিশ ও ডিবি তদন্ত করলেও পরে এই মামলার দায়িত্ব পায় সিআইডি।
কুমিল্লা সেনানিবাসের মধ্যে যে জায়গায় তনুর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে ঘুরে এসে ওই সময় সিআইডি তদন্ত দলের কর্মকর্তা নাজমুল করিম খান সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এখন পর্যন্ত তদন্তে তাদের মনে হচ্ছে, তনুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তাদের ধারণা তনুর মৃতদেহ যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেখানে তাকে হত্যা করা হয়নি, অন্য জায়গায় হত্যা করে মৃতদেহ সেখানে ফেলা যাওয়া হয়।
সে সময় সিআইডি জানায়, ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত মিলেছে, তবে চিকিৎসকরা দুইবার ময়নাতদন্ত করার পরও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে পারেননি।
এর দীর্ঘ সময় পর এই মামলার দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই। প্রায় স্থবির হয়ে পড়া এই মামলাটি সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে আবারও।
গত ২১শে এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মামলার অন্যতম আসামি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে আটক করে পিবিআই। ৫২ বছর বয়সি এই ব্যক্তি ২০১৬ সালে তনু হত্যাকাণ্ডের সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে দায়িত্বরত ছিলেন।
পিবিআই কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি মামলার রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন অন্যান্য ব্যক্তিদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।’
এদিকে তনু হত্যার বিচারের আশায় এখনও অপেক্ষার কথা বলছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
তনুর বাবা মোহাম্মদ ইয়ার হোসেন বলেন, ‘আল্লাহ’র ওপর ছেড়ে দিছি, আমার মেয়েটারে মাইরা ফেললো, বিচার পাইলাম না এত বছরেও- এখন নতুন করে তারা একজনরে ধরছে, দেখি কী হয়।’
চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যা
২০১৭ সালে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে জাকিয়া সুলতানা রুপা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি। ওই বছরের ২৫শে আগস্ট বগুড়ায় চাকরির পরীক্ষা শেষে ‘ছোঁয়া পরিবহন’ বাসে করে কর্মস্থল ময়মনসিংহের দিকে ফিরছিলেন তিনি।
পথিমধ্যে বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার মিলে তাকে চলন্ত বাসে গণধর্ষণ ও হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায় ফেলে রেখে যায়।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করলেও পরিচয় শনাক্ত করতে না পেরে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে।
ঘটনার তিন দিন পর, ২৮শে আগস্ট রুপার ভাই ছবি দেখে বোনের মরদেহ শনাক্ত করেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সারা দেশে প্রতিবাদ হয়েছিল। ওই সময় ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০১৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সুপারভাইজার সফর আলীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে মামলার নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছালে দীর্ঘ শুনানি শেষে সাত বছর আগের সেই রায়ের ওপর আপিল নিষ্পত্তি করেন হাইকোর্ট।
এই মামলায় তিন আসামির সাজা কমিয়ে রায় দেয় হাইকোর্ট। যাদের মধ্যে দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনের সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যু হয় এক আসামির।
আপিলে আটকে আছিয়া হত্যার বিচার
২০২৫ সালের মার্চ মাসে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার জারিয়া গ্রামে নির্যাতনের শিকার হন আট বছরের শিশু আছিয়া। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য মতে, শিশুটি মাগুরা শহরে তার বোনের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে এই নির্যাতনের শিকার হন।
৬মার্চ বেলা ১১টার দিকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসেন এক নারী। হাসপাতালে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শিশুটির গলায় দাগ ও শরীরে বেশ কিছু জায়গায় আঁচড় দেখতে পান। চিকিৎসকদের বরাতে পুলিশ জানায়, শিশুটির যৌনাঙ্গে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো।
গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকায় আনার পর চিকিৎসকরা জানান যে, তার শারীরিক অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল’। ৭মার্চ রাত থেকে শিশুটিকে লাইফ সাপোর্টে দেওয়া হয়। পরে ১৩মার্চ ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনা সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা ও মানুষের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।
ওই বছরের ১৭ই মে মামলার প্রধান আসামী শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল আদালত। কিন্তু এই রায়ের পর বছর পেরোলেও এখনো বিচারিক প্রক্রিয়াই আটকে রয়েছে অপরাধীর শাস্তি। মামলাটি হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মুকুল।
তিনি বলছেন, ‘আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। পরে ডেথ রেফারেন্সের জন্য মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু আসামির পক্ষে হাইকোর্টে আপিল হওয়ায় সেটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘হাইকোর্টে যাওয়ার পর পেন্ডিং অ্যান্ড প্রসেসের একটা বিষয় আছে। তবে বিচারিক আদালত যে রায় দিয়েছে সেটি হাইকোর্টেও বহাল থাকবে বলে আশা করি।’
এখনো চার্জশিট হয়নি ইরা হত্যা মামলার
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডের পাহাড়ি এলাকায় চলতি বছরের পহেলা মার্চ হত্যাচেষ্টার শিকার হয় ৭ বছর বয়সের জান্নাতুল নাইমা ইরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। ধর্ষণচেষ্টার পর তাকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মূল অভিযুক্ত বাবু শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম পুলিশ জানায়, শিশুটিকে চকলেট আর বেড়ানোর কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে গিয়েছিল প্রতিবেশী এক ব্যক্তি। সেখানেই শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার পরে গলা কেটে দিয়ে জঙ্গলে রেখে গিয়েছিল ওই ব্যক্তি।
ঘটনার পরপরই শিশুটির রক্তাক্ত একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে এ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের জন্ম দেয়। প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তারের তিন মাস হতে চললেও এখনো এই মামলার অভিযোগপত্র দিতে পারেনি পুলিশ।
এই ঘটনার বিচারিক প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা পাকলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ সরওয়ার হোসেন লাভলু।
তিনি বলছেন, ১৫ই জুন এই মামলার চার্জশিট দাখিল করার কথা রয়েছে। চার্জশিট দাখিল হলেই বিচার কাজ শুরু হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মামলার বিষয়ে আন্তরিক, তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, চার্জশিট তৈরির কাজ প্রায় শেষ, নির্ধারিত সময়ের আগেই চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’
তিনি বলেন, চার্জশিট অনুযায়ী এই মামলা কোন আইনে হবে সেটি নির্ধারিত হবে। এটি পরিকল্পিত হত্যা নাকি অন্যকিছু সেটিও পরবর্তীতেই বোঝা যাবে।
এদিকে শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরা হত্যা মামলায় আগামী ৩০ মের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
ইতিমধ্যে ডিএনএ রিপোর্টও পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
কৃতজ্ঞতা: দৈনিক কালের কন্ঠ অনলাইন, ২৫ মে ২০২৬