শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।
জরুরি অবতরণের নেপথ্য ঘটনা
বিমানবন্দর ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৪৩৬ (রেজিস্ট্রেশন নম্বর এস২-একেই) এর উড্ডয়নের পরপরই চাকায় ত্রুটি ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে পাইলট ঢাকার এটিসি টাওয়ারে জরুরি বার্তা পাঠান।
নিরাপদে অবতরণের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে উড়োজাহাজের জ্বালানি পুড়িয়ে ওজন কমানো এবং বিমানবন্দরে জরুরি সেবার প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য পাইলটকে কিছু সময় আকাশে চক্কর কাটতে হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও দেলদুয়ার এলাকার আকাশে প্রায় ৬ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় এবং ঘণ্টায় ১৮৮ নট গতিতে চক্কর দেয়।
রানওয়ে বন্ধ ও জরুরি প্রস্তুতি
জরুরি অবতরণ নির্বিঘ্ন করতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে সাময়িকভাবে সব ধরনের উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। ঢাকা টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত রানওয়েটি বন্ধ ছিল। এ সময় রানওয়ের আশেপাশে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্সসহ সব জরুরি উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত রাখা হয়। পরবর্তীতে পাইলট অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিমানটি নিরাপদে ভূমি স্পর্শ করান।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো বিপত্তি ছাড়াই ফ্লাইটটি নিরাপদে অবতরণ করায় কোনো যাত্রী বা ক্রু হতাহত হননি।




