মূল খবরে যান

রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড়: প্রেস কার্ড দেখিয়েও ছাড় পেলেন না সাংবাদিকেরা, তীব্র নিন্দা সিপিজেরদিল্লিতে তীব্র গণবিক্ষোভ: মোদি সরকারের কঠোর দমনপীড়নে ফিরছে ১৯৭৫-এর জরুরি অবস্থার স্মৃতিযুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় বসতবাড়িতে বন্দুকধারীর তাণ্ডব, গুলিতে নিহত ৫মিরসরাইয়ে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি, নিয়ে গেল সিসিটিভির মনিটর ও ডিভাইসমেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না, প্রশ্নফাঁসের দায় সরকারকে নিতে হবে: আসিফ মাহমুদপাইলটের জরুরি বার্তায় শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ, নিরাপদে নামল বিমানের ফ্লাইটশুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, দক্ষতা অর্জনে ভাষা শিখতে হবে: ববি হাজ্জাজরাজধানীতে ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২৩, মামলা ৪০
বিশ্ব

মুকেশ আম্বানিই ভারতের আসল প্রধানমন্ত্রী: কটাক্ষ করে ইলন মাস্কের পোস্ট

ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংক’ চালু করার লাইসেন্স নিয়ে চলা দীর্ঘ দ্বন্দ্বের জেরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান মুকেশ আম্বানিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টে আম্বানিকে ভারতের ‘প্রকৃত বস’ হিসেবে অভিহিত করে স্টারলিংককে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মুকেশ আম্বানিই ভারতের আসল প্রধানমন্ত্রী: কটাক্ষ করে ইলন মাস্কের পোস্ট

শুক্রবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইলন মাস্কের কটাক্ষ ও যুক্তি

টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক নিজের পোস্টে কটাক্ষ করে লেখেন, মুকেশ আম্বানিই যে ভারতের আসল প্রধানমন্ত্রী, তা বুঝতে না পারার জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। তিনি আরও বলেন, আম্বানি হয়তো ভারতের বাজারে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে চাইবেন, তবুও ইন্টারনেটের সুযোগবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে স্টারলিংককে দেশটিতে কাজ করার অনুমতি দেওয়া উচিত।

এর আগে গত বুধবার মাস্ক অভিযোগ করেছিলেন যে, নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর চাপে ভারতে স্টারলিংকের প্রবেশ আটকে রাখা হচ্ছে, যা ভারতের সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে এক ধরনের অপরাধ। তবে ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় মাস্কের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, দেশটিতে স্যাটেলাইট যোগাযোগের ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান ও নিরপেক্ষ আইনি ও নীতিনির্ধারক কাঠামো বজায় রাখা হয়েছে।

লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম বরাদ্দের জটিলতা

মাস্ক প্রশ্ন তুলেছেন যে, গত পাঁচ বছর ধরে ভারতের সমস্ত নিয়ম ও আইন মেনে চলা সত্ত্বেও এবং বিশ্বের ১৬৫টিরও বেশি দেশে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও কেন স্টারলিংককে এখনও লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন প্রচলিত যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলো ভেঙে পড়ে, তখন মানুষের জীবন রক্ষার্থে স্টারলিংকের মতো সেবা অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে থাকে।

বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার স্পেসএক্সের স্টারলিংক, ভারতী এয়ারটেল সমর্থিত ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং জিও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন্সকে প্রাথমিক অনুমোদন বা লেটার অব ইনটেন্ট দিলেও, চূড়ান্ত স্পেকট্রাম বা তরঙ্গ বরাদ্দের আগে নিরাপত্তা সম্পর্কিত ছাড়পত্র বা ক্লিয়ারেন্সের প্রক্রিয়াটি বর্তমানে সরকারের উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে