শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।
পরিচয়পত্র দেখার পরও বাসে তোলার অভিযোগ
প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরুর আগেই দিল্লি পুলিশ মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য দৃশ্যমানভাবে পরিচয়পত্র প্রদর্শনের নির্দেশনা দিয়েছিল। তবে শনিবার বিক্ষোভ চলাকালে সেই নির্দেশনা মানলেও পুলিশ সাংবাদিকদের কোনো ছাড় দেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
‘দ্য ওয়্যার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশ যখন লোকজনকে ধরে বাসে তুলছিল, তখন পরিচয়পত্র দেখানোর পরও সংবাদমাধ্যমটির নিজস্ব সাংবাদিক জাহ্নবী সেন, শ্রাবস্তী দাশগুপ্ত ও অন্তরা বরুয়াকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে ‘দ্য কুইন্ট’-এর সাংবাদিক সার্থক জয়সওয়ালসহ বেশ কয়েকজন স্বাধীন সাংবাদিককে জোরপূর্বক আটক করে গাড়িতে তোলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সংগঠনগুলোর তীব্র নিন্দা ও মুক্তির দাবি
সাংবাদিক আটকের এই কঠোর পদক্ষেপে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে গণমাধ্যম অধিকার রক্ষাকারী আন্তর্জাতিক সংগঠন সিপিজে ও ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমগুলোর সংগঠন ডিজিপাব। অবিলম্বে আটক সব সাংবাদিককে নিঃশর্ত মুক্তি এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির রাজপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন সাঁড়াশি অভিযান ও সংবাদকর্মীদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিষয়ক সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।




