হামলার বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালিকি জানান, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) খামিস মুশাইত এলাকায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি জাজান অঞ্চলের আকাশসীমায় আরও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়।
সৌদি সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী:
-
প্রতিহত করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ খামিস মুশাইতের আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়ে।
-
এতে কয়েকটি ভবন ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
-
নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি উদ্ধার ও সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আল-মালিকি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হুথি বিদ্রোহীদের এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে এবং তাদের সহিংস কর্মকাণ্ড নিরুৎসাহিত করতে কঠোর সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
চলমান এই উত্তেজনার কয়েক ঘণ্টা আগেই সামরিক জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার মদিনার তায়বা অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্রে চালানো ড্রোন হামলার পেছনেও হুথিদের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
উক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ঐতিহাসিক মসজিদে নববীসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। হামলায় একটি ট্রান্সফরমার অচল হলেও সামগ্রিক জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় কোনো বিপর্যয় ঘটেনি।
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে:
-
নিন্দা জানিয়েছে: সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডান।
-
সংহতি প্রকাশ: উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC) জানিয়েছে, সৌদি আরব ও পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের সম্মিলিত নিরাপত্তার অংশ।
উল্লেখ্য, এর আগেও রিয়াদ, খামিস মুশাইত, ইয়ানবু ও তাইফ লক্ষ্য করে হুথিদের ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছিল সৌদি বিমান বাহিনী।