ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত দেশব্যাপী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৫০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ঝালকাঠি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান শাহারিয়ার, এপিএস গোলাম আজম সোহান, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান তাপু, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আক্কাস সিকদার, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম জুবায়ের, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দীপু, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রনি, জেলা যুবদলের সদস্য ইয়াসির আরাফাত মিঠুসহ ৩৫টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
কর্মসূচির আওতায় জেলার ৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিটিতে ৪০টি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষপ্রেম ও জলবায়ু সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিটি মানুষ অন্তত একটি গাছ রোপণ করে তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করলে সবুজ, নির্মল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বাস্তবায়ন সহজ হবে।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি শুধু পরিবেশগত উদ্যোগ নয়, এটি একটি জাতীয় আন্দোলন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
জেলা পরিষদ প্রশাসক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজ রোপণ করা একটি গাছ ভবিষ্যতে অক্সিজেন, ছায়া ও ফলের উৎস হিসেবে মানুষের উপকারে আসবে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই বৃক্ষরোপণকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাও সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়ন সম্প্রসারণে সবাইকে আরও বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।