নিয়োগ, পদায়ন ও পেশাগত মর্যাদা নিয়ে ডিইএবের প্রতিবাদ—প্রকৌশল খাতে যোগ্যতা ও দায়িত্বের সুষম কাঠামোর দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সেবা খাতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ভূমিকা দীর্ঘদিনের। সড়ক, ভবন, পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ, শিল্পকারখানা, ড্রেনেজসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাঠপর্যায়ে কারিগরি বাস্তবায়ন, তদারকি, পরিমাপ ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন তারা। কিন্তু নিয়োগ, পদায়ন, পদোন্নতি ও পেশাগত মর্যাদা নিয়ে দীর্ঘদিনের নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এই প্রেক্ষাপটে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেশাগত অধিকার, ন্যায্য সুযোগ ও মর্যাদা রক্ষার দাবিতে সরব হয়েছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব)। সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুদ এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
ডিইএবের প্রকাশিত প্রতিবাদ বিবৃতিতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নিয়োগ ও পদসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রচলিত যোগ্যতার কাঠামো যথাযথভাবে অনুসরণ এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দীর্ঘদিনের পেশাগত অবস্থান ও মর্যাদা সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে। মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে যে প্রশ্ন সামনে এসেছে
ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুদের নেতৃত্বে ডিইএবের অবস্থানের মূল বক্তব্য হলো—প্রকৌশল খাতে শৃঙ্খলা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে হলে যোগ্যতা, দক্ষতা, দায়িত্ব ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সুস্পষ্ট ক্যারিয়ার কাঠামো থাকা প্রয়োজন।
ডিইএবের প্রতিবাদ বিবৃতিতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দীর্ঘদিনের স্বীকৃত পেশাগত অবস্থান এবং নিয়োগের সুযোগ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে।
বিশেষ করে কারিগরি ও প্রকৌশল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত যোগ্যতা ও দায়িত্বের কাঠামো যথাযথভাবে বিবেচনার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ডিইএব যে প্রশ্ন সামনে এনেছে, সেটি শুধু একটি শ্রেণির চাকরির দাবি হিসেবে দেখলে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের কারিগরি জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার, প্রকৌশল খাতে দায়িত্ব বণ্টন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের একটি বড় প্রশ্ন।
উন্নয়ন প্রকল্পে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রকৌশলীদের ভূমিকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি মাঠপর্যায়ে দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ভূমিকাও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পের সফলতা শুধু নকশা বা পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে না। নকশার বাস্তবায়ন, সাইট ব্যবস্থাপনা, নির্মাণকাজের তদারকি, পরিমাপ, গুণগত মান পর্যবেক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ের কারিগরি ব্যবস্থাপনা—সবকিছু মিলেই একটি প্রকল্পের বাস্তব সাফল্য নির্ধারিত হয়।
এখানেই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কারিগরি শিক্ষা, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও ব্যবহারিক দক্ষতার গুরুত্ব সামনে আসে। প্রকৌশল খাতের বিশেষজ্ঞদের আলোচনায়ও দীর্ঘদিন ধরে একটি বিষয় গুরুত্ব পেয়ে আসছে—শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি কাজের ধরন, দায়িত্ব, ব্যবহারিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বিবেচনায় নিয়ে দায়িত্ব বণ্টনের একটি সুস্পষ্ট কাঠামো থাকা প্রয়োজন।
ডিপ্লোমা ও গ্র্যাজুয়েট প্রকৌশলী—দ্বন্দ্ব নয়, সমন্বয় প্রয়োজন
ডিপ্লোমা ও গ্র্যাজুয়েট প্রকৌশলীদের দায়িত্ব ও পদমর্যাদা নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে কোন পদের জন্য কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন এবং প্রকৌশল ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবীদের দায়িত্ব কীভাবে নির্ধারিত হবে।
বিশেষজ্ঞদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি হলো—এটিকে শুধু দুই পক্ষের বিরোধ হিসেবে না দেখে দক্ষতা ও দায়িত্বের সমন্বিত কাঠামো হিসেবে দেখা প্রয়োজন।
কারণ, একজন প্রকৌশলীর নকশা ও পরিকল্পনার কাজ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি মাঠপর্যায়ে সেই পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ কারিগরি জনবলও অপরিহার্য।
অর্থাৎ, প্রকৌশল খাতকে শক্তিশালী করতে হলে এক পক্ষকে অন্য পক্ষের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড় করানোর পরিবর্তে যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব এবং দক্ষতা অনুযায়ী মূল্যায়নের ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
জামিলুর রেজা চৌধুরীর দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা
বাংলাদেশের প্রকৌশল ও অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব জাতীয় অধ্যাপক প্রয়াত ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী প্রকৌশল শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা ও মানসম্পন্ন জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
তার দীর্ঘ কর্মজীবনের অন্যতম শিক্ষা ছিল—দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে প্রকৌশল শিক্ষা ও বাস্তব কাজের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করতে হবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমান বিতর্কেও মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত—কোনো একটি পক্ষকে বাদ দেওয়া নয়; বরং যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব, দক্ষতা অনুযায়ী মূল্যায়ন এবং অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পেশাগত অগ্রগতির সুযোগ কীভাবে নিশ্চিত করা যায়।
কেন গুরুত্বপূর্ণ মাসুদুর রহমানের ভূমিকা
ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুদের ভূমিকার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে তার সংগঠনের পেশাগত অবস্থানকে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করার কারণে। তিনি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের শুধু নিয়োগের সুযোগের বিষয়টি সামনে আনছেন না; একই সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের পেশাগত অবদান, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার কাঠামোর প্রশ্নও সামনে আনছেন।
ডিইএবের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও কারিগরি সেবায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের শিক্ষা, দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যতে দক্ষ কারিগরি জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ কারণে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ডিইএবের অবস্থানে নিয়োগবিধি ও যোগ্যতার কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নিয়োগনীতিতে স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতার দাবি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের একটি বড় উদ্বেগ হলো নিয়োগনীতির ধারাবাহিকতা। কোনো প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন একটি নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ থাকার পর হঠাৎ সেই কাঠামো পরিবর্তিত হলে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
ডিইএবের প্রতিবাদে তাই নিয়োগবিধি, পদায়ন ও যোগ্যতার ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নীতিমালা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সংগঠনটির অবস্থান অনুযায়ী, নিয়োগব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হলে তা হতে হবে স্বচ্ছ, যুক্তিনির্ভর, আলোচনাভিত্তিক এবং দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
শুধু চাকরির সুযোগ নয়, পেশাগত মর্যাদার প্রশ্ন
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বর্তমান দাবি শুধু কয়েকটি পদে নিয়োগের সুযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পেশাগত পরিচয়, কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা, পদোন্নতির সুযোগ, দায়িত্বের স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কারিগরি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রত্যাশা।
একজন তরুণ যখন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন, তখন তার সামনে একটি নির্দিষ্ট পেশাগত ভবিষ্যৎ থাকে। শিক্ষা শেষ করার পর যদি নিয়োগ কাঠামো বারবার পরিবর্তিত হয় কিংবা দীর্ঘদিনের নির্ধারিত পেশাগত সুযোগ সংকুচিত হয়, তাহলে কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তাই বিষয়টি কেবল বর্তমান চাকরিপ্রার্থীদের নয়; এটি দেশের কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।
সমাধানে প্রয়োজন সব পক্ষের সংলাপ
প্রকৌশল খাতের এ ধরনের বিতর্কের স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, নিয়োগকারী সংস্থা, প্রকৌশল পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষাবিদ এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যকর সংলাপ প্রয়োজন।
সেখানে নির্ধারণ করা যেতে পারে—কোন পদের জন্য কোন যোগ্যতা প্রয়োজন, কোন পর্যায়ে কী দায়িত্ব থাকবে, কীভাবে অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হবে এবং একজন কারিগরি পেশাজীবী কীভাবে ধাপে ধাপে তার ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাবেন।
এ ধরনের কাঠামো থাকলে একদিকে পেশাগত দ্বন্দ্ব কমবে, অন্যদিকে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পে সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়াও সহজ হবে।
মাসুদের নেতৃত্বে ডিইএবের স্পষ্ট বার্তা
ডিইএবের প্রতিবাদ বিবৃতিতে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুদের নেতৃত্বে যে বার্তা উঠে এসেছে, তার সারকথা হলো—ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে এবং নিয়োগ ও পদায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত যোগ্যতা ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এক্ষেত্রে সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ খোঁজার প্রয়োজন রয়েছে। ডিইএবের অবস্থান অনুযায়ী, প্রকৌশল খাতে শৃঙ্খলা, যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন এবং ন্যায়সংগত নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে বর্তমান সংকট অনেকটাই নিরসন করা সম্ভব।
একজন সংগঠক থেকে বৃহত্তর পেশাগত দাবির মুখপাত্র
ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুদের নেতৃত্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—তিনি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেশাগত সমস্যাগুলোকে শুধু সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর প্রকৌশল খাতের আলোচনায় নিয়ে আসছেন।
তার নেতৃত্বে ডিইএবের বক্তব্যে উঠে আসছে মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, নিয়োগের অনিশ্চয়তা, পেশাগত মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কারিগরি জনশক্তির প্রশ্ন।
এই কারণে মাসুদুর রহমানের ভূমিকা এখন শুধু একজন সংগঠকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেশাগত অধিকার ও ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে চলমান আলোচনার একটি দৃশ্যমান মুখ হিসেবে সামনে আসছে।
বাংলাদেশ যখন বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প, নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন দক্ষ প্রকৌশল ও কারিগরি জনশক্তির প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
এই বাস্তবতায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেশাগত অধিকার ও দায়িত্বের প্রশ্নটি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে গ্র্যাজুয়েট প্রকৌশলী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের দায়িত্ব ও মর্যাদার বিষয়টিও সমানভাবে বিবেচনায় রাখতে হবে।
তাই ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুদের নেতৃত্বে ডিইএবের বর্তমান অবস্থানকে কেবল একটি সংগঠনের প্রতিবাদ হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের প্রকৌশল খাতে একটি সুসংগঠিত, স্বচ্ছ ও দায়িত্বভিত্তিক পেশাগত কাঠামো প্রতিষ্ঠার চলমান আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত সততার যথাযথ মূল্যায়ন—এই চার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই একটি আধুনিক, দক্ষ ও কার্যকর প্রকৌশল খাত গড়ে উঠতে পারে।