বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩ শতাংশ। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৮৬ কোটি ডলার এবং আগস্টে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে।
সেপ্টেম্বরের হিসাব যোগ করলে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩.৩ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম তিন মাসে ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
কেন বাড়ছে রেমিট্যান্স?
খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়ার পেছনে যেসব কারণ কাজ করছে তার মধ্যে রয়েছে:
-
হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর ও কার্যকর নানা উদ্যোগ।
-
প্রবাসীদের জন্য সরকারের বিশেষ প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা।
-
ব্যাংকিং সেবার মান বৃদ্ধি এবং টাকা পাঠানো প্রক্রিয়া আরও সহজ হওয়া।
বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা ও আমদানি ব্যয় মেটাতে বড় ধরনের সহায়তা মিলছে।
বিগত অর্থবছরে রেকর্ড আয়
এর আগে বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) বৈধ চ্যানেলে দেশে সর্বমোট ৩ হাজার ৫১৯ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।