সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাদারীপুর সদর থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে মানিককে গ্রেপ্তার করে বরিশাল এসআরবি-৮-এর একটি চৌকস দল।
যেভাবে ঘটেছিল মর্মান্তিক ঘটনা মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত জেসমিন বেগম কাউখালীতে নিজের বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। গত শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত থেকে রোববার (৪ অক্টোবর) সকালের মধ্যে যেকোনো এক সময়ে অভিযুক্ত মানিক হাওলাদার ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা জেসমিন বেগমকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে কাউখালী থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পাশাপাশি মানিক হাওলাদারকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারে এসআরবি-৮ অধিনায়কের কাছে আনুষ্ঠানিক অধিযাচনপত্র পাঠালে দ্রুত ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি। তারই ধারাবাহিকতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মাদারীপুর থেকে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় তারা।
পুলিশের বক্তব্য এসআরবি-৮ বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা ওয়ালিদ হাসান মিঠু জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পিরোজপুরের কাউখালী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এসআরবির সহায়তায় চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানা হেফাজতে রয়েছেন। মানিক হাওলাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করাসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।