সর্বশেষ

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬

প্রভাতী খবর ডেক্স:

ঢাকার পৃথক দুই এলাকায় গ্যাস বিস্ফোরণে ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন। মিরপুরের পাইকপাড়ায় গ্যাস লাইনের লিকেজের সামনে সিগারেট খেতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন যুবক দগ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া উত্তরখানের একটি বাসার রান্নাঘরে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।

৬ জুন শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে পাইকপাড়া থেকে দগ্ধ অবস্থায় আহতদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। আহতরা হলেন, মিরাজ, সুজন ও বিপ্লব।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মিরাজের শরীরে ১৫ শতাংশ দগ্ধ, সুজনের শরীরে ২৪ শতাংশ দগ্ধ এবং বিপ্লবের শরীরে দশ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে উত্তরখানের একটি বাসার রান্নাঘরে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।

দগ্ধরা হলেন, গৃহকর্তা আলী হোসেন, তার স্ত্রী হাসনা হেনা এবং তাদের মেয়ে আখি।

শনিবার সকালের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দগ্ধ অবস্থায় আহতদের জাতীয় বান ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান আজ সকালের দিকে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে দগ্ধ হয়ে আলী হোসেন শরীরে ১০০ শতাংশ দগ্ধ, হাসনাহেনা শরীরে দগ্ধ ৬০ শতাংশ এবং আঁখি শরীরে ১৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে এসেছেন।

দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তিনজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে জানতে উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিতেও সাঁড়া পাওয়া যায়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও জবাব দেননি।

পরবর্তীতে উত্তরখান থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমনা বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আমার জানা নেই।’

ঢাকার পৃথক দুই এলাকায় গ্যাস বিস্ফোরণে ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন। মিরপুরের পাইকপাড়ায় গ্যাস লাইনের লিকেজের সামনে সিগারেট খেতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন যুবক দগ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া উত্তরখানের একটি বাসার রান্নাঘরে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) ভোর সাড়ে চারটার দিকে পাইকপাড়া থেকে দগ্ধ অবস্থায় আহতদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। আহতরা হলেন, মিরাজ, সুজন ও বিপ্লব।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মিরাজের শরীরে ১৫ শতাংশ দগ্ধ, সুজনের শরীরে ২৪ শতাংশ দগ্ধ এবং বিপ্লবের শরীরে দশ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে উত্তরখানের একটি বাসার রান্নাঘরে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।

দগ্ধরা হলেন, গৃহকর্তা আলী হোসেন, তার স্ত্রী হাসনা হেনা এবং তাদের মেয়ে আখি।

শনিবার সকালের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দগ্ধ অবস্থায় আহতদের জাতীয় বান ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান আজ সকালের দিকে সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ থেকে দগ্ধ হয়ে আলী হোসেন শরীরে ১০০ শতাংশ দগ্ধ, হাসনাহেনা শরীরে দগ্ধ ৬০ শতাংশ এবং আঁখি শরীরে ১৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে এসেছেন।

দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তিনজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে জানতে উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিতেও সাঁড়া পাওয়া যায়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও জবাব দেননি।

পরবর্তীতে উত্তরখান থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমনা বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আমার জানা নেই।’