মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সিগঞ্জ সদর থানাকে ঘিরে দালালের দৌরাত্ম্য ও সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান ও একটি সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে কম্পিউটার দোকানে নিয়ে গিয়ে মামলা বা অভিযোগ লেখার খরচের কথা বলে এবং পুলিশের নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, থানায় সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের কেউ কেউ কম্পিউটার দোকানে নিয়ে যান। সেখানে মামলা বা অভিযোগ লেখার জন্য কম্পিউটার খরচসহ নানা অজুহাতে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, অর্থ আত্মসাৎ ছাড়াও জায়গা-জমি দখল ও দখলমুক্ত করার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের সমাধানের কথা বলে চুক্তির বিনিময়ে কাজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দালালচক্রের দ্বিতীয় একটি ফাঁদে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগের বাদী-বিবাদীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে দালালরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এতে সাংবাদিক ও পুলিশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মুন্সিগঞ্জ সদরের কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ সুজন বেপারীকে বলেন, সাধারণ মানুষ থানায় সেবা নিতে এসে অনেক সময় নিরাশ হয়ে ফিরে যান। তাঁদের অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে দালাল ধরলে সেবা পাওয়া যায়, আর দালাল না ধরলে পুলিশও সেবা দিতে আগ্রহ দেখায় না। একই সঙ্গে বিচার-সালিশ এবং থানা হাজতে থাকা আসামিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সাক্ষাতের চিত্র নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ কামরান হোসেন কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ কামরান হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষকে সব সময় থানায় আসতে হবে এমন নয়। ঘরে বসেই অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা যায় এবং অনলাইনে জিডির আবেদন গ্রহণ ও সেবা প্রদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’, ‘সেবায় পুলিশের ধর্ম’। থানায় সেবাপ্রার্থীদের যথাযথভাবে সেবা দেওয়ার বিষয়ে দালালদের ব্যাপারে থানা-পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। থানায় দালালদের কোনো স্থান হবে না।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কামরান হোসেন সাধারণ মানুষকে দালালদের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি, মোঃ সুজন বেপারী:
মুন্সিগঞ্জ সদর থানাকে ঘিরে দালালের দৌরাত্ম্য ও সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান ও একটি সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে কম্পিউটার দোকানে নিয়ে গিয়ে মামলা বা অভিযোগ লেখার খরচের কথা বলে এবং পুলিশের নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, থানায় সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের কেউ কেউ কম্পিউটার দোকানে নিয়ে যান। সেখানে মামলা বা অভিযোগ লেখার জন্য কম্পিউটার খরচসহ নানা অজুহাতে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, অর্থ আত্মসাৎ ছাড়াও জায়গা-জমি দখল ও দখলমুক্ত করার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের সমাধানের কথা বলে চুক্তির বিনিময়ে কাজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দালালচক্রের দ্বিতীয় একটি ফাঁদে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগের বাদী-বিবাদীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে দালালরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এতে সাংবাদিক ও পুলিশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মুন্সিগঞ্জ সদরের কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ সুজন বেপারীকে বলেন, সাধারণ মানুষ থানায় সেবা নিতে এসে অনেক সময় নিরাশ হয়ে ফিরে যান। তাঁদের অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে দালাল ধরলে সেবা পাওয়া যায়, আর দালাল না ধরলে পুলিশও সেবা দিতে আগ্রহ দেখায় না। একই সঙ্গে বিচার-সালিশ এবং থানা হাজতে থাকা আসামিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সাক্ষাতের চিত্র নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ কামরান হোসেন কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ কামরান হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষকে সব সময় থানায় আসতে হবে এমন নয়। ঘরে বসেই অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা যায় এবং অনলাইনে জিডির আবেদন গ্রহণ ও সেবা প্রদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’, ‘সেবায় পুলিশের ধর্ম’। থানায় সেবাপ্রার্থীদের যথাযথভাবে সেবা দেওয়ার বিষয়ে দালালদের ব্যাপারে থানা-পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। থানায় দালালদের কোনো স্থান হবে না।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কামরান হোসেন সাধারণ মানুষকে দালালদের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।