কাপ্তাই প্রতিনিধি:
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত উপজেলা কমিটির সভায় জানানো হয়েছে, আগামী ১০ আগস্ট কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে দেশের প্রথম ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ ‘কিন্নরী’তে কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম। সভা চলাকালে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিশেষ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এসডিজি ভিলেজ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও উপসচিব মো. জুবায়ের।
সভায় জানানো হয়, আগামী ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কাপ্তাই উপজেলার ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করবেন। এ উদ্যোগ সারা দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের মধ্যে দারিদ্র্য দূরীকরণ, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গঠন, মানসম্মত শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যের সুফল এ গ্রামের বাসিন্দারা ভোগ করবেন বলে জানানো হয়।
সভায় বক্তব্য দেন এসডিজি ভিলেজ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মনজুরুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামুল হক হাজারী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান, কাপ্তাই তথ্য সহকারী কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলম চৌধুরী, বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান এবং সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঁখি তালুকদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের আমির মো. হারুনুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. রুইহ্লা অং মারমা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমা ইলিয়াস এবং চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং।
এছাড়া সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ঐতিহ্যবাহী হেডম্যান, শিক্ষক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।