নিম্নমানের ও পুরোনো ইট ব্যবহারের অভিযোগ, ঠিকাদারকে আগেই নোটিশ—তারপরও চলছে কাজ
জি এম রফিক:
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) একটি ড্রেন ও ম্যানহোল নির্মাণকাজে নিম্নমানের, পুরোনো ও ভাঙা ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, নির্মাণকাজে সিমেন্ট-বালু মেশানো, গাঁথুনি ও প্লাস্টারের কাজে পাশের নোংরা ড্রেনের মলমূত্রমিশ্রিত পানি ব্যবহারেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে নির্মাণস্থল পরিদর্শন, সেখানে কর্মরত শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এবং নির্মাণকাজের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ করে এসব অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়।
অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইটের একটি বড় অংশ পুরোনো, ভাঙা ও নিম্নমানের। একই সঙ্গে সিমেন্ট-বালু মেশানো ও গাঁথুনির কাজে যে পানি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পাশের নোংরা ড্রেন থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। ওই পানিতে ময়লা-আবর্জনার পাশাপাশি মলমূত্রজাত বর্জ্যও রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এতে প্রশ্ন উঠেছে—জনগণের অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামোর কাজে যদি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী এবং অপরিষ্কার, মলমূত্রমিশ্রিত পানি ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ওই ড্রেন ও ম্যানহোলের স্থায়িত্ব, কার্যকারিতা এবং জননিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত হবে?
নির্মাণস্থলে পুরোনো ও ভাঙা ইটের স্তূপ
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণস্থলের বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণ ইট স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এসব ইটের মধ্যে বেশ কিছু ইট পুরোনো, ভাঙা ও ক্ষতিগ্রস্ত বলে চোখে পড়ে। নির্মাণকাজের বিভিন্ন অংশে এসব ইট ব্যবহার করতেও দেখা যায়।
নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিটি চালান কিংবা ব্যবহৃত ইটের গুণগত মান যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
প্রকৌশলগতভাবে ইটের মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ইটের চাপ সহনশীলতা, পানি শোষণ ক্ষমতা, আকার-আকৃতি, দৃশ্যমান ত্রুটি এবং লবণাক্ততার দাগসহ বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। ফলে প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত ইট এসব মানদণ্ড পূরণ করছে কি না, তা পরীক্ষার বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ড্রেনের মলমূত্রমিশ্রিত পানিতেই চলছে নির্মাণকাজ!
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত পানি নিয়ে।
সরেজমিনে নির্মাণস্থলের একটি অংশে কালচে ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ওই পানি দিয়েই সিমেন্ট-বালু মেশানো, ইটের গাঁথুনি ও অন্যান্য নির্মাণকাজ করা হচ্ছে।
নির্মাণকাজে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা এ প্রতিবেদককে জানান, কোম্পানি বাইরে থেকে পানি কিনে আনে না; নির্মাণকাজের জন্য এখানের ওই পানিই (মলমূত্রর পানি) ব্যবহার করা হয়।
এ বিষয়ে সাইট ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, “আমাদের ঠিকাদার ফিলিপস ভাই এই পানি (মলমূত্রর পানি) দিয়েই সব কাজ করিয়েছেন। এখানেও এই পানি দিয়েই কাজ করছি।”
নির্মাণকাজে ব্যবহৃত পানির গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে সাইট ম্যানেজার কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে এ প্রতিবেদককে সাইট ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
সাইট ইঞ্জিনিয়ার তসলিম উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আশরাফ আলী এ ধরনের অপরিষ্কার বা গৃহস্থালি বর্জ্যপানি নির্মাণকাজে ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
মলমূত্রমিশ্রিত পানি নির্মাণকাজে ব্যবহারের বিষয়টি যদি পরীক্ষায় সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি শুধু নির্মাণমানের প্রশ্ন নয়; একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের প্রশ্নও তৈরি করে।
তাই ব্যবহৃত পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়েছে কি না এবং প্রকল্পের কারিগরি শর্তে কী ধরনের পানি ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ড্রেন নির্মাণে মান নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর?
ঢাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার প্রকৌশলগত দিকও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুয়েটের পানি সম্পদ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. হাসানের মতে, নগর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নালা-নর্দমার প্রবাহ এবং পরিবেশগত বিষয়গুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত।
নগর ড্রেন নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু ড্রেন তৈরি করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। এর নকশা, প্রবাহক্ষমতা, নির্মাণসামগ্রীর মান, গাঁথুনির স্থায়িত্ব এবং পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন।
নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কোনো ড্রেন নির্মাণ করা হলে ভবিষ্যতে সেখানে ভাঙন, পানি চুইয়ে যাওয়া, গর্ত সৃষ্টি কিংবা প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায়।
ফলে প্রশ্ন উঠেছে—ডিএনসিসির এই প্রকল্পে ব্যবহৃত ইট, পানি, সিমেন্ট-বালু ও গাঁথুনির মান যথাযথভাবে পরীক্ষা ও তদারক করা হচ্ছে কি না।
ডিএনসিসির নোটিশেও নির্মাণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ
এদিকে ডিএনসিসির অঞ্চল-৩, মহাখালী কার্যালয় থেকে মেসার্স আলিফ ট্রেডার্সের নামে একটি নোটিশ দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
নোটিশে নির্মাণস্থল থেকে খনন করা মাটি ও আবর্জনা যথাযথভাবে অপসারণ না করা, নির্মাণসামগ্রী এলোমেলোভাবে ফেলে রাখায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে গুরুতর অসুবিধা সৃষ্টি হওয়া এবং কাজের অগ্রগতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে দ্রুত মাটি ও আবর্জনা অপসারণ, অতিরিক্ত দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ কারিগরি শর্ত অনুযায়ী সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অর্থাৎ নির্মাণস্থলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্তৃপক্ষের অসন্তোষের বিষয়টি নথিতেও এসেছে।
প্রশ্ন হলো—নোটিশ দেওয়ার পরও যদি নির্মাণসামগ্রী ও নির্মাণপ্রক্রিয়া নিয়ে একই ধরনের অভিযোগ ওঠে, তাহলে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময়ে কী ধরনের তদারকি করেছে?
নির্বাহী প্রকৌশলী: অনিয়ম খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
অভিযোগের বিষয়ে ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আলম প্রভাতী খবরকে বলেন, “ঠিকাদার ফিলিপসের অনিয়মটি আমরা আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর
অভিযোগের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারুক হাসান মোহাম্মদ আল মাসুদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
‘ফিলিপস’কে ঘিরে ডিএনসিসিতে প্রভাবের অভিযোগ
ডিএনসিসির একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, ঠিকাদার ফিলিপস খন্দকার মাহবুব আলম ও ফারুক হাসান মোহাম্মদ আল মাসুদের আস্থাভাজন হওয়ায় তার কাজের অনিয়মই যেন ডিএনসিসিতে নিয়মে পরিণত হয়েছে।
তবে ওই ঠিকাদারের এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যও নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রধান প্রকৌশলী: অনিয়মে ছাড় নয়
তবে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান অনিয়মের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
তিনি প্রভাতী খবরকে বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট সবাইকে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
আর টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রভাতী খবরকে বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে সরকারের উন্নয়নকাজের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। একই সঙ্গে নির্মিত অবকাঠামোগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের ও টেকসইহীন হয়ে পড়ে। এতে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনগণের করের টাকা তথা জাতীয় সম্পদের বিপুল অপচয় ঘটে।
ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার হিসেবে রফিকুল ইসলাম ওরফে ‘দ্রুত ফিলিপস’-এর নাম সামনে এসেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রভাতী খবরকে বলেন, তারা ‘পাওয়ার’ নিয়ে কাজ করতে এসেছেন। বেশি প্রশ্ন করলে তাদের মতো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।
তবে তার বক্তব্যের বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা বা বিস্তারিত বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
ডিএনসিসির কাছে স্থানীয়দের ১০ প্রশ্ন
নির্মাণকাজ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব প্রশ্নের উত্তর চায় নগরবাসী—
১. ড্রেন নির্মাণে ব্যবহৃত ইটের গুণগত মান কি পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়েছে?
২. নির্মাণকাজে ব্যবহৃত পানির কোনো গুণগত পরীক্ষা করা হয়েছে কি?
৩. মলমূত্রমিশ্রিত পানি দিয়ে সিমেন্ট-বালু মেশানোর অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
৪. প্রকল্পের কারিগরি শর্তে নির্মাণকাজে কী ধরনের পানি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে?
৫. পুরোনো ও ভাঙা ইট ব্যবহার করা হলে তা কে অনুমোদন করেছে?
৬. ডিএনসিসির নোটিশ দেওয়ার পর ঠিকাদারপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছে?
৭. নোটিশ দেওয়ার পর প্রকল্পটি কতবার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা পরিদর্শন করেছেন?
৮. কাজের গুণগত মান পরীক্ষার কোনো প্রতিবেদন রয়েছে কি?
৯. নিম্নমানের কাজের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে ঠিকাদারের বিল থেকে অর্থ কর্তন বা পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি?
১০. জনগণের অর্থে নির্মিত এই ড্রেনের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ কী বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করবে?
জনগণের অর্থ, নগরবাসীর নিরাপত্তা
ডিএনসিসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ নগর সংস্থার উন্নয়ন প্রকল্পে নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। কারণ একটি ড্রেন বা ম্যানহোল নির্মাণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নগরবাসীর অর্থ, জনদুর্ভোগ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়।
নিম্নমানের ইট এবং অপরিষ্কার পানি ব্যবহারের অভিযোগ সত্য হলে শুধু একটি প্রকল্পের নির্মাণমানই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না; জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রকল্প তদারকির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত ইট, পানি, সিমেন্ট-বালু ও গাঁথুনির নমুনা সংগ্রহ করে স্বীকৃত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হোক। পাশাপাশি প্রকল্পের টেন্ডার নথি, কারিগরি স্পেসিফিকেশন, বিল-ভাউচার, মান নিয়ন্ত্রণ প্রতিবেদন ও প্রকৌশলীদের পরিদর্শন প্রতিবেদন যাচাই করা হোক।
তাদের দাবি, অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিম্নমানের কাজ পুনরায় সম্পন্ন করা হোক।
কারণ ড্রেনের নিচে চাপা পড়ে থাকা ত্রুটি হয়তো আজ চোখে পড়বে না; কিন্তু নির্মাণের সেই ত্রুটির খেসারত শেষ পর্যন্ত দিতে হয় নগরবাসীকেই।